বাজেট ঘাটতি ১ লাখ ২৫ হাজার ২৯৩ কোটি টাকা


539 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
বাজেট ঘাটতি ১ লাখ ২৫ হাজার ২৯৩ কোটি টাকা
জুন ৭, ২০১৮ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক ::
জাতীয় সংসদে আগামী ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

প্রস্তাবিত এই বাজেটে ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা ব্যয়ের বিপরীতে মোট রাজস্ব আয় প্রাক্কলন করা হয়েছে ৩ লাখ ৩৯ হাজার ২৮০ কোটি টাকা, যা জিডিপির ১৩ দশমিক ৪ শতাংশ।

এতে আয়-ব্যয়ের ঘাটতি দাঁড়াবে ১ লাখ ২৫ হাজার ২৯৩ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৪ দশমিক ৯ শতাংশ।

ঘাটতি অর্থায়ন প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, ঘাটতি অর্থায়নে বৈদেশিক সূত্র থেকে ৫৪ হাজার ৬৭ কোটি টাকা (জিডিপির ২ দশমিক ১ শতাংশ) এবং অভ্যন্তরীণ সূত্র হতে ৭১ হাজার ২২৬ কোটি টাকা (জিডিপির ২ দশমিক ৮ শতাংশ) সংগ্রহ করা হবে। অভ্যন্তরীণ উৎসের মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা হতে সংগৃহীত হবে ৪২ হাজার ২৯ কোটি টাকা (জিডিপির ১ দশমিক ৭ শতাংশ) এবং সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য ব্যাংক-বহির্ভূত খাত থেকে আসবে ২৯ হাজার ১৯৭ কোটি টাকা (জিডিপির ১ দশমিক ২ শতাংশ)।

বাজেট বক্তৃতায় এ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী মুহিত বলেন, ‘বৈদেশিক সহায়তার যে বিশাল পাইপলাইন গড়ে তোলা হয়েছে তার ব্যবহার বাড়াতে পারলে অভ্যন্তরীণ উৎসের ওপর নির্ভরশীলতা যথেষ্ট কমানো সম্ভব হবে বলে আমার বিশ্বাস এবং সে প্রচেষ্টা আমরা চালিয়ে যাবো, যাতে ক্রমাগত বৈদেশিক সহায়তা ব্যবহারের হার বৃদ্ধি পেতে পারে।’

বৃহস্পতিবার স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরুর পর অর্থমন্ত্রী প্রথমেই চলতি অর্থবছরের সম্পূরক বাজেট উপস্থাপন করেন। এরপর আগামী২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী।

এটি দেশের ৪৭তম ও আওয়ামী লীগ সরকারের ১৯তম ও অর্থমন্ত্রী মুহিতের দ্বাদশ বাজেট। একইসঙ্গে এটি আওয়ামী লীগ সরকারের বর্তমান মেয়াদের পঞ্চম ও শেষ এবং মুহিতের টানা দশম বাজেট। অর্থমন্ত্রী হিসেবে টানা দশটি বাজেট দেওয়ার রেকর্ড বাংলাদেশে এই প্রথম। এরশাদ সরকারের আমলে দু’বার বাজেট দিয়েছিলেন মুহিত।