বাল্য বিবাহ রোধে সমাজের সকলকে দায়িত্ব নিতে হবে : জেলা প্রশাসক


444 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
বাল্য বিবাহ রোধে সমাজের সকলকে দায়িত্ব নিতে হবে : জেলা প্রশাসক
জানুয়ারি ৭, ২০১৬ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

আব্দুর রহমান মিন্টু/ আলতাফ হোসেন বাবু :
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক নাজমুল আহসান বলেছেন, শিক্ষক, অভিভাবক, ইমাম, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও সুশিল সমাজের প্রতিনিধিদের এক হবে বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে কাজ করতে না পারলে বাল্য বিবাহরোধ করা সম্ভব নয়। বাল্য বিবাহ রোধে সমাজের সকলকে দায়িত্ব নিতে হবে। যে যার অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখলে বাল্য বিবাহ রোধ করা সম্ভব হবে। তিনি বলেন, বাল্য বিবাহের শিকার শিক্ষার্থীদেরকে সচেতন হতে হবে, যাতে তার পিতা-মাতা অল্প বয়সে বিয়ে দিতে না পারে।

প্রধান অতিথি আরও বলেন, মেয়েদের এগিয়ে নিতে এবং নারীর ক্ষমতায়নে বর্তমান সরকার কাজ করছে। সে লক্ষ্যেই বর্তমান সরকার  মেয়েদের বিনামূল্যে এইচএসসি পর্যন্ত লেখাপড়া করার সুযোগ করে দিয়েছে। তিনি বলেন আমরা নেপোলিয়নের সুরে বলতে চাই আমাকে একটি শিক্ষিত মা দাও, আমি তোমাকে একটি শিক্ষিত জাতি উপহার দেবো।

 

01
বৃহস্পতিবার সকালে বেসরকারী সংস্থা আইটিভিএস ইন্টারন্যাশনাল ঢাকার সহযোগিতায় এবং অগ্রগতি সংস্থার বাস্তবায়নে “ উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে জীবন গড়তে চাই, ১৮বছরের নীচে বিয়ে নয়” মেয়েদের জন্য সেরা বিদ্যালয় গঠন পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বরেন।

 

20160107_110312
অগ্রগতি সংস্থার নির্বাহী পরিচালক আব্দুস সবুর বিশ্বাসের সভাপতিত্বে  তালা উপজেলার ত্রিশ মাইলে অবস্থিত সংস্থার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে বুধবার সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত সেরা বিদ্যালয়ের পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন আইটিভিএস ঢাকার কান্ট্রি ডিরেক্টর মাহমুদ হাসান, সাতক্ষীরা সরকারী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রবীণ শিক্ষাবীদ আব্দুল ওদুদ, সরকারী মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আব্দুল হামিদ, সিটি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ সুভাষ সরকার, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম. কামরুজ্জামান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল, জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা তারাময়ী মূখার্জী, আব্দুল করিম বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাসরিন খান লিপি।

 

20160107_110321
মেয়েদের জন্য সেরা বিদ্যালয় গঠনে সাতক্ষীরা তালা এবং সদর উপজেলার ৮৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৬টি প্রতিষ্ঠানকে সেরা বিদ্যালয় নির্বাচন করা হয়। এর মধ্যে প্রথম সেরা বিদ্যালয় নির্বাচিত হয়েছে নগরঘাটা কবি নজরুল বিদ্যাপিঠ, দ্বিতীয় মাছখোলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, তৃতীয় কুমিরা পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়, চতুর্থ সাতক্ষীরা টাউন গার্লস হাইস্কুল এবং পঞ্চম স্থানে রয়েছে সেনেগাতী মাধ্যমিক বিদ্যালয়।
অনুষ্ঠানে সেরা ৫টি বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় সেরা বিদ্যালয়ের সনদ এবং ক্রেষ্ট। এছাড়া অনুষ্ঠানে  ৫জন সেরা শিক্ষক, ৫জন সেরা অবিভাবক এবং সেরা গালস্ কমিটির পুরষ্কার বিতরণ করা হয়। “ উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে জীবন গড়তে চাই, ১৮বছরের নীচে বিয়ে নয়” মেয়েদের জন্য সেরা বিদ্যালয় গঠন পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের পূর্বে সকাল সাড়ে ৯টায়  ২৬শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১০০জন ছাত্র-ছাত্রী তালতলা আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য সাইকেল র‌্যালী শুরু করে, ত্রিশ মাইল মোড়ে অগ্রগতি সংস্থার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে গিয়ে র‌্যালী শেষ হয়।