বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনে নতুন চ্যালেজ্ঞের সম্মুখিন জনগণ


359 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনে নতুন চ্যালেজ্ঞের সম্মুখিন জনগণ
ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০১৬ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

নাজমুল আলম মুন্না, সাতক্ষীরা :
মানুষ অভ্যাসের দাস এটা সকলের জানা, তারই ধারাবাহিকতায় মোবাইল ফোন ছাড়া মানুষ এখন সম্পূর্ণ অচল হয়ে পড়েছে এটা বলার অপেক্ষা রাখেনা। সেই জায়গা থেকে দেশকে আরও গতিশীল এবং উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয়  প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষকে বাস্তবে ইম্পিলিমেন্ট করা এবং সইে এক্সপেক্টেশন পুরন এখন সময়ের ব্যপার মাত্র। এচাড়া অবৈধ পরিচয়হীন মোবাইল ফোন ব্যবহার বন্ধের তাগিদে দেশে চলছে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে মোবাইল ফোন কোম্পানির বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম  রি-রেজিষ্ট্রেশন কার্যক্রম। বাংলার জনগণ সেই ইচ্ছা বা প্রত্যয়কে বাস্তবে রুপদানে প্রতিদিন ভীড় জমাচ্ছেন মোবাইল ফোন অপারেটর সেন্টারে । প্রতিদিন সকাল ১০ টা হতে চলছে রাত আটটা পর্যন্ত কোন কোন স্থানে চলছে বিকাল ৫/৬ টা পর্যন্ত। তাই একটি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং আইডি কার্ডের ফটোকপি নিয়ে গ্রাহকদের মোবাইল ফোন সেন্টারে লাইনে দাড়িয়ে দিনের পর দিন ভীড় জমাতে দেখা যাচ্ছে সব ধরনের সিম নিবন্ধনের প্রয়োজনে।
কিন্তু সেখানে চ্যালেজ্ঞ হয়ে দাড়িয়েছে জাতীয় পরিচয়  পত্রের (আইডি কার্ড) হাতের ছাফের অমিল । তার মানে হচ্ছে যখন ১০ বছর আগে জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরির সময় আঙ্গুলের ছাফ নিয়েছিল সেই আঙ্গুলের ছাপের সঙ্গে বর্তমান আঙ্গুলের ছাপের অমিল রয়েছে বলে সিম রি-রেজিষ্ট্রেশন আনকম্পিলিট থেকে যাচ্ছে। ফলে এই পদ্ধতিতে সিম রি-রেজিষ্ট্রেশন করতে এসে চরম হতাশায় ভুগছে গ্রাহকরা । গতকাল বিকালে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল ফোন কোম্পানির গ্রামীন ফোন এবং বাংলা লিংক সেবা সেন্টারে গিয়ে দেখা যায় অনেকে অনর্থক এই সমস্যায় হতাশা ব্যক্ত করছেন। তারা বলছেন এখানে আমাদের কি করার আছে এটাতো আমাদের কোন মিসটেক নেই বা গাফিলতি নেই তবে আমরা কেন এই নতুন সমস্যার সম্মিুখিন হবো। আসলে  যখন এই কার্ড তৈরি করা হয়েছিল তখনই এই সমস্যার সৃষ্টি রয়ে গেছে। এই সমস্যার কথা শুনে সাতক্ষীরা গ্রামীন সেন্টারে। সেখানে উক্ত বিষয়ে জানতে চাইলে তারা বলেন প্রতিদিন আমরা ৪৫০ থেকে ৪৬০ জনের সিম রি-রেজিষ্ট্রেশন করে সেবা প্রদান করছি কিন্তু নতুন এই সমস্যায় রিতিমত হিমসিম খেতে হচ্ছে সমস্যাগ্রস্থদের প্রশ্নের জবাব দিতে দিতে । আমরা এখন কি করবো এই প্রশ্নে তারা সরাসরি নির্বাচন কমিশনে যোগাযোগ করার কথা বলেন। গ্রাহকরা সেখানে গেলে তারা বলেন আমাদের আসলে কিছু করার নাই তবে এবিষয়ে সরাসরি ঢাকায়  যোগাযোগের পরামর্শ প্রদান করেন বলে জানা যায়। প্রতিদিন কত জনের এই সমস্যা হচ্ছে জানতে চাইলে গ্রামীন ফোন সেবা সেন্টারের ম্যানেজার নাছিমা বলেন আমরা লক্ষ করেছি শতকরা প্রায় ১৫/২০ টি কার্ডে এই সমস্যা দেখা দিচ্ছে। কেন এই সমস্যা হচ্ছে জানতে চাইলে তারা বলেন হয়তো ১০ বছর আগের আঙ্গুলের ছাপের সাথে বর্তমানে এই অমিলের কারন হিসাবে বলেন অনেকে এমন কাজ করেন যেখানে হাতের অনেক জোরালো ভুমিকা রাখতে হয় যেমন কৃষক, শ্রমীক,গাড়ীর ড্রাইভার যাদের আঙ্গুলের উপর অনেক পেশার পড়ে এঅবস্থার সৃষ্টি হতে পারে। তাই জনগনের নতুন এই সমস্যার সমাধান কোথায় এই প্রশ্ন উঠছে জনমনে। তাই জরুরী ভিত্তিতে এই সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী জনগণ।