বিআরটিএ ও পাসপোর্ট অফিসে ঘুষ বাণিজ্য বন্ধে এখন থেকে গোয়েন্দা পুলিশ কাজ করবে : ওপেন হাউজ ডে’তে পুলিশ সুপার


480 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
বিআরটিএ ও পাসপোর্ট অফিসে ঘুষ বাণিজ্য বন্ধে এখন থেকে গোয়েন্দা পুলিশ কাজ করবে : ওপেন হাউজ ডে’তে পুলিশ সুপার
নভেম্বর ১১, ২০১৫ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

আব্দুর রহমান :
সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার চৌধুরী মঞ্জুরুল কবির পিপিএম (বার) বলেছেন, ‘জঙ্গীবাদের চেয়ে মাদক ভয়াবহ। মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকাসক্তদের সাথে কোন আপোষ নেই। কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা সংশ্লিষ্ট এলাকার বীট অফিসার যদি মাদক ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা  করে তাহলে মাদক ব্যবসায়ী এবং ঐ পুলিশ কর্মকর্তাকে একই হ্যান্ডকাপে ধরে আনা হবে।  এছাড়া জেলার আইন শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সাধারণ মানুষের বিভিন্ন পশ্ন-উত্তর পর্বে পুলিশ সুপার বলেন, সাতক্ষীরা বিআরটিএ অফিসে মটরসাইকেল রেজিষ্টেশনের জন্য যদি ওই অফিসের কোন কর্মকর্তা-কর্মচারী বা দালাল ঘুষ বানিজ্য করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সে যেই হোক না কেনো তাকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে। এখন থেকে গোয়েন্দা পুলিশ ওই অফিসে প্রতিদিন দায়িত্ব পালন করবে। ঘুষখোর ধরতে বিআরটিএ অফিসে গোয়েন্দা নজরদারী অব্যাহত থাকবে।

জনৈক এক ব্যবসায়ীর প্রশ্নের উত্তরে পুলিশ সুপার চৌধুরী মঞ্জুরুল কবীর বলেন, সাতক্ষীরা পাসপোর্ট অফিসে ঘুষ বানিজ্য বন্ধে আগেও অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। কিন্তু আজও একই অভিযোগ উঠছে। বিধায় এখন থেকে পাসপোর্ট অফিসেও ঘুষ বানিজ্য বন্ধ করতে অব্যাহত ভাবে গোয়েন্দা পুলিশের নজরদারি অব্যাহত থাকবে।

বুধবার বিকালে সাতক্ষীরা শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে সাতক্ষীরা সদর থানার আয়োজনে অনুষ্ঠিত ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠানে সাধারণ মানুষের প্রশ্ন-উত্তর পর্বে পুলিশ সুপার চৌধুরী মঞ্জুরুল কবির পিপিএম (বার) এসব কথা বলেন।

DSC03925

‘পুলিশ জনগণের সেবক ও বিপদের বন্ধু’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় সকল শ্রেণির গণমানুষের অংশ গ্রহণে উন্মুক্ত আলোচনা ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদ শেখ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মীর মোদাচ্ছের হোসেন, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আবু আহমেদ, সাতক্ষীরা কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সভাপতি আলহাজ্ব ডাঃ আবুল কালাম বাবলা প্রমুখ।

পুলিশ সুপার মটরসাইকেল অভিযান প্রসঙ্গে বলেন, সারা বাংলাদেশ ব্যাপী মটরসাইকেলের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে। অন্য জেলায় ১ জনের বেশি মটরসাইকেল চালাতে দেওয়া হচ্ছে না। কিন্তু সাতক্ষীরার বাস্তবতার কথা চিন্তা করে এখানে ২ জন করে চড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশে মটরসাইকেলের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হচ্ছে। এ ব্যাপারে কারো কোন ধরণের অভিযোগ বা কথা থাকলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে সরাসরি কথা বলার জন্য তিনি বলেন।

পুলিশ সুপার বলেন, আমাকে প্রতিনিয়ত ঘুম থেকে উঠেই শুনতে হয়, আমি না-কি বদলি হয়েছি, এখানে না-কি এক মহিলা এসপি যোগদান করেছেন। আমাকে বদলি করার জন্য একটি মহল চেষ্টা করছে,  অনেকেই অনেক মন্তব্যও করছেন। তিনি তাদের দৃষ্টি আকর্ষন করে বলেন, আমার বিরুদ্ধে চেষ্টা করে কোন লাভ হবে না। বৃথা চেষ্টা করবেন না। স্বাভাবিক নিয়মেই আমি বদলি হয়ে যাবো।