বিএনপি ৭ নভেম্বর সমাবেশ করবে : রিজভী


317 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
বিএনপি ৭ নভেম্বর সমাবেশ করবে : রিজভী
নভেম্বর ১, ২০১৬ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক :
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ৭ নভেম্বর উপলক্ষে সমাবেশ করার অনড় অবস্থানের কথা জানিয়েছে বিএনপি।

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর নয়া পল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী দলের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।

তিনি বলেন, ‘বিএনপির পক্ষ থেকে বলছি, ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের হানিফ সাহেবরা সমাবেশ প্রতিহত করার হুমকি দিয়েছেন। আমরা জলপাইয়ের পাতা নিয়ে এগিয়ে যাব, দিবসটি পালন করবই। দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া উপস্থিতিতে ওই সমাবেশ শান্তিপূর্ণভাবে  অনুষ্ঠানের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।’

গত ২০ অক্টোবর এক যৌথ সভায় বিএনপি ৭ নভেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করে। সমাবেশের অনুমতির জন্য বিএনপির পক্ষ থেকে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদনও করা হয়।

এদিকে সোমবার আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ এক আলোচনা সভায় বলেছেন, ‘পঁচাত্তরের ৩ নভেম্বরের  ঘটনা আড়াল করতে সিপাহী বিপ্লবের নামে পঁচাত্তরের ঘাতকগোষ্ঠী তথাকথিত বিপ্লব দিবস পালন করে। এই দিন তারা হাজারো সেনা সদস্যকে হত্যা করেছে। এই সেনা হত্যাকারীদের মাঠে নামার কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না। তাদের কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে। বিপ্লবের নামে এই ঘাতকদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।’

হানিফের বক্তব্যের জবাবে সংবাদ সম্মেলনে রিজভী বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, হানিফ সাহেব যে কথা বলেছেন, এটা তার ব্যক্তিগত বক্তব্য, সরকারের নয়। এই সমাবেশ সরকার করতে দেবে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনী বিশেষ করে,পুলিশও তা অনুমোদন দেবে।’

হানিফের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনাদের অস্ত্র আছে, রাইফেল আছে, আপনাদের সাজানো আইন শৃঙ্খলা বাহিনী আছে, আপনারা অনেক কিছুই করতে পারেন। কিন্তু মানুষের হৃদয়ের ভেতরে যে দিবসটি পালিত হয়, সেই দিবসটি মুছবেন কি করে?’

ব্রাক্ষ্মণবাড়ীয়ার হামলা প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, ‘৩০ অক্টোবর রোববার ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দির ও বাড়ি ঘরে হামলা করে লুটপাট ও ভাংচুর করা হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। এছাড়া শাসকদলের উচ্চপর্যায়ের কোনো নেতা বা সংসদ সদস্য কিংবা মন্ত্রী এলাকা পরিদর্শন ও সংকট উত্তরণে যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করেননি।’

তিনি এ ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, হাবিবুর রহমান হাবিব, শাহজাদা মিয়া, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, কেন্দ্রীয় নেতা এ বিএম মোশাররফ হোসেন ও মুনির  হোসেন।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ৭ নভেম্বর উপলক্ষে সমাবেশ করার অনড় অবস্থানের কথা জানিয়েছে বিএনপি।

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর নয়া পল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী দলের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।

তিনি বলেন, ‘বিএনপির পক্ষ থেকে বলছি, ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের হানিফ সাহেবরা সমাবেশ প্রতিহত করার হুমকি দিয়েছেন। আমরা জলপাইয়ের পাতা নিয়ে এগিয়ে যাব, দিবসটি পালন করবই। দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া উপস্থিতিতে ওই সমাবেশ শান্তিপূর্ণভাবে  অনুষ্ঠানের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।’

গত ২০ অক্টোবর এক যৌথ সভায় বিএনপি ৭ নভেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করে। সমাবেশের অনুমতির জন্য বিএনপির পক্ষ থেকে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদনও করা হয়।

এদিকে সোমবার আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ এক আলোচনা সভায় বলেছেন, ‘পঁচাত্তরের ৩ নভেম্বরের  ঘটনা আড়াল করতে সিপাহী বিপ্লবের নামে পঁচাত্তরের ঘাতকগোষ্ঠী তথাকথিত বিপ্লব দিবস পালন করে। এই দিন তারা হাজারো সেনা সদস্যকে হত্যা করেছে। এই সেনা হত্যাকারীদের মাঠে নামার কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না। তাদের কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে। বিপ্লবের নামে এই ঘাতকদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।’

হানিফের বক্তব্যের জবাবে সংবাদ সম্মেলনে রিজভী বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, হানিফ সাহেব যে কথা বলেছেন, এটা তার ব্যক্তিগত বক্তব্য, সরকারের নয়। এই সমাবেশ সরকার করতে দেবে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনী বিশেষ করে,পুলিশও তা অনুমোদন দেবে।’

হানিফের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনাদের অস্ত্র আছে, রাইফেল আছে, আপনাদের সাজানো আইন শৃঙ্খলা বাহিনী আছে, আপনারা অনেক কিছুই করতে পারেন। কিন্তু মানুষের হৃদয়ের ভেতরে যে দিবসটি পালিত হয়, সেই দিবসটি মুছবেন কি করে?’

ব্রাক্ষ্মণবাড়ীয়ার হামলা প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, ‘৩০ অক্টোবর রোববার ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দির ও বাড়ি ঘরে হামলা করে লুটপাট ও ভাংচুর করা হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। এছাড়া শাসকদলের উচ্চপর্যায়ের কোনো নেতা বা সংসদ সদস্য কিংবা মন্ত্রী এলাকা পরিদর্শন ও সংকট উত্তরণে যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করেননি।’

তিনি এ ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, হাবিবুর রহমান হাবিব, শাহজাদা মিয়া, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, কেন্দ্রীয় নেতা এ বিএম মোশাররফ হোসেন ও মুনির  হোসেন।