বিদেশে অপরাধ সাম্রাজ্যে বাংলাদেশিরা


349 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
বিদেশে অপরাধ সাম্রাজ্যে বাংলাদেশিরা
সেপ্টেম্বর ৮, ২০১৫ প্রবাস ভাবনা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

ভয়েস অব সাতক্ষীরা ডটকম ডেস্ক :
নরসিংদীর মৃত জহির মিয়ার ছেলে শহিদ মিয়া গত ১৯ এপ্রিল সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে স্থানীয় পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি আমিরাতে একটি মাদক ব্যবসার সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছিলেন। শুধু আমিরাত নয়, পুরো মধ্যপ্রাচ্যেই মাদক সরবরাহ করত তার সিন্ডিকেট। শহিদ মিয়ার নেতৃত্বের এই সিন্ডিকেটে ছিল আরও কয়েকজন বাংলাদেশি ও দুই পাকিস্তানি। তারা বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন উপায়ে প্রবাসীদের নিয়ে মাদক পরিবহন করিয়ে ইসলামী শরিয়াহর মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মাদক ব্যবসা করত। যদিও এসব দেশে খুনের চেয়ে মাদককে গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়। গ্রেফতারের সময়ও শহিদ মিয়ার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক ও নগদ অর্থ উদ্ধার করে আবুধাবির পুলিশ। শহিদ মিয়ার সিন্ডিকেটকে গ্রেফতারের পেছনেও রয়েছে মাদকদ্রব্যসহ আরেক বাংলাদেশির গ্রেফতারের ঘটনা। সেটি হয়েছে গত ১৪ জানুয়ারি। সেদিন আবুধাবি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনে প্রায় দুই কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার হয়েছিলেন নরসিংদীর প্রবাসী শফিকুল ইসলাম। তার কাছে জীবনরক্ষাকারী ওষুধের প্যাকেটে পাওয়া যায় এই গাঁজা। শফিকুলকে ভুল বুঝিয়ে এই মাদকের প্যাকেট ঢাকা থেকে নিয়ে যেতে বাধ্য করেছিলেন শহিদ মিয়া। ১৫ বছর কারাদণ্ডের শাস্তি পাওয়া শফিকুলের দেওয়া তথ্যেই গ্রেফতার হয় শহিদ মিয়ার সিন্ডিকেট। একইভাবে সৌদি আরবেও মাদক ব্যবসার সিন্ডিকেট বানিয়েছে বাংলাদেশিরা। তাদের মধ্যে ইকবাল আলী, শামীম মোহাম্মদ ও আবু জাফর তনু মাদক ব্যবসা করতে গিয়েই ধরা পড়ে এখন সৌদি আরবের জেলে আছেন। তাদের বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড ছাড়াও নানান সংখ্যায় বেত্রাঘাতের শাস্তিও দেওয়া হয়েছে। মাদক ব্যবসার অপরাধে মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে সাইপ্রাস ও মালয়েশিয়ার কারাগারেও আছেন বাংলাদেশিরা। বিচ্ছিন্নভাবে গত কয়েক বছর ধরেই এমন প্রবণতা চললেও এবার নজরে পড়েছে সেসব দেশের। উদ্বিগ্ন বাংলাদেশের দূতাবাসও জরুরি বার্তা পাঠিয়েছে ঢাকার মন্ত্রনালয়ে। আমিরাতের আবুধাবির বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে গত ২৪ আগষ্ট ঢাকার প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রনালয়ে পাঠানো এক প্রতিবেদনে শহিদ মিয়াকে মধ্যপ্রাচ্যে মাদক চোরাচালানের অন্যতম হোতা হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এতে বলা হয়, নতুন আসা বাংলাদেশিদের হাতে ঢাকা থেকেই ওষুধের প্যাকেটের ভেতর মাদক ঢুকিয়ে তা আবুধাবিসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে সে বাজারজাত করে আসছিল। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোয় মাদক বেচা-কেনার ঘটনা ‘বিরল’ মন্তব্য করে দূতাবাসের পাঠানো প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশিদের এ ধরনের অপরাধে জড়িত হওয়ার বিষয়টি ব্যাপক আলোচিত হচ্ছে সংশ্লিষ্ট দেশে। মাদক ব্যবসায়ীরা সংখ্যায় কম হলেও ৫০ লাখেরও বেশি বাংলাদেশির কর্মস্থল মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোয় এদের কারণে চরম নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। এতে বাংলাদেশের সুনাম ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। অবশ্য প্রবাসে গিয়ে বিভিন্ন ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়া বাংলাদেশিদের জন্য নতুন নয়, বরং এই সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। এতদিন চুরি, সংঘবদ্ধ ডাকাতি, ধর্ষণ থেকে শুরু করে খুনের ঘটনাও ঘটছে প্রায়শই। হুন্ডি ও জুয়ায় বাংলাদেশিদের সম্পৃক্ততাও বাড়ছে। স্বদেশিদের খুন করার পাশাপাশি বিদেশিদেরও খুন করার মতো অপরাধ করছে বাংলাদেশিরা। মাসুদ রানা নামের এক বাংলাদেশিতো একাই মালয়েশিয়ার একই পরিবারের সাত সদস্যকে নির্মমভাবে হত্যা করেছেন বলে আদালতে প্রমানিত হয়েছে। আবার লেবাননের ইতিহাসে সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর খুনের ঘটনার সঙ্গেও জড়িয়ে আছে এক বাংলাদেশির নাম। তিনি দুই ব্যক্তিকে খুন করে লাশ স্যুটকেসে ভরে বহুদূরের এক নির্মাণাধীন ভবনে পুতে রেখেছিলেন। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর তাকে ধরেছে সেদেশের পুলিশ। এছাড়া সিঙ্গাপুরে ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক একজন গৃহপরিচারিকাকে নির্যাতন করে হত্যা করেছেন টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের কামরুল হাসান। মালয়েশীয় প্রেমিকাকে ছুরিকাঘাতে খুন করেছেন পাবনার ঈশ্বরদীর শামীম রেজা। বাহরাইনে এক কুয়েতি নাগরিককে খুন করেছেন ঢাকার উত্তরার রাসেল। সৌদি আরবে আট বাংলাদেশি খুন করেছে সাত স্বদেশি এবং এক পাকিস্তানী ও এক ভারতীয় নাগরিককে। আমিরাতের দুবাই ও শারজায় পাকিস্তান, আমিরাত, ভারত ও ফিলিপাইনের একজন করে এবং বাংলাদেশের ২১ জন খুন হয়েছেন বাংলাদেশিদেরই হাতে। সৌদি আরবের রিয়াদে আলী আবদুল্লাহ মোহাম্মদ নামে এক সৌদি নাগরিককে হত্যা করে নরসিংদীর আবু বকর। ভারতীয় এক নারীকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড হয় মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ার লিটনের। সৌদিআরবের জেদ্দায় পাকিস্তানের নাগরিক এজাজ বটি দিয়ে কুপিয়ে খুন করে চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার আখতার হোসেন। সৌদিআরবে ইন্দোনেশিয়ার দুই নাগরিক ও লক্ষ্মীপুরের আবুল কাশেম নামে এক প্রবাসীকে একাই হত্যা করে ভোলার আবুল কালাম। জেদ্দায় প্রবাসী এক বাংলাদেশির স্ত্রী ও কন্যাকে হত্যা করে ঢাকার দোহারের গোলাম হায়দার। সংযুক্ত আমিরাতের এক বৃদ্ধাকে ফেনীর জয়নাল আবেদিন, ফিলিপাইনের এক নাগরিককে মৌলভীবাজারের সাদেকুর রহমান, এক পাকিস্তানিকে হত্যা করে সিলেটের গোয়াইনঘাটের হেলালউদ্দিন ও সমীর রায়। এক ভারতীয় নাগরিককে হত্যা করে পাবনার নায়েব আলী, ময়মনসিংহের কামরুল ইসলাম ও কুমিল্লার আতিক আশরাফ। ভারতীয় অন্য এক নাগরিককে হত্যার দায়ে চট্টগ্রামের বহদ্দারহাটের কফিলউদ্দিনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। বাকিসব ক্ষেত্রে বাংলাদেশিরা বাংলাদেশিদেরই খুন করেছেন। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রনালয়, বিভিন্ন দূতাবাস ও বেসরকারি সংস্থার তথ্যমতে, বিশ্বের প্রায় ৪২টি দেশে প্রায় ১০ হাজার বাংলাদেশি আটক অবস্থায় আছেন। আমিরাতে কারাগারে থাকা অপরাধীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আছেন বাংলাদেশের নাগরিক। সেখানে পরিস্থিতি এমন অবস্থায় গিয়ে পৌঁছেছে যে নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হয়ে বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ভিসাই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সেখানের খুনের বিচারে মৃত্যুদন্ড প্রাপ্তই আছেন ২৪জন। বাংলাদেশ সরকারের পরিসংখ্যান অনুসারে, খুনের মামলায় সৌদি আরবে ১২জন, দুবাইয়ে ২৩জন, আবুধাবীতে ১ জন, কুয়েতে ১২জন, বাহরাইনে ১ জন, সিঙ্গাপুরে ১ আছেন মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত। এছাড়া খুনের অপরাধে বিচার চলছে কমপক্ষে ১০৮ জনের। এর মধ্যে সৌদিআরবে শিরোচ্ছেদ ও আমিরাতে ফায়ারিং স্কোয়াডে এবং বাকি দেশগুলোতে বাংলাদেশের মতো মৃত্যু নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত দড়িতে ঝুলিয়ে ফাঁসি কার্যকর করা হয়ে থাকে। শিরোচ্ছেদ বা ফাঁসি কার্যকর হয়ে যাওয়ার পর যে ন্যাক্কারজনক পরিস্থিতিতে পড়তে হয় তা থেকে রক্ষা পেতে সরকারের পক্ষ থেকে সমঝোতার বিভিন্ন চেষ্টা বরাবরই করা হয়। মধ্যপ্রাচ্যের থাকা রক্তমুল্য প্রথা কাজে লাগিয়ে ৩৫ মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত বাংলাদেশিকে উদ্ধারও করা হয়েছে। দেশের ভাবমূর্তি রক্ষার জন্য বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সরকারি অর্থে রক্তমুল্যের ক্ষতিপুরন দেওয়া হয়েছে। যদিও গত ২০১১ সালের অক্টোবরে সৌদি আরবের রিয়াদে মিসরের এক নাগরিককে হত্যার দায়ে আট বাংলাদেশির শিরশ্ছেদের ঘটনায় চরম বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ে বাংলাদেশ। বিভিন্ন দূতাবাস সূত্র ও পরিসংখ্যান বিশ্লেষনে দেখা যায়, বাংলাদেশিদের আরেকটি উল্লেখযোগ্য অপরাধ প্রবণতা হলো জুয়া ও সংঘবদ্ধ ডাকাতি। এশিয়ার দেশ সিঙ্গাপুরে জুয়ার আসরগুলোতে নিয়মিত যাওয়াদের মধ্যে শীর্ষ তিনের মধ্যে আছে বাংলাদেশিরা। জুয়ার এই অর্থের সংস্থান করতে গিয়ে অপরাধ কার্যক্রমের সঙ্গেও জড়িয়ে পড়ছেন তারা। সংঘবদ্ধ ডাকাতির অভিযোগে সিঙ্গাপুরের কারাগারে আটক রয়েছেন বাংলাদেশি সেলিম মিয়া, ইব্রাহিম মিয়া, মাসুম হায়দার ও তোফাজ্জল হোসেন। দাঙ্গাবাজ হিসেবে দেশটির কারাগারে আটক রয়েছেন এনামুল হক, শাহজালাল, ইলিয়াস মোহাম্মদ, জালালউদ্দীন, সাইফুল ইসলাম, মো. রফিকুল, হোসেইন মো. জাকির, মো. আলাউদ্দীন, কাউসার ও নূর মোহাম্মদ। সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে এ ধরনের ডাকাতির ঘটনার ঘটেছে। ডাকাতি করতে গিয়েই অনেকসময় খুনের ঘটনা ঘটে। প্রাপ্ত তথ্য মতে, ডাকাতি করে জখমের অভিযোগে বর্তমানে সৌদি আরবে আটক রয়েছেন বাংলাদেশি আশিকুর রহমান, আলম মিয়া, মো. মিলন, শহীদ মাতবর, রোমান মাতবর, কৃষ্ণ বর্মণ ও স্বপন বর্মণ, আবদুর রশীদ শেলী, নজরুল ইসলাম, মো. জনি ও নুরুল হক। ডাকাত হিসেবে কুয়েতে আটক রয়েছেন সোফান আলী, শমসের আলী, আসাদুল ইসলাম, আবদুুল জব্বার, আবদুুল্লাহ আল মাসুদ ও সজীব ফয়সল। একই অপরাধে বাহরাইনে আটক হয়েছেন ফারুক মিয়া ও রফিজউদ্দীন। কূটনৈতিক সূত্রের খবর, শ্রমিক আধিক্যের দেশগুলোতে খুনের পাশাপাশি চুরি ও প্রতারনার ঘটনা ঘটছে অহরহ। বিশেষত বাংলাদেশ থেকে ফ্রি ভিসায় শ্রমিক নিয়ে যাওয়ার নেপথ্যেও কাজ করছেন বাংলাদেশিরাই। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ হয়ে ইউরোপে যাওয়া ও উত্তাল সমুদ্রপথে থাইল্যান্ড হয়ে মালয়েশিয়ায় মানবপাচার এবং মাঝপথে তাদেরকে আটকে মুক্তিপন আদায়ের আন্তর্জাতিক চক্রের সঙ্গেও যুক্ত হয়ে গেছেন বাংলাদেশিরা। সম্প্রতি বাংলাদেশ হয়ে কোকেনের পাচারের রুট হওয়ার পর এই আন্তর্জাতিক চক্রের সঙ্গে লন্ডন প্রবাসী বাংলাদেশির জড়িত থাকার তথ্যও পাওয়া গেছে। সোনা চোরাচালানের সঙ্গে বাংলাদেশিদের জড়িত থাকার এখন প্রায় গা সওয়া হয়ে গেছে। অন্যদিকে উন্নত দেশগুলোতে ক্রেডিটকার্ড ও ইন্স্যুরেন্স জালিয়াতিতে বাংলাদেশিদের নাম আসে প্রায়শই।

অপরাধ প্রবণতার সম্ভাব্য তিন কারণ: সম্প্রতি আমিরাতে চিহ্নিত হওয়া মাদক সিন্ডিকেট ও অন্যান্য অপরাধের পিছনে সম্ভাব্য তিনটি কারণ চিহ্নিত করেছে সেখানে থাকা বাংলাদেশ দূতাবাস। ঋণের বোঝা, অভিবাসন ব্যয় মেটাতে দালালকে মাত্রাতিরিক্ত টাকা দেওয়া ও প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ না পাওয়ায় সৃষ্ট হতাশা থেকে প্রবাসীরা এধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে বলে মনে করছে দূতাবাস। এজন্য বিদেশে কর্মী পাঠানো আগে আরো সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষন ও যথাযথ ব্রিফিং-দিকনির্দেশনার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস।

বিদেশের কারাগারে বন্দি বাংলাদেশি : এই মুহুর্তে ঠিক কতজন বাংলাদেশি বিদেশের কারাগারগুলোতে বন্দি বা আটক আছেন তার কোন সঠিক পরিসংখ্যান নেই। কারণ, আটকদের পক্ষ থেকেই সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে থাকা বাংলাদেশ মিশনে যোগাযোগ করলেই কেবল তাদের খোঁজ রাখা সম্ভব হয়। অনেক দেশে নেই মিশনও। তাই তালিকার বাইরেও থেকে যান অনেক বন্দী। তবে পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়, প্রবাসী কল্যান মন্ত্রনালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় ও প্রবাসীদের নিয়ে গবেষনা করা সংস্থাগুলোর বিভিন্ন সময়ের পরিসংখ্যান খুঁজে পাওয়া তথ্যানুসারে, বিশ্বের ৪২টি দেশে কমপক্ষে ১০ হাজার বাংলাদেশি কারাবন্দী আছেন। এই সংখ্যা প্রতিনিয়তই পরিবর্তনও হচ্ছে। এদের মধ্যে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও মেয়াদের অতিরিক্ত বসবাসের কারনেও কারাগারে যেতে হয়েছে অনেককে।——সুত্র:-বাংলাদেশ প্রতিদিন।