বিমানবন্দরে নয়, হোটেলেই বিষ প্রয়োগ করা হয়েছিল নাভালনিকে


106 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
বিমানবন্দরে নয়, হোটেলেই বিষ প্রয়োগ করা হয়েছিল নাভালনিকে
সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২০ প্রবাস ভাবনা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক ::

রাশিয়ার বিরোধী দলীয় নেতা আলেক্সেই নাভালনির শরীরে নভিচক নামের নার্ভ এজেন্টের অস্তিত্ব পাওয়ার দাবি করেছিল জার্মান চিকিৎসকরা। শুরু থেকেই তারা ধারণা করছিলেন, নাভালনিকে বিমানবন্দরে বিষ দেওয়া হয়েছে। তবে এবার জানা গেছে, সাইবেরিয়ার তোমস্ক শহরের যে হোটেল রুমে নাভালনি ছিলেন সেখানেই তাকে বিষ প্রয়োগ করা হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার তারা একথা জানান। খবর রয়টার্সের

নাভালনির ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে পোস্ট করা এক ভিডিওতে দেখা গেছে, ২০ আগস্ট নাভালনি জান্দার হোটেল ছাড়ার কিছুক্ষণ পরেই হোটেলে কোনো জিনিসপত্র ছেড়ে যাচ্ছেন কিনা তা দেখছিলেন তার দলের সদস্যরা। এর এক ঘণ্টা পরেই তারা নাভালনির আকস্মিক অচেতন হওয়ার কথা জানতে পারেন।

গত মাসে রাশিয়ার সাইবেরিয়া থেকে মস্কো যাওয়ার পথে প্লেনে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন রুশ প্রেসিডেন্টের কট্টোর সমালোচক হিসেবে পরিচিত আলেক্সেই নাভালনি। পরে জরুরি অবতরণ করে তাকে সাইবেরিয়ার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর জার্মানির বার্লিনে নেওয়া হয় তাকে।

আলেক্সেই নাভালনির শরীরে বিষ প্রয়োগ করা হয়েছে বলে প্রাথমিক পরীক্ষা শেষে জানিয়েছিলেন জার্মানির চিকিৎসকরা। এরপর তারা নিশ্চিত করেই বলেন, নাভালনির দেহে নোভিচক নার্ভ এজেন্ট প্রয়োগ করা হয়েছে। সেসময় একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ৪৪ বছর বয়সী নাভালনি বিমানবন্দরে চা পান করছেন। সেসময় ধারণা করা হয়েছিল, তাকে বিমানবন্দরেই চায়ের সঙ্গে বিষ দেওয়া হয়েছে।

ইনস্টাগ্রামের পোস্টে বলা হয়েছে, প্রায় দুই সপ্তাহ পর তোমস্ক হোটেল রুমের পানির বোতল থেকে নভিচক খুঁজে পেয়েছে জার্মান ল্যাবরেটরি। এরপর আরো ল্যাবে পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, নাভালনিকে কোনো বিষ দেওয়া হয়েছে।

পোস্টে তার দলের সদস্যরা লিখেছেন, পরীক্ষা শেষে আমরা বুঝতে পারলাম যে, বিমানবন্দরে যাওয়ার আগে হোটেল রুমেই তাকে বিষ দেওয়া হয়েছিল।

প্রায় এক মাস অসুস্থ থাকার পর গত সোমবার নাভালনির স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়েছে। তিনি এখন বিছানা থেকে উঠতে পারছেন ও ভেন্টিলেটর ছাড়াই শ্বাস নিতে পারছেন তিনি।

নাভালনির সমর্থকদের অভিযোগ, নোভিচক নার্ভ এজেন্ট প্রয়োগের কাজটি হয়েছে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নির্দেশে। তবে ক্রেমলিন ওই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।