বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী গাজী মোমিন উদ্দীন তালা উপজেলার শ্রেষ্ঠ বিদ্যোৎসাহী সমাজকর্মী নির্বাচিত


707 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী গাজী মোমিন উদ্দীন তালা উপজেলার শ্রেষ্ঠ বিদ্যোৎসাহী সমাজকর্মী নির্বাচিত
আগস্ট ৮, ২০১৬ তালা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ রিপোর্টার :
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদকে বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী গাজী মোমিন উদ্দীন তালা উপজেলার শ্রেষ্ঠ বিদ্যোৎসাহী সমাজকর্মী নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি উপজেলার খলিলনগর ইউনিয়নের প্রসাদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিদ্যোৎসাহী সদস্য। শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি শিক্ষার মান উন্নয়নে ও শিক্ষায় সবাইকে সম্পৃক্ত করার জন্য নিরলসভাবে কাজ করেন। দরিদ্র ছাত্রছাত্রীদের বই, খাতা কলম, পোশাক, নগদ অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করেন। বিদ্যালয়ের আসবাবপত্র,প্রধান শিক্ষকের নামের তালিকা বোর্ড,ফুলের বাগান করাসহ মেধাবী শিক্ষার্থীদের  পুরস্কার প্রদানের মাধ্যমে লেখাপড়ায় অনুপ্রেরনা যোগান। খলিলনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উন্নয়ন কমিটির সদস্য হিসেবে তিনি ইতোমধ্যে দেশসেরা শিবরাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,গাইবান্ধাসহ অনেক প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেছেন। বিভিন্ন বিদ্যালয়ে প্রায় অর্ধযুগ ধরে মা ও অভিভাবক সমাবেশ,বার্ষিক বনভোজন এর সাথে সম্পৃক্ত হয়েছেন। শিক্ষা ও সামাজিক কর্মকান্ড নিয়ে তিনি খুলনা বেতারে সাক্ষাতকার  দিয়েছেন। তিনি মনে করেন একটি বিদ্যালয়ে সরকারি সাহায্যের পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের সহযোগিতা নিশ্চিত করতে পারলে একটি বিদ্যালয়ের জন্য সরকারের দিকে চেয়ে থাকা লাগেনা।টিউবওয়েল, টয়লেট, আসবাবপত্র, শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রয়োজন স্থানীয়ভাবে মেটানো যায়। শিক্ষক স্বল্পতায় স্থানীয় উদ্যোগে শিক্ষক নিয়োগ করা যায়।  সব মিলিয়ে একটি স্বপ্নের বিদ্যালয় বানাতে মানুষকে সংগঠিত করে উন্নয়ন তহবিল করা যায়। উপজেলার শ্রেষ্ঠ বিদ্যোৎসাহী সমাজকর্মী নির্বাচিত হওয়ায় তার অনুভুতি জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা কাজের স্বীকৃতি। কাজ আরও বেড়ে গেল। উল্লেখ্য তিনি সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। এছাড়া তিনি মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর এর সাতক্ষীরা জেলা নেটওয়ার্ক শিক্ষকের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সম্প্রসারনে প্রগতিশীল ও সামাজিক কর্মকান্ডের সাথে সম্পৃক্ত আছেন। কর্মক্ষেত্রেও তিনি দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে থাকেন। তার কর্মস্থলের সহকারী প্রধান শিক্ষক সমরেশ কুমার দাশ জানান, তিনি সব ভাল কাজের অগ্রভাগে থাকেন। খলিলনগর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান প্রভাষক প্রনব ঘোষ বাবলু বলেন, শিক্ষার ব্যাপারে তিনি অত্যন্ত আন্তরিক ও সহযোগী মনোভাবাপন্ন। প্রসাদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাসেম জানান, বিদ্যালয়ের ব্যাপারে তার আন্তরিকতা ও ত্যাগের তুলনা হয়না। বিভিন্ন মহল তাকে অভিনন্দিত করেছেন।