বুধহাটা আঞ্চলিক প্রেসক্লাবের নিন্দা


555 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
বুধহাটা আঞ্চলিক প্রেসক্লাবের নিন্দা
ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০১৭ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এস,কে হাসান ::
কালিগঞ্জে দৈনিক সাতনদীর প্রতিনিধি হাফিজুর রহমানের উপর হামলার প্রতিবাদ জ্ঞাপন করেছেন বুধহাটা আঞ্চলিক প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা জি এম মুজিবুর রহমান,প্রধান পৃষ্ঠপোষক প্রকৌশলী আ ব ম মোসাদ্দেক, সভাপতি এস,এম,আমীর হামজা, সহ-সভাপতি আহম্মদ আলী বাচা, রমেশ চন্দ্র বসাক, শফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক হাসান ইকবাল মামুন, যুগ্নসম্পাদক এস,কে হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুম বাবুল, অর্থ সম্পাদক বিকাশ চন্দ্র বাছাড়, দপ্তর সম্পাদক জ্বলেমিন হোসেন ক্রীড়া সম্পাদক মাসুদ রানা, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক জি এম আজিজুর রহমান, সচ্চিদানন্দ দে সদয়, গোলাম মোস্তফা, কামরুজ্জামান, বাহবুল হাসনাইন, দিপংকার কুমার ঘোষ, ওবাইদুল ইসলাম, সামছুল হুদা, মনিরুল ইসলাম মিল্টন, শাহিন আলম, ডাঃ রাজু আহম্মেদ প্রমুখ।

 

ঝাল মুড়ির বিক্রি করে সংসার চালায় কুল্যার অনুপ

এস,কে হাসান, নিজস্ব প্রতিনিধি ::
বাড়িতে ৫ জনের সংসার। আমি, বাবা, মা, স্ত্রী ও মেয়ে। কিন্তু মনে এতটুকুও কষ্ট নেই যে আমি একজন ঝাল মুড়ি বিক্রেতা। ৪ বছর ধরে সাইকেলের পেছনে ছাউনি দিয়ে ঝালমুড়ি বিক্রি করি। আর জীবনের শেষটুকু সময় যেন আমি ঝাল মুড়ি বিক্রি করি এটাই আমার কাম্য। এমনিভাবে তার মনের কথাগুলো ব্যক্ত করলেন কুল্যা ইউনিয়নের মহিষাডাঙ্গা গ্রামের গনেশ বিশ্বাসের পুত্র অনুপ বিশ্বাস(২৩)। বয়স তার কম হলেও জীবনের অধিকাংশ সময় তার কষ্টের মধ্য দিয়ে গেছে। পরিবারে একমাত্র আয়ের উৎস সে। ভিটে বাড়ি টুকু ছাড়া তার আর কোন জায়গা জমি নেই। ছষ্ঠ শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশুনা করে অভাবের কারনে তাকে মাঠে কৃষি কাজ, মাটির কাজ, ভ্যান চালাতে যেতে হয়েছে। কষ্টের কাজ গুলো করতে করতে এক সময় দেখা মেলে খলিষখালী তার গুরু মালেকের সাথে। সেই তাকে ঝাল মুড়ি বানাতে শিখিয়েছে। তার পর থেকে রাস্তায় রাস্তায় সাইকেল চালিয়ে ঝাল মুড়ি বিক্রি করে। সাইকেলের পেছনে কয়েকটি পাত্রে মুড়ি, চানাচুর, বুট,শসা, পেয়াজ কুচি, তেল ও বীট লবন দেখতে পাওয়া যায়। তায় দিয়ে ঝাল মুড়ি বানিয়ে বিক্রি করে সে ৫-১০ টাকা। কখন কখন তাকে দেখতে পাওয়া যায় কুল্যা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বুধহাটা বি বি এম কলেজিয়েট স্কুল, গুনাকরকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও বাজারের সামনে। স্কুলের ছেলে মেয়ে সহ ছোট বৃদ্ধ সকলের কাছে এক নামে পরিচিত ঝাল মুড়ি সাইকেল হকার। প্রতিদিন ঝাল মুড়ি বিক্রি করে ২০০ – ২৫০ টকা লাভ হয়। তাতে তাদের ৫ জনের সংসার কোন রকম চলে। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ঝাল মুড়ি বিক্রি করে তার মেয়েকে যেন শিক্ষিত করতে পারে সে জন্য সবার কাছে দোয়া  প্রর্থনা করি ।