বুধহাটা প্রেসক্লাবে হেযবুত তাওহীদের সংবাদ সম্মেলন


541 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
বুধহাটা প্রেসক্লাবে হেযবুত তাওহীদের সংবাদ সম্মেলন
মার্চ ১৮, ২০১৭ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এস.কে হাসান :: আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা আঞ্চলিক প্রেসক্লাবে নোয়াখালীর সোনাইমুড়িতে হেজবুত তাওহীদের দুই সদস্যকে নৃশংসভাবে হত্যা, বাড়িঘর লুটপাট, অগ্নিসংযোগ ও ধ্বংসযজ্ঞের সাথে জড়িতদের বিচারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। (শনিবার) বিকালে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।

সংগঠনের সাতক্ষীরা জেলা সভাপতি আজহারুল ইসলাম রঞ্জু লিখিত বক্তব্যে জানান, টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী পন্নী পরিবারের সন্তান এমামুযযামান মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নী প্রতিষ্ঠিত হেযবুত তাওহীদ ১৯৯৫ সাল থেকে দেশে আইন ভঙ্গ না করে শান্তিপূর্ণূ ভাবে

ধর্ম ব্যবসা, অপরাজনীতি, সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে ইসলামরে প্রকৃত শিক্ষা তুলে ধরে মানুষকে সচেতন করার চেষ্টা করে আসছে। ২০০৯ সালে হেযবুত তাওহীদের কর্মীদের ৮টি বাড়িতে আগুন দিয়ে ভস্মীভূত করা হয়।

২০১৬ সালের ১৪ মার্চ সোনাইমুড়িতে সদস্যদের বাড়িঘর ভাংচুর ও অগ্নিকান্ড, নির্মানাধীন মসজিদ ভাংচুর, নৃশংস অত্যাচার, হাত-পায়ের রগ কাটা, চোখ উপড়ে ফেলা, পেট্রোল ঢেলে শরীর আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।

৮৩ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হলেও চিহ্নিত আসামীরা গ্রেফতার হয়নি। ফলে আতঙ্কিত জনপদের অনেকেই এখনো ঘরবাড়িতে ফিরতে পারেনি।

সংবাদ সম্মেলনে আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার, আক্রমনকারীদের দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং ক্ষতিপুরণ ও পুনর্বাসনের দাবী জানান হয়। এসময় কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মনিরুল ইসলাসহ জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
##

বুধহাটা বেউলায় পৈত্রিক সম্পত্তি  থেকে উচ্ছেদের পায়তারা

আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নের বেউলা গ্রামে মায়ের কাছ থেকে পাওয়া পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদের পায়তারার অভিযোগ পাওয়া গেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।

বেউলা গ্রামের মৃত ইমান আলি সরদারের কন্যা মেহেরুন্নেছা খাতুন লিখিত ভাবে জানান, তার মা ১৭/২/৯৭ তাং ৬১৩ নং কোবালা দলিলের মাধ্যমে তাদের ৪ ভাইবোনকে ৪৫ শতক জমি দলিল করে দিয়েছিল। তারা সকলে সেই জমিতে চাষাবাদ করে ভোগদখলে আছে।

তার মায়ের সরলতার সুযোগে তাকে ভুল বুঝিয়ে স্থানীয় মাজেদ সরদার তাদেও মায়ের স্বত্ত না থাকা সত্তের তার কাছ থেকে একই জমি অবৈধভাবে লিখে নেন। তিনি (মাজেদ) তাদেরকে জমির দখলচ্যুৎ করতে নানাভাবে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছেন।

এরই সূত্রধরে ৪/৫ মাস আগে তিনি তাদের জমি থেকে ৭টি মেহগনি গাছ, ১টি শিশু গাছ, ১৭০টি বাঁশ গাছ কেটে নিয়ে যায়। বিষয়টি ইউপি সদস্য, চেয়ারম্যান ও গন্যমান্য ব্যক্তিদের জানান হয়েছে।

তার রেশ কাটতে না কাটতেই তিনি মূল্যহীন দলিল দেখিয়ে ঐ জমি এনজিও এসডিএফ এর কাছে বিক্রয় করার পায়তারা চালাচ্ছেন। এসডিএফ কর্মকর্তাদেরকে মেহেরুননেছা প্রকৃত ঘটনা জানিয়ে দিয়েছেন, এতে মাজেদ সরদার ক্ষুব্ধ হয়ে নানান হুমকী ধামকী দিয়ে যচ্ছে। এব্যাপারে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।
##