বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তার সহযোগিতায় কাঠও হরিন পাচার!


452 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তার সহযোগিতায় কাঠও হরিন পাচার!
এপ্রিল ১৫, ২০১৭ ফটো গ্যালারি শ্যামনগর
Print Friendly, PDF & Email

এস কে সিরাজ ::
সাতক্ষীরা- রেন্জের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তা মোঃ বেলাল হোসনের সহযোগিতায় একটি চক্রের মাধ্যমে কাঠ ও হরিন পাচার হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
গত ১৩/৩/ ২০১৭ তারিখের উপজেলা পরিষদের আইন শৃংখলা মিটিংয়ের রেজুলেশন থেকে জানা গেছে, এখানে উপজেলার গাবুরা ইউপি চেয়ারম্যান আলী আযম টিটু অভিযোগ করে বলেছেন,বন বিভাগের সহযোগিতায় সুন্দরবন থেকে ব্যাপক ভাবে প্রকাশ্যে কাঠ পাচার হচ্ছে।তিনি সুন্দরবন থেকে অব্যাহত ভাবে এ কাঠ পাচার প্রতিরোধ করতে আইন শৃংখলা মিটিংয়ের সকল সদস্যদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
জেলে বাওয়ালীদের সুত্রে জানা গেছে,বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন থেকে একটি পাচার চক্র সাদা মাছ ও কাকড়ার পাশ নিয়ে সুন্দরবনের গভীরে ঢুকে কৌশলে কাঠ ও হরিন পাচার অব্যাহত রেখেছে। তারা বন বিভাগ কেে ম্যানেজ করে বহাল তবিয়্যাতে চালিয়ে যাচ্ছে পাচার কার্য্যক্রম। এদিকে সুন্দরবনে ইন্জিন চালিত কোন যান চলাচল করবে নাা এমন নিষেধ থাকলেও বহাল তবিয়্যাতে কাকড়া,মাছ ও হরিন শিকারীরা গোন চুক্তিতে ট্রলার ও নৌকা নিয়ে সুন্দরবনের নিষিদ্ধ ( অভয়ারণ্য)  পল্লীতে ঢুকে অবৈধ ভাবে পাচার কার্য্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি কয়েকটি উপকুলীয় হ্যাচারী সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকা থেকে প্রয়োজন মত পিপিটি যুক্ত পানি আনছেন, সরকারী রাজন্ব দিয়ে। এখান থেকে বর্তমানে বনবিভাগ ব্যাপক রাজস্ব আদায় করে চলেছেন।কিন্ত বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তা বেলাল হোসেন নাম মাত্র খাতা কলমে রাজস্বের টাকা জমা দেখিয়ে সম্মুদয় টাকা নিজের পকেটে ভরছেন, বলে জানা গেছে।
কাঠ,কাকড়া,হরিন ও মাছ শিকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে সচেতন মহল সংশ্লিষ্ট্য কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।