বৃষ্টি হলে হাবড়ে পড়েন কলারোয়ার তিন গ্রামের মানুষ


102 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
বৃষ্টি হলে হাবড়ে পড়েন কলারোয়ার তিন গ্রামের মানুষ
জুলাই ১, ২০২২ কলারোয়া ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

ডেস্ক রিপোর্ট ::

আকাশে মেঘ জমলেই যেনো রাস্তা গলতে থাকে কলারোয়ার পাকুড়িয়া ফজুর মোড় থেকে পারখাজুরা ঘাট পর্যন্ত। সামান্য বৃষ্টিতে কাঁচা রাস্তা গলে ক্ষির হয়ে হয়ে যায়। বৃষ্টি একটু বেশি হলে রাস্তায় দেখা দেয় হাবড় (প্রায় হাঁটু পর্যন্ত কাদা)। এই হাবড় ঠেলে চলতে হয় অন্তত ৫ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষকে। এতে করে নারী-শিশু ও বৃদ্ধরা এক প্রকার নাকাল হয়ে পড়েন। বাড়ি থেকে বের হবার আগে বারবার আকাশে দিকে তাকিয়ে নেন তারা। বর্তমান সরকারের আমলে চারিদিকে উন্নয়নের জোয়ার। কিন্তু পাকুড়িয়া ফজুর মোড় থেকে পারখাজুরা ঘাট পর্যন্ত রাস্তাটির উন্নয়ন হয়নি আজও। এ রাস্তার যেনো কোন অভিভাবক নেই।

স্থানীয়রা বলছেন-কলারোয়া উপজেলার দেয়াড়া খানপাড়া, দফাদারপাড়া, মাঠপাড়া, গাজীপাড়ার শতশত পরিবার যুগযুগ ধরে ওই গ্রামে বসবাস করেন। গ্রামের মানুষ সাইকেল, ভ্যান, ট্রলি, মোটরসাইকেল নিয়ে চলাচল করার সময় বর্ষার দিনে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। খোরদো, পারখাজুরা ও দেয়াড়া বাজারের নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য আনা-নেওয়া করেন। তারা সার, মাছ, গোখাদ্য, কাঠ, বাঁশ ও বাড়িঘর নির্মাণের ইট, বালি, সিমেন্ট নিয়ে গ্রামের একমাত্র কাঁচা রাস্তা দিয়ে চলাচল করে থাকেন। এলাকার যাবতীয় কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণের একমাত্র রাস্তাটি পাকা করার জন্য প্রতিটি নির্বাচনের সময় প্রার্থীরা প্রতিশ্রুতি দেন। এলাকাবাসিও বারবার রাস্তাটি সংস্কারের দাবি করে আসছেন। কাচা রাস্তায় বর্ষার দিনে এক ছড়া বৃষ্টি হলেই মহাবিপদ। ভ্যান, ট্রলি, সাইকেল, মোটরসাইকেল আর চলে না। সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েন গ্রামবাসি। স্কুল ও কলেজ পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীরা বর্ষার দিনে কাদা পানি মেখে একাকার। বই-খাতা বাঁচানো দায় হয়ে পড়ে। তারপরও থেমে নেই তারা। হাবড় পাড়ি দিয়ে স্কুল কলেজে যাচ্ছে তারা। ৩টি গ্রামের মানুষের গ্রাণের দাবি রাস্তাটি পাকা করার।

দেয়াড়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড মেম্বর মাষ্টার রাশিদুল ইসলাম রাশেদ জানান, বর্তমান সরকারের সময়ে দেশের অলি-গলির রাস্তাঘাট পাকা করা হচ্ছে। দেয়াড়া মাঠপাড়া গ্রামের কাচা রাস্তাটি আজও পাকা করা হয়নি। রাস্তাটি এ বছরের মধ্যে পাকা করার জন্য তালা কলারোয়ার সংসদ সদস্য এড: মুস্তফা লুৎফুল্লাহর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসি।