বেনাপোলে বিক্রি নেই ধান : কৃষক ও আড়ৎ ব্যবসায়ীরা দিশেহারা


185 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
বেনাপোলে বিক্রি নেই ধান : কৃষক ও আড়ৎ ব্যবসায়ীরা দিশেহারা
মে ১৮, ২০১৯ কৃষি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

ডেস্ক রিপোর্ট ::

বেনাপোলে বন্ধ হয়ে গেছে ধান বেচাকেনা। কৃষকের উঠেছে মাথায় হাত। ব্যবসায়িরা আমদানিকারকদের কাছ থেকে রপ্তানিকৃত ধানের টাকা না পাওয়ায় ধানের দাম দিতে পারছেনা চাষীদের। ফলে কম দামেও কিনছেনা ধান। ধান নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে চাষী ও ব্যবসায়িরা। ব্যাংক ও বিভিন্ন এনজিও থেকে সুদে টাকা নিয়ে চাষ করে বিপাকে পড়েছেন চাষী। তারপুর শ্রমিকের মুজুরী বেড়ে যাওয়ায় খরচ উঠছেনা কৃষকেরা। ফলে ধান চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন তারা। সরকারের সজাগ দৃষ্টি কামনা করেন চাষীরা।
দেশের অন্যান্য স্থানের ন্যায় চলতি বোরো মৌসুমে যশোরের শার্শা ও বেনাপোলে ধানের বাম্পার ফলন হলেও দাম না পেয়ে হতাশা ও উৎকন্ঠায় পড়েছেন চাষীরা। দায়দেনা করে চাষে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তারা। সাড়ে ৬শ’ থেকে ৭শ’ টাকা চিকন ধান ও প্রকার ভেদে সাড়ে ৫শ’ টাকা মোটা ধানের বাজার থাকলেও কেনাবেচা না থাকায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন চাষীরা। ধানের টাকা না দিতে পেরে ব্যবসায়িরাও পড়েছেন বিপাকে, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তারা।
ব্যবসায়ি জাবেদ আলী ও লাভলু সরদার বলেন, কুষ্টিয়া মেহেরপুর ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে বড় ব্যবসায়িরা আসছেন ধানের মোকামে। কিনছেন ধান। আগে কিছুটা ধান নিলেও ভাল দাম ও টাকা পাননি তারা। চাতাল ব্যবসায়িরাও সিন্টিকেট করে ধানের দাম দিচ্ছে কম।
চাষী লোকমান ও আরসাদ আলী বলেন কৃষকের মড়ার উপর খাড়ার ঘা। তেল সার ও শ্রমিকের দাম বৃদ্ধি পেলেও ধানের দাম কম। পথে বসবে অনেক চাষী। পরিবার পরিজন নিয়ে কষ্টে জীবন জাপন করতে হবে অনেকের। সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করেন তারা।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৌতম কুমার শীল বলেন, শার্শা উপজেলায় প্রায় ২৪হাজার হেক্টর জমিতে হয়েছে ধান চাষ। দাম কম হলেও ফলন হয়েছে ভাল। বেচাকেনা বাড়লে কৃষকেরা কিছুটা ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারবে বলে আশা করেন তিনি। সরকারের নজরদারীতে ধানের দাম বৃদ্ধি করা হোক এমনটাই দাবী চাষীদের।