ব্লগার হত্যা মামলার প্রথম রায় আজ


280 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
ব্লগার হত্যা মামলার প্রথম রায় আজ
ডিসেম্বর ৩১, ২০১৫ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

ভয়েস অব সাতক্ষীরা ডটকম ডেস্ক :
গণজাগরণ মঞ্চের সংগঠক ও ব্লগার আহমেদ রাজীব হায়দার হত্যা মামলার রায় আজ বৃহস্পতিবার। এটি হবে দেশে ব্লগার হত্যা মামলার প্রথম রায়। তাই সবার দৃষ্টিও থাকবে আজ আদালতের দিকে। মামলাটির যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে গত সোমবার ঢাকার ৩ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক সাঈদ আহমেদ আজ রায়ের দিন নির্ধারণ করেন। মামলাটিতে ৫৫ সাক্ষীর মধ্যে ৩৪ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে শাহবাগে গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলন চলাকালে ২০১৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বাসায় ফেরার পথে পল্লবীর কালশীর পলাশনগরে আহমেদ রাজীব হায়দারকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ‘থাবা বাবা’ নামে তিনি ব্লগে লেখালেখি করতেন। এ ঘটনায় তার বাবা রাজধানীর পল্লবী থানায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। পরে মামলাটি ডিবিতে স্থানান্তর করা হয়।

রাজীবের বাবা ডা. নাজিম উদ্দীন গতকাল বুধবার সমকালকে বলেন, ‘আমার সন্তানকে যারা হত্যা করেছে তারা আত্মস্বীকৃত খুনি। পরিকল্পিতভাবে তাকে খুন করা হয়েছে। জঘন্য অপরাধের জন্য খুনিদের ফাঁসির দণ্ড হবে বলে আশা করছি।’

রাজীব হত্যা মামলায় ২০১৪ সালের ২৮ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) আটজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে। মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ডিবির পরিদর্শক নিবারণ চন্দ্র বর্মণ। চলতি বছরের ১৮ মার্চ আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের প্রধান মুফতি মোহাম্মদ জসীমুদ্দিন রাহমানী এবং নর্থসাউথ ইউনিভার্সিটির সাত ছাত্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।
অভিযুক্ত সাত ছাত্র হলো_ রাজধানীর খিলগাঁও চৌধুরীপাড়ার ফয়সাল বিন নাঈম দীপ, ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার পোড়াপাড়া গ্রামের এহসান রেজা রুম্মান, ঢাকার কেরানীগঞ্জ থানার ধলেশ্বর গ্রামের মাকসুদুল হাসান অনিক, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কলেজপাড়ার নাঈম ইরাদ, চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার হারামিয়া গ্রামের নাফিজ ইমতিয়াজ, ঢাকার কলাবাগান থানার ভূতের গলির সাদমান ইয়াছির মাহমুদ ও ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার জয়লস্করের রেদোয়ানুল আজাদ রানা। তারা সবাই নর্থসাউথের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক এবং ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন বিভাগের ছাত্র। মামলার প্রধান আসামি রেদোয়ানুল আজাদ রানা পলাতক রয়েছে। তাকে রাজীব হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে চিহ্নিত করে ডিবি।
মুফতি রাহমানীকে ২০১৩ সালের ২ সেপ্টেম্বর গ্রেফতার করা হয়। সাদমান ইয়াছির মাহমুদকে একই বছরের ২০ আগস্ট ও অন্যদের ১০ মার্চ গ্রেফতার করে ডিবি। পরে রাজীব হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেয় এই শিক্ষার্থীরা।