ব্লাড ক্যান্সারের কারণ ও চিকিৎসা


219 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
ব্লাড ক্যান্সারের কারণ ও চিকিৎসা
জানুয়ারি ২১, ২০২০ ফটো গ্যালারি স্বাস্থ্য
Print Friendly, PDF & Email

ডা. শেখ গোলাম মোস্তফা ::

রক্তরোগ সাধারণত দুই ধরনের হয়ে থাকে। এক দলকে বলা হয় ক্যান্সার। শিশু ও বয়স্ক মানুষের ক্যান্সার হয়। আরেকটি দল রয়েছে যেটি সাধারণত ক্যান্সারে পরিণত হয় না। একে সাধারণত বিনাইন দল বলে থাকি। এখানে জন্মগত রোগ, থ্যালাসেমিয়া এগুলো থাকে। তবে এটি সবসময় কম ক্ষতিকর নয়।

এখন ক্যান্সারের চিকিৎসা এসেছে। রোগী ভালোও হয়ে যায়। তবে কিছু বিনাইন রোগ রয়েছে, যেগুলো সবসময় বহন করতে হয়। জন্মগত অসুখ যেমন থ্যালাসেমিয়া বা হিমোফিলিয়া এর উদাহরণ। কোনো কারণে রক্ত যদি নিজেই ভেঙে যায় তখন অটোইমিউন, হেমোলাইটিক অ্যানিমিয়া হতে পারে। যেখানে গুরুতর রোগীদের বাঁচানো খুবই কঠিন। সাধারণত অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপন বা স্টেমসেল ট্রান্সপ্লানটেশন না করলে বেশিরভাগ রক্তরোগের রোগীকে বাঁচানো সত্যিই কঠিন হয়ে পড়ে। আর রক্তের ক্যান্সারেরও কিছু রোগী আছে, যারা ওষুধ বা চিকিৎসায় ভালো হয়। কিছু বিষয়ের জন্য অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপন অপরিহার্য।

ক্যান্সারের অনেক নতুন ও আধুনিক চিকিৎসা আমাদের দেশে চলে এসেছে। যাকে আমরা টারগেটেট থেরাপি বলি। তবে দুঃখজনক হলেও আমাদের দেশে কিছু উন্নত বিষয় অপ্রতুল। সে ক্ষেত্রে কিছু চিকিৎসা দেওয়া হয়। স্টেমসেল ট্রান্সপ্লানটেশন প্রয়োজন হলে তা করতে হবে। এছাড়া সাধারণ ওষুধ নির্ভরশীল কেমোথেরাপি দেওয়া যেতে পারে। সর্বশেষ পর্যায়ে রোগীদের প্যালিয়েটিভ থেরাপি দেওয়া হয়। এ পদ্ধতিগুলো আমাদের দেশে সহজলভ্য। তবে শুরুতেই এ রোগ শনাক্ত করা গেলে চিকিৎসার মাধ্যমে রোগীকে সুস্থ করে তোলা সম্ভব। তাই শুরুতেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন, ভালো থাকুন।

লেখক: অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, রেডিয়েশন অনকোলজি, এনাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল