‘ব্ল্যাক’-এর সেল রিপোর্ট চেয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট


370 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
‘ব্ল্যাক’-এর সেল রিপোর্ট চেয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট
নভেম্বর ২৯, ২০১৫ ফটো গ্যালারি বিনোদন
Print Friendly, PDF & Email

ভয়েস অব সাতক্ষীরা ডটকম ডেস্ক :
যৌথ প্রযোজনার ছবি ‘ব্ল্যাক’-এর সেল রিপোর্ট চেয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। বাংলাদেশ-ভারতের যৌথ আয়োজনে নির্মিত এ ছবিটি ২৭ নভেম্বর মুক্তি পায় কলকাতায়। কথা ছিল একইদিন দুই দেশে ছবিটি মুক্তি দেওয়া হবে। ১৫ নভেম্বর বাংলাদেশ সেন্সর বোর্ডে ছবিটি জমা পড়ে। পরবর্তীতে যৌথ নীতিমালা ভঙ্গের অভিযোগে তথ্য মন্ত্রণালয় ছবিটিকে সেন্সর সূচিভুক্ত না করতে সেন্সর বোর্ডকে নির্দেশ দেয় এবং ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক ড. মুহাম্মদ জাহাঙ্গীরকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। ২২ নভেম্বর কমিটি ছবির চিত্রনাট্যকারদের নিয়ে বৈঠক করার পর তথ্য মন্ত্রণালয়কে ছবিটি সেন্সর করার পক্ষে রিপোর্ট জমা দিলে সেন্সর বোর্ড ছবিটি সেন্সরের উদ্যোগ নেয়। কিন্তু সময় কম থাকায় ২৭ নভেম্বর ‘ব্ল্যাক’ বাংলাদেশে মুক্তি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বিধায় বাংলাদেশের প্রযোজক পরিচালক কিবরিয়া লিপু ভারতের প্রযোজক রানা সরকার ও পরিচালক রাজা চন্দকে ২৭ নভেম্বর ভারতে ছবিটি মুক্তি না দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান। কারণ এতে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে এ দেশের প্রযোজক। কিন্তু তারা এই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেন। ফলে কিবরিয়া লিপু ২৬ নভেম্বর কলকাতা হাইকোর্টে একটি মামলা দায়ের করেন। এতে ২৭ নভেম্বর ভারতে ছবিটি মুক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়।

২৭ নভেম্বর এ বিষয়ে হাইকোর্টে শুনানি অনুষ্ঠিত হয় এবং কোর্ট নিষেধাজ্ঞা না দিয়ে ভারতের প্রযোজককে ছবিটির চার সপ্তাহের সেল রিপোর্ট কোর্টে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়। কিবরিয়া লিপু কলকাতা থেকে মুঠোফোনে গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে এ তথ্য জানিয়ে বলেন, কোর্ট বলেছে ছবিটি একসঙ্গে মুক্তি না দেওয়ায় বাংলাদেশের প্রযোজক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে। তাই ভারতের চার সপ্তাহের সেলের টাকা থেকে বাংলাদেশের প্রযোজককে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। সোমবার হাইকোর্ট এ বিষয়ে জাজমেন্ট দেবে বলেও জানান লিপু। বাংলাদেশে ‘ব্ল্যাক’ মুক্তি পাচ্ছে ৪ ডিসেম্বর। এতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন বাংলাদেশের বিদ্যা সিনহা মিম ও কলকাতার নায়ক সোহম। ছবিটি বাংলাদেশের কিবরিয়া ফিল্মস ও কলকাতার দাস ক্রিয়েটিভ মিডিয়া যৌথভাবে নির্মাণ করে।