বয়লার বিষ্ফোরন প্রতিরোধে আধুনিক বয়লার স্থাপনের উদ্যোগ


575 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
বয়লার বিষ্ফোরন প্রতিরোধে আধুনিক বয়লার স্থাপনের উদ্যোগ
মে ৪, ২০১৭ তালা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ রিপোর্টার ::
বয়লার বিষ্ফোরন একটি নিত্যনৈমিত্তিক দূর্ঘটনা। বয়লার  বিষ্ফোরনের ফলে প্রতি বছরেই দুইশত বা তার অধিক শ্রমিকের প্রাণহানী ঘটে। বয়লার বিষ্ফরন দূর্ঘটনায় যারা বেচে থাকে তাদের শরীরের আকৃতি পোড়া রুটির মত হয়ে যায়। এই বিষয়কে সরোজমিনে দেখতে যান তালা উপজেলা নির্বাহী আফিসার মোঃ ফরিদ হোসেন।

বৃহস্পতিবার তালার জাতপুর এলাকায় বিভিন্ন ধানের মিলের বয়লার পর্যবেক্ষণ করেন তিনি। এ সময় তিনি লক্ষ্য করেন ব্রেল কেটে বয়লার হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে সব গুলো মিলে। যা হওয়ার কথা ছিল অত্যাধুনিক প্রযুক্তিগত ভাবে তৈরী এবং ডিজিটাল মিটার বসানো। মিল মালিকদের এই খামখেয়ালিপনা ভুলের জন্য চলে যাচ্ছে নিরিহ খেটে খাওয়া দিন মজুরদের তাজা প্রাণ।

ইতিপূর্বে বয়লার বিষ্ফোরনের ফলে তালার  জাতপুর সহ কয়েকটি এলাকার বেশ কয়েক জন শ্রমিক পঙ্গুত্ব বরণ করে বাড়ীতে পড়ে আছেন। এই ভয়ংকরতম বিষ্ফোরনকে যদি প্রতিরোধ করা সম্ভব না হয়,  তবে এভাবেই শ্রমিকদের প্রাণহানি ঘটবে, না হলে পঙ্গুত্ব জীবনযাপন করবে।

ফলে তাদের পরিবারে অভাব-অনাটন আর অশান্তি নেমে আসবে।সকলের উচিত এই বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং মালিক পক্ষের হেয়ালি না করা।

এই ব্যাপারে তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ফরিদ হোসেন বলেন, তালা উপজেলায় একশতটির বেশি ধানের মিল রয়েছে। এদের কোনটিই সরাকারি নিয়ম মেনে চলছে না এমন কি সরকারি অনুমোদনও নেই।আজ জাতপুর এলাকার কিছু মিল এবং বয়লার পর্যবেক্ষণ করা হয়।

ব্রেল কেটে বয়লার তৈরী করা যা যে কোন মুহুত্বে বিষ্ফোরন ঘটতে পারে।এই বিষয়ে অতিশিঘ্রই তিনি পরিবেশ অধিদপ্তরের সাথে কথা বলে মিল মালিকদেরকে ডিজিটাল বয়লার সহ মিটার স্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হবে এবং নিয়মমাফিক মিল পরিচালনা বিষয়ে ধারণ দেওয়া হবে।

নিয়ম বহিরভূত কোন মিল পরিচালনা করা যাবেনা।
##