‘ভরত চন্দ্র হাসপাতাল’ নামেই দৃষ্টিনন্দন হচ্ছে কপিলমুনি হাসপাতাল


187 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
‘ভরত চন্দ্র হাসপাতাল’ নামেই দৃষ্টিনন্দন হচ্ছে কপিলমুনি হাসপাতাল
নভেম্বর ২৩, ২০২০ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

পলাশ কর্মকার ::

অবশেষে আধুনিক কপিলমুনির রুপকার কপিলমুনির স্বপ্নদ্রষ্টা রায় সাহেব বিনোদ বিহারী সাধু’র প্রতিষ্ঠিত ভরত চন্দ্র হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠাকালীণ নামেই ফিরছে। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে পুর্বের নামে নামকরণের চিঠি ইস্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি শয্যা বৃদ্ধি ও আধুনিক চিকিৎসা সেবার সুযোগ রেখে দৃষ্টিনন্দন ‘ভরত চন্দ্র হাসপাতাল’ এর নির্মাণ কাজ শুরু করতে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে নোটিফিকেশন অব এ্যাওয়ার্ড প্রদান করেছে।
ঐতিহাসিক জনপদের বিশাল জনগোষ্ঠীর চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে মুজিব শতবর্ষ উদ্যাপনের বছরেই নির্মাণ কাজ শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এমনটি জানিয়েছে একাধিক সূত্র। প্রায় ৩ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত হাসপাতালটি একটি পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্ের রুপদানের অংশ হিসেবে প্রথম পর্যায়ে মুল ৫ তলা ভবনের ২য় তলা পর্যন্ত ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ কোটি টাকা। ভরত চন্দ্র হাসপাতাল ভবন আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন হবে, থাকবে অপারেশন থিয়েটারও। প্রকল্পের কাজ সম্পূর্ন বাস্তবায়ন হলে হাসপাতালটি ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হবে বলে সূত্র জানিয়েছে। তবে আপাতত নতুন ভবনটিতে থাকছে ২০ শয্যার সুবিধা। আধুনিক এই ভবন নির্মাণ কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব শেখ ইউসুফ হারুন ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব তপন কান্তি ঘোষ উপস্থিত থাকবেন বলে জানাযায়।
১৯১৫ সালের ৭ এপ্রিল স্বর্গীয় রায় সাহেব বিনোদ বিহারী সাধু ২০ শয্যা বিশিষ্ট যাদব চন্দ্র চ্যারীটেবল ডিসপেনসারী ও ভরত চন্দ্র হাসপাতাল হিসেবে এটি প্রতিষ্ঠা করেন। ভৌগলিক অবস্থান বিন্যাসে সে সময় খুলনা, সাতক্ষীরা ও যশোর সীমানায় প্রায় ২০ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে ভরত চন্দ্র হাসপাতাল প্রায় ৫০ লাখ মানুষের স্বাস্থ্য সেবা প্রদানে একমাত্র হাসপাতাল ছিল।

#