ভার্চুয়াল কোর্টে অংশ গ্রহন না করার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির


360 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
ভার্চুয়াল কোর্টে অংশ গ্রহন না করার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির
মে ১২, ২০২০ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

বদিউজ্জামান :
দেশব্যাপী করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) এর সংক্রমণ মোকাবেলায় সুপ্রীম কোর্টের নির্দেশে ভার্চুয়াল কোর্ট পরিচালনার ব্যবস্থা গ্রহন করা হলেও সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতি এ ধরনের কোর্টে অংশ গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির এক জরুরী সাধারণ সভায় এসব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এড. এম শাহ-আলম।

জানাগেছে, দেশব্যাপী করোনা ভাইরাস রোগ (কোভিড-১৯) এর সংক্রমণ মোকাবেলায় এবং এর ব্যাপক বিস্তর রোধকল্পে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে সাধারণ ছুটির সময়ে নিন্ম আদালতে কেবলমাত্র জামিন সংক্রান্ত বিষয়ে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভার্চুয়াল উপস্থিতির মাধ্যমে আদালতের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সুপ্রীম কোর্ট এক নির্দেশনা জারি করেন।

কিন্তু সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত সাধারণ সভায় বক্তাগন বলেন, মফস্বল শহরে সর্বস্তরের আইনজীবীদের তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ে পর্যাপ্ত জ্ঞান না থাকায় এবং প্রত্যেকের ল্যাবটপ, স্ক্যানার ও প্রির্ন্টাস মেশিন না থাকায় এবং ইন্টারনেট ও ওয়াই-ফাই লাইন পর্যাপ্ত না থাকায় ভার্চুয়াল কোর্টে অংশ গ্রহন সম্ভব নয়। যে কারণ সমিতির সর্ব সম্মত সিদ্ধান্তক্রমে সদস্যদেরকে ভার্চুয়াল কোর্টে অংশ গ্রহন না করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। সমিতির কোন সদস্য যদি উক্ত সিদ্ধান্ত অমান্য করেন, তাঁর বিরুদ্ধে সমিতির গঠনতন্ত্র মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলেও এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

সভাশেষে সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এড. এম শাহ আলম ভয়েস অব সাতক্ষীরাকে বলেন ‘করোনা সংক্রমণরোধে সরকারি সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানায়। কিন্তু যেহেতু আইনজীবীসহ আদলতের সাথে সম্পৃক্ত বেশির ভাগ মানুষ এখনো ইন্টারনেটে সেভাবে দক্ষ নয় । তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত ছিল। ভার্চুয়াল পদ্ধতি চালু করলে ৯০ ভাগ আইনজীবী আইন পরিচালনায় অংশগ্রহন করতে পারবে না। বিধায় আমরা উপরোক্ত সিদ্ধন্ত গ্রহণ করেছি।

তিনি আরও বলেন সামাজিক দূরাত্ব বজায় রেখে আইনজীবীরা আদালতে পিটিশন জমা দিয়ে আসবে। সংশ্লিষ্ট বিচারক ওই পিটিশন দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবে। এমন একটি পদ্ধতি চালু করতে হবে যাতে সব আইনজীবী বিচারিক কাজে অংশ গ্রহণ করতে পারে।