ভালোবেসে ভালো নেই সাতক্ষীরার পাপিয়া


315 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
ভালোবেসে ভালো নেই সাতক্ষীরার পাপিয়া
ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০১৯ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

কে এম আনিছুর রহমান ::

সকলের চুরি করে ভালোবাসার মানুষটিকে বিয়ে করে সাতক্ষীরার পাপিয়া ভাল নেই। বিয়ের কয়েক মাস পর জানতে পারেন ভালোবাসার মানুষ সাইফুল্লাহ সরদার আগে থেকেই বিবাহিত। যা তিনি বিয়ের আগে পাপিয়ার কাছে গোপন করেছেন। এরপর পাপিয়া বুঝতে পারলেন ভুল মানুষটিকে ভালবেসেছেন। পাপিয়া সুলতানা সাতক্ষীরা শহরের ইটাগাছা এলাবার মৃত আকবার আলীর মেয়ে।
পাপিয়া সুলতানা জানান, ২০১৮ সালের পহেলা জানুয়ারি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার উপজেলার রইচপুর এলাকার মৃত আব্দুস সবুর সরদারের ছেলে সাইফুল্লাহ সরদারের সঙ্গে গোপনে রেজিস্ট্রি করে বিয়ে করেন তিনি। বিয়ের পর সাইফুল্লাহর পরিবার তাকে স্বীকৃতিও দেন। কিন্তু বিয়ের আগে জানতেন সাইফুল্লাহ অবিবাহিত। তবে বিয়ের কিছুদিন পর জানতে পারেন ওই ভালবাসার মানুষটি বিবাহিত। এ নিয়েই শুরু হয় মনোমালিন্য। এরপর খুটিনাটি বিষয় নিয়ে বিভিন্ন সময় তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করেন সাইফুল্লাহ।
পাপিয়া আরো বলেন, এক পর্যায়ে তিনি গর্ভবতী হয়ে পড়লে ওষুধের মাধ্যমে তার বাচ্চা নষ্ট করে দেয়া হয়। যৌতুকের টাকা না দিলে তাকে তালাক দেয়ার হুমকি দেয় সাইফুল্লাহ। কয়েক দিন পর হঠাৎ তালাকের নোটিশ পাঠায়। এরপর ৫০ হাজার টাকার যৌতুকের বিনিময়ে গত ৪ জানুয়ারি তাকে পুনরায় বিয়ে করে । কিন্তু এখন সে আবার তার কাছে দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা দাবি করছে। টাকা না দিলে তালাক দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে। বর্তমানে সাইফুল্লাহ দু’বার তালাক দেয়া প্রথম স্ত্রী রওশন আরাকে নিয়ে সংসার করছে।
এসব ঘটনায় সাতক্ষীরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে গত ২৭ জানুয়ারি পাপিয়া মামলা করেন। মামলাটি বর্তমানে জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার তদন্তাধীন রয়েছে। তিনি ওই প্রতারক স্বামীর বিচার চাই।

এসব অভিযোগের বিষয়ে পাপিয়ার স্বামী সাইফুল্লাহ সরদারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
তবে তার চাচা রোস্তম আলী বলেন, বিয়ে করেছিল পাপিয়াকে। তবে পরে কী হয়েছে আমি জানি না।

এ ব্যাপারে জেলা মহিলা বিষয়ক কার্যালয়ের উপ-পরিচালক তারাময়ী মূখার্জী বলেন, বিজ্ঞ আদালত থেকে পাঠানো কাগজপত্র না দেখে এ বিষয়ে মন্তব্য করা সম্ভব নয়।

#