ভেঙ্গে পড়েছে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা : রোগীরা হচ্ছে হয়রানী


353 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
ভেঙ্গে পড়েছে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা : রোগীরা হচ্ছে হয়রানী
জানুয়ারি ২৩, ২০১৬ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর স্বাস্থ্য
Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ রিপোর্টার :
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের চিৎসকের অবহেলা, রোগীদের সাথে দূর ব্যবহার ও খাঁম খেঁয়ালীপনার কারনে দূর-দূরান্ত থেকে আসা সাধারণ রোগীরা স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ভেঙ্গে পড়েছে হাসপাতালের স্বাস্থ্য সেবা। সেবা নিতে আসা সাধারণ রোগীরা হয়রানীর শিকার হচ্ছে প্রতিনিয়ত।

সদর হাসপাতালে সেবা নিতে আসা রোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিনে দেখা গেছে অফিস টাইমে অনেক চিকিৎসক সময় মত চেম্বারে আসে না। বিশেষ করে হাসপাতালে নাক, কান, গলা বিভাগের ডা. মোহসেনা খানম সোয়া দশটার সময়ও চেম্বারে আসেনি। আর তার সময় মত না আসায় একদিকে চেয়ার টেবিল খালি পড়ে আছে অন্যদিকে চেম্বারের সামনে রোগীদের দীর্ঘ লাইন দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে।

রোগীদের অভিযোগ এমন ভাবে প্রতিনিয়ত ডাক্তারের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে তিনি এখনও হাসপাতালে আসেনি। ভূক্তভোগীরা আরো জানান তিনি রোগী না দেখে চেম্বার ফেসবুক নিয়ে ব্যস্ত থাকেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একরোগী জানান তিনি বহিরাগত শাওন নামক এক যুবকের সাথে প্রতিনিয়ত খাঁস গল্পে ও অট্রহাসিতে মেতে থাকেন এবং রোগীরা ডাক্তারের সাথে রোগ সম্পর্কে কথা বলতে চাইলে শাওন নামক ঐ বহিরাগত যুবক ক্ষিপ্ত হয়ে রোগীদের অশালীন ভাষায় গালিগালাজ এমনকি মারতে পর্যন্ত উদ্যত। সাধারণ রোগীরা ভয়ে কথা বলতে পারে না। খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে তিনি ডজন খানিক ক্লিনিকে রোগী দেখেন এবং হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী একটু জটিল হলে তাকে ভিজিটিং কার্ড ধরিয়ে দিয়ে ক্লিনিকে যাওয়ার জন্য বলে দেন।

এভাবে চলছে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের নাক, কান, গলা বিভাগের চিকিৎসা সেবার হাল হাকিকাত। এ ব্যাপারে সদর হাসপাতালের আরএমও ডা. কামরুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন বিষয়টি আমি সিভিল সার্জন স্যারকে জানিয়েছি।

সাতক্ষীরার ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. আবুল হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন বিষয়টি আরএমও আমাকে জানিয়েছে। আমি ট্রেনিংয়ে ঢাকায় আছি। সাতক্ষীরা এসে গঠনতন্ত্র মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ডা. মোহসেনা খানম রোগী দেখতে অবহেলা করা, দূর ব্যবহার ও সময়মত চেম্বারের না বসায় ভূক্তভোগীরা স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।