ভয়েস অব সাতক্ষীরায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ


478 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
ভয়েস অব সাতক্ষীরায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
জুলাই ২৬, ২০১৬ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

লাবসা আমির হায়দার ওয়াকফ স্টেটের ২০ জুলাই ২০১৬ তারিখে “ভয়েস অব সাতক্ষীরা” অন লাইন পত্রিকায় জমি দখলের প্রচেষ্টা ও শেখ আব্দুল হাকিমের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ :
————————————————————————————————–

লাবসা আমির হায়দার ওয়াকফ সৃজনকারী (আমির হায়দার) মৃত্যুঅন্তে দুই পুত্র ১) মুন্সি মহিউদ্দীন ২) মুন্সি আবু মোহাম্মদ(মাহমুদা খাতুনের দাদা) তাহাদের পিতার ওয়ারেশ হিসেবে গত ইং- ০৬/০৬/১৯৯২ তারিখে ১৭১৬ নং কোবলা ও ১৭১৭ নং পাট্টা দলিল দ্বারা তাদের ঋণ পরিশোধ সহ অন্যন্য প্রয়োজনে লাবসা মৌজায় সি.এস ৬৯২ ও ৮৭৫ নং খতিয়ানের ৬২৮,৬২৯ ও ৬২৯/৭৬২ দাগের ২.৮১ শতক জমিসহ অন্যান্য জমি বিক্রয় করে চির নিঃস্বত্ব হন। সেকারণে মাহমুদা খাতুন গং এর উক্ত জমিতে কোন প্রকার স্বর্ত বা দাবী অপ্রাসঙ্গিক। উক্ত জমির ক্রেতাগন আব্দুল হক দিং তাদের নামে  উল্লিখিত দুইটি রেজিঃ দলিল দ্বারা সি.এস ও এস.এ রেকর্ড প্রাপ্ত হন। পরবর্তীতে ওয়ারেশগনের নামে দখল মূলে হাল রেকর্ড প্রাপ্ত হয়ে নির্বিঘেœ শত বৎসরের অধিককাল দখল কায়েম রেখে ‘ইরকন’ নামক কোম্পানিকে জায়গাটি দীর্ঘদিন ভাড়া দেওয়ায় জায়গাটি ‘ইরকনের’ মাঠ নামে পরিচিত পায়।
অতঃপর ওয়ারেশসূত্রে উক্ত জমির প্রকৃত ভোগ দখলকারী মালিক মুন্সী আতাউল হক বর্তমান জরিপে তাহার নাম সঠিক ভাবে লিপিবদ্ধ করার পর মৃত্যুবরণ করিলে তাহার স্ত্রী নারগীস আসার হক ওয়ারেশগনের প্রদত্ত আমমোক্তার নামা বলে বিক্রয়ের প্রস্তাব করায় লাবসার বাসিন্দা শেখ আব্দুল হাকিম উল্লেখিত জমিগুলি রেজিষ্ট্রি দলির মূলে প্রাপ্ত হইলে মাহমুদা খাতুন গং হাল জরিপের ৩১ ধারায় মামলা করেও দখল প্রমানদি না থাকায় পরাজিত হয়। মাহমুদা খাতুন পুনরায় তাহার প্র-পিতাসহ (আমির হায়দার) কর্তৃক প্রদত্ত এক তামাদি দলিলের উল্লেখে বাংলাদেশ ওয়াকফ প্রশাসক বরাবর এক অভিযোগ দাখিল করিলে ওয়াকফ প্রশাসক উভয় পক্ষের দলিল/ রেকর্ড পত্রাদি প্রদর্শন ও পরীক্ষা নিরিক্ষার পর ওই উল্লেখিত জমিগুলি ৪২৭০, ১২৪৮ ও ১১২২০ নং লাবসা গ্রামের ৩টি ওয়াকফ স্টেটের কোনটির জমি নয় উল্লেখে রায় প্রদান করেন। অতঃপর মাহমুদা খাতুন আব্দুল হাকিমকে নানাভাবে হয়রানির উদ্দেশ্যে সাতক্ষীরা দেওয়ানি আদালতে ২০/২০০১ নং মামলা ও সি. আর.পি ৮৪৪/১২ নং মামলা করলেও কাগজ প্রমানের অভাবে ও থানা কর্তৃক তদন্তে মামলাটি মিথ্যা প্রমানের পর বিজ্ঞ আদালত মাহমুদা খাতুনের অভিযোগকৃত মামলাগুলি খারিজ করে দেয়। মাহমুদা খাতুনের দায়েরকৃত দেং- ২০/২০০১ নং মামলা খারিজ ডিগ্রী হওয়ায় উক্ত দেং ২০/২০০১ নং মামলার ‘ইস্টার-লকোটরি’ কোন আদেশ অর্থাৎ মিস আপিল ৪৩/০১ নং মহামান্য হাইকোর্টের সিভিল রিভিশন ৩৭২১/০২নং মোকদ্দমায় নিষেধাজ্ঞার আদেশ আর বহাল থাকে না। পত্রিকায় উল্লেখিত শেখ আব্দুল হাকিমের বিরুদ্ধে ৭০/২০০২ সাধারণ ডায়েরী প্রেক্ষিতে থানা কর্তৃক মুচলেকার কথা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন।
সারকথা হলোঃ সি.এস.এস.এ রেকর্ড, নামজারী, জরিপ রেকর্ড, খাজনার দাখিলা ইত্যাদি সবই শেখ আব্দুল হাকিমের পক্ষে থাকায় এবং মাহমুদা খাতুনের কিছু না থাকার পরও দাদার বিক্রিত জমি লোভের বশবর্তী হয়ে নিজেদের দাবী করাতে পরসম্পদ লোভী মাহমুদা খাতুন গং ওয়াকফ্ প্রশাক এর অফিস, সাতক্ষীরা যুগ্ম জেলা জজ আদালত, সাতক্ষীরা চীফ জুডিসিয়াল কোর্ট, সেটেলমেন্ট অফিস ও জেলা জজ আদালতসহ সর্ব আইন আদালতে প্রত্যাখাত হয়ে সর্বশেষ উপায় হিসাবে পত্র-পত্রিকায় ও ইন্টারনেটে শেখ আব্দুল হাকিমকে তার জমি হতে দখলচ্যুত করতে,ক্ষমতাসীন দলের লোকজনকে নিস্ক্রীয় করতে রাজনৈতিক প্রভাব খাটাচ্ছে এমন অপপ্রচােের তীব্র  নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

শেখ আব্দুল হাকিম
লাবসা, সাতক্ষীরা