মন্ত্রিসভায় বঞ্চিত এলাকাকে অগ্রাধিকার : ওবায়দুল কাদের


199 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
মন্ত্রিসভায় বঞ্চিত এলাকাকে অগ্রাধিকার : ওবায়দুল কাদের
জানুয়ারি ৭, ২০১৯ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক ::

যেসব এলাকায় দীর্ঘদিন মন্ত্রী ছিল না নতুন মন্ত্রিসভা গঠনে সেই জেলার এমপিদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবার বঞ্চিত এলাকাগুলোকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

নতুন মন্ত্রিসভার শপথের আগে ও পুরনো মন্ত্রীদের শেষ কর্মদিবসে সোমবার সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি।

সেতুমন্ত্রী বলেন, নতুন মন্ত্রিসভায় যদি কেউ ভালো দক্ষতা দেখাতে না পারেন তাহলে থাকতে পারবেন না। ফলে নতুনরা কতদিন থাকতে পারবেন, তা নির্ভর করছে তাদের কর্মদক্ষতার ওপর। তবে দলের প্রয়োজনেই মন্ত্রিসভা থেকে পুরনো অনেক বড় নেতাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কারণ, দল যখন সরকারে যায় তখন দল নিষ্ফ্ক্রিয় হয়ে যায়। আর সরকারের মধ্যে দল যখন হারিয়ে যায়, তখন দলের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে যায়। বাদ পড়াদের অভিজ্ঞতা দলের কাজে লাগানো হবে। সরকার ও দলের আলাদা আলাদা সত্তা, সেটা যাতে বিকাশের সুযোগ পায় এজন্য এই মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়েছে।

বড় মন্ত্রীদের বাদ পড়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। দুর্নীতি বা ব্যর্থতার কারণে মন্ত্রীরা বাদ পড়েছেন, এটা ঠিক নয়। বিষয়টি দায়িত্বের পরিবর্তন হিসেবে দেখা যায়। তারা এখন দলে মনোনিবেশ করবেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, শেখ হাসিনা দলের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের উপযোগী করেই মন্ত্রিসভা গঠন করেছেন। ইশতেহার বাস্তবায়নে এই মন্ত্রিসভায় অভিজ্ঞ অনেকে আছেন। নতুন মন্ত্রিসভায় নবীন-প্রবীণ সবাই আছেন। তা ছাড়া বর্তমান সরকার দুর্নীতির ক্ষেত্রে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। সুশাসন কায়েমে আরও পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আর নতুন সরকারের কিছু চ্যালেঞ্জ তো থাকবেই। তবে অন্যতম চ্যালেঞ্জ হলো নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন করা।

তিনি বলেন, দলে এখন যে কোনো সময়ের চেয়ে ঐক্য অনেক বেশি দৃঢ় ও শক্তিশালী। নতুন মন্ত্রিসভা নিয়ে আমাদের দলে কোনো অসন্তোষ বা ফাটল ধরার কারণ নেই। শরিক দল থেকে কাউকে সরকারে না রাখার সিদ্ধান্ত কোনো বিরূপ প্রভাব ফেলবে কি-না জানতে চাইলে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, শরিক দল তো সঙ্গে আছে, থাকবে। মন্ত্রী না হলে থাকবে না, সে রকম তো কথা না। মন্ত্রিসভা ভবিষ্যতে আরও সম্প্রসারণ হতে পারে। পাঁচ বছর অনেক সময়। এখন যারা আছেন তারাই স্থায়ী তা মনে করার কারণ নেই। এটা সময়ে সময়ে চাহিদা অনুযায়ী পরিবর্তনও হতে পারে।

এ ছাড়া জাতীয় পার্টি এবার মন্ত্রিসভায় না আসায় সরকার ও বিরোধী দল দু’পক্ষের জন্যই ভালো হয়েছে বলে জানিয়ে তিনি বলেন, স্বয়ং বিরোধী দল থাকা দরকার। আসলে পাঁচমিশালিভাবে থাকার চেয়ে এটাই ভালো। বিরোধী দল বিরোধী ভূমিকা পালন করলেই ভালো। এতে গণতন্ত্র ও সুশাসনের বিকাশ হয়।