মর্ত্যলোক ছেড়ে মা দুর্গার বিদায়ের আয়োজন


356 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
মর্ত্যলোক ছেড়ে মা দুর্গার বিদায়ের আয়োজন
অক্টোবর ১৯, ২০১৮ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক ::

ঢাক-কাঁসরের বাদ্যি-বাজনা, রাত্রি উজ্জ্বল করা আরতি ও পূজা-অর্চনায় কেবলই মা দুর্গার বিদায়ের আয়োজন চলছে এখন।

শুক্রবার শুভ বিজয়া দশমী। সব পূজামণ্ডপের বাতাসেই এখন বিষাদের ছায়া। হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষের ঘরে ঘরে মন খারাপের দিন আজ।

সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পাঁচ দিনের শারদীয় দুর্গোৎসব শেষ হবে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে। মর্ত্যলোক ছেড়ে বিদায় নেবেন মা। অশ্রুসজল চোখে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ বিসর্জন দিচ্ছেন প্রতিমা।

সকালে দশমীবিহিত পূজা সমাপন ও দর্পণ বিসর্জন দেওয়ার কাজ সম্পন্ন হয়। এর পর সারাদেশে স্থানীয় আয়োজন ও সুবিধামতো সময়ে বিজয়ার শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে প্রতিমা বিসর্জন হচ্ছে। সর্বত্র বিসর্জন শেষে ভক্তরা শান্তিজল গ্রহণ করছেন।

বিসর্জনের উদ্দেশ্যে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দির মেলাঙ্গন থেকে কেন্দ্রীয় বিজয়া শোভাযাত্রা বের হবে বিকেল ৪টায়।

এর আগে রাজধানীর ২৩৪টি পূজামণ্ডপের অধিকাংশই এসে জমা হচ্ছেন পলাশীর মোড়ে। সেখান থেকে সম্মিলিত বাদ্যি-বাজনা, মন্ত্রোচ্চারণ ও পূজা-অর্চনার মধ্য দিয়ে শুরু হবে বিজয়ার শোভাযাত্রা। এর পর সদরঘাটের ওয়াইজঘাটের বুড়িগঙ্গা নদীর জলে একে একে বিসর্জন দেওয়া হবে প্রতিমা।

বিজয়া দশমী উপলক্ষে শুক্রবার সরকারি ছুটি। বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতারসহ টেলিভিশনগুলো বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করছে। সংবাদপত্রগুলো প্রকাশ করেছে বিশেষ সংখ্যা ও নিবন্ধ।

মণ্ডপে মণ্ডপে রয়েছে পুষ্পাঞ্জলি, প্রসাদ বিতরণ, ভোগ-আরতিসহ ধর্মীয় অনুষ্ঠানমালা। এ ছাড়া দেশজুড়ে দুর্গোৎসব চলাকালে আলোকসজ্জা, আরতি প্রতিযোগিতা, স্বেচ্ছায় রক্তদান, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের প্রতি শুভ বিজয়ার শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে পৃথক বিবৃতি দিয়েছেন।