মানবাধিকারকর্মীর রক্ষাকবচ : প্রেক্ষিত বাংলাদেশ


523 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
মানবাধিকারকর্মীর রক্ষাকবচ : প্রেক্ষিত বাংলাদেশ
ডিসেম্বর ৮, ২০১৮ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

 

: এ এ এম মুনীর চৌধুরী, আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী :
———————————————————–

মানুষ সৃষ্টির সেরা। সর্বজনীনভাবে স্বীকৃত যে, জন্মগতভাবে প্রত্যেক মানুষ যে অধিকারগুলি অর্জন করে সেটাই মানবাধিকার। জন্মসূত্রে অর্জিত অবিচ্ছেদ্য অধিকারগুলি ভোগ করতে মানুষ নিয়ত হকদার। মানুষের মুক্তি, স্বাধীনতা তথা মৌলিক মানবাধিকার উপভোগে কোনরুপ বিচ্যুতি বা হস্তক্ষেপ মানবিক মর্যাদার প্রতি আঘাত ও অবমাননাকর।
বিংশ শতাব্দীতে ঘটে যাওয়া দুটি বিশ্বযুদ্ধের বিভীষিকাময় পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে ধবংসোন্মুখ মানবজাতিকে সুরক্ষা দেবার প্রয়োজনে বিভিন্ন জাতিসত্ত্বার কতিপয় মহৎপ্রাণ মানুষের উদ্দ্যোগে ১৯৪৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকোতে জাতিসংঘ সনদ প্রণীত ও গৃহীত হয়। এর মুখ্য উদ্দেশ্য হচ্ছে-মানুষে মানুষে বৈরিতা ও বৈষম্যের চির অবসান, মানবস্বত্ত্বা ও মর্যাদার প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং সহিষ্ণুতা, নিরাপত্তা ও শান্তির বাতাবরণে বৃহত্তর আঙ্গিকে মানবজাতির সামাজিক বিকাশ ও উন্নয়ন সাধন।
জাতিসংঘ সনদের ভিত্তিতে মানব পরিবাবের প্রত্যেক সদস্যের জন্য সম-মর্যাদা ও অবিচ্ছেদ্য অধিকার সমূহের স্বীকৃতি বিশ্বসমাজে স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার ও শান্তির ভিত্তি। কোন মানুষের অধিকারের প্রতি অবজ্ঞা ও ঘৃণা মানবজাতির জন্য অপমানজনক। মানুষে মানুষে সমমর্যাদাবোধ, ভ্রাতৃত্ব ও সার্বজনীন মুক্তির প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে মানুষের মৌলিক স্বাধীনতা অক্ষুন্ন রাখার অঙ্গীকার নিয়ে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রসমূহ ১৯৪৮ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা (Universal Declaration of Human Rights, UDHR) গ্রহণ ও অনুমোদন করে। ৩০ টি অনুচ্ছেদ সম্বলিত এই ঘোষণাটি মানবজাতির মুক্তির সনদ হিসেবে বিশ্বের রাষ্ট্রসমূহ কর্তৃক স্বীকৃত। জাতিসংঘের প্রত্যেক সদস্য রাষ্ট্র সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণাপত্র বা UDHR এর মর্মবাণীর ভিত্তিতে নিজ নিজ রাষ্ট্রের সংবিধান রচনা ও শাসন ব্যবস্থা পরিচালনা করতে অঙ্গীকারাবদ্ধ। UDHR এর মতো মহিমান্বিত দলিলটি থাকার পরও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নাগরিক তাদের মানবাধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতা উপভোগে ন্যায্য অধিকার বঞ্চিত হলে আন্তর্জাতিক সেবা সংস্থাসমূহ মানবাধিকার উন্নয়নে উচ্চকিত হয়। দেশে দেশে মানবাধিকার আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সহায়তা বা International Service For Human Rights (ISHR) কে প্রণোদিত করে।
পাশাপাশি সব মানুষের মানবাধিকার এবং মৌলিক স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা ও সুরক্ষার সংগ্রামে নিবেদিত ব্যক্তি, গোষ্ঠি এবং সংগঠনের অধিকার ও দায়িত্বকে স্বীকৃতি দিয়ে ১৯৯৮ সালের ৯ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এ সংক্রান্ত একটি ঘোষনা জারি করে। এই ঘোষণাটিকে এইচআরডি ডিক্লারেশন বলা হয়। মানবাধিকার আন্দোলনের ইতিহাসে এইচআরডি ডিক্লারেশন একটি খধহফসধৎশ উবপষধৎধঃরড়হ হিসেবে খ্যাত। মানবাধিকার অর্জন ও সংরক্ষণ এর জন্য রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ ও বিভিন্ন সংস্থার সাথে লবি, অ্যাডভোকেসি ও নেগোসিয়েশন করে মানবাধিকার বাস্তবায়নের পথ সুগম ও মসৃন করতে এইচআরডি ডিক্লারেশন একটি কার্যকরি ইন্সট্রুমেন্ট। ২০ (বিশ)টি অনুচ্ছেদের এই দলিলটি মানবাধিকার রক্ষাকর্মীদের জন্য একটি রক্ষাকবচ।

এইচআরডি ডিক্লারেশন মানবাধিকার রক্ষাকর্মীদের জন্য যে অধিকারগুলির নিশ্চয়তা দিয়েছে সেগুলির লক্ষ্যনীয় প্রধান প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে-

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মানবাধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা ও সুরক্ষার সংগ্রামে নিবেদিত থাকার অধিকার প্রত্যেক ব্যক্তি ও ব্যক্তিসমষ্টির রয়েছে।
মানবাধিকার এবং মৌলিক স্বাধীনতার উন্নয়ন ও সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে কোন বেসরকারি সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান গঠন করা, যোগদান করা এবং অংশগ্রহণ করার অধিকার এবং বেসরকারি ও আন্তঃসরকারি প্রতিষ্ঠানসমুহের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করার অধিকার।
মানবাধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতা সম্পর্কে আন্তর্জাতিক দলিলপত্র অনুসারে রাষ্ট্রীয় আইন, বিচার এবং শাসন ব্যবস্থার সমন্বয়ে কোন তথ্য জানার অধিকার, অনুসন্ধান, প্রতিবেদন প্রস্তুত করা এবং তা প্রকাশ ও প্রচার এবং মন্তব্য করার অধিকার মানবাধিকার রক্ষাকর্মী তথা প্রত্যেকের রয়েছে।
ব্যক্তিগত বা সমষ্টিগত ভাবে প্রতেকেরই মানবাধিকার সম্পর্কে নতুন ধারণা বা আইডিয়া প্রদান করার পাশাপাশি এই ধারনা বা আইডিয়া বাস্তবায়নের জন্য চেষ্টা করার অধিকার আছে।
কোন সরকারি কর্মকর্তার বা সংস্থার গৃহীত কোন কার্যক্রমের দরুন মানবাধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতা ক্ষুন্ন হচ্ছে এরকম বিষয়ে কোন রাষ্ট্রের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ দায়ের এবং যথাসম্ভব শীঘ্র প্রতিকার পাওয়ার অধিকার।
মানবাধিকার লংঘিত হয়েছে এমন ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তিকে মানবাধিকার রক্ষায় পরামর্শ প্রদান, বিচারিক প্রক্রিয়ায় তার পক্ষাবলম্বন এবং তাহার পক্ষে শুনানীতে অংশ গ্রহণ করার অধিকার।
সরকার বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের আরোপিত কোন কার্যক্রমের দরুন মানবাধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতা লংঘিত হলে তার বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত বা সমষ্টিগতভাবে জাতীয় আইনের মধ্যে থেকে শান্তিপূর্ণ উপায়ে প্রতিবাদ করার ও প্রতিকার চাওয়ার অধিকার।
যদি কোন ব্যক্তি বা ব্যক্তিসমষ্টি বা মানবাধিকার রক্ষাকর্মী সংঘাত, হুমকি, প্রতিহিংসামূলক কার্য, কোন বৈষম্য অথবা অন্য কোনপ্রকার স্বেচ্ছাচারিতার শিকার হয় তবে রাষ্ট্র এইচআরডি ঘোষণা অনুযায়ী তার/তাদের নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
মানবাধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতা সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও বাস্তবায়নে মানবাধিকার রক্ষাকর্মী ও সংস্থার পক্ষে কোন ব্যক্তি, সাহায্যসংস্থা রাষ্ট্র এমনকি জাতিসংঘের নিকট অর্থ চাওয়ার, গ্রহণ করার ও ব্যয় করার অধিকার

বাংলাদেশ জাতিসংঘের একটি সদস্যরাষ্ট্র। প্রায় ১৬ কোটি মানুষের একটি জনবহুল দেশ। ১৯৭১ খৃষ্টাব্দের ২৬ মার্চ বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের অনুসরনে ১৯৭২ সালে দেশের সংবিধান রচিত হয়। সংবিধানের ভিত্তিতে বাংলাদেশ রাষ্ট্র পরিচালিত হয়ে আসছে। সংবিধানের প্রস্তাবনাতে রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য হিসেবে সকল নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়েছে। রাষ্ট্র পরিচালনার অন্যতম মূলনীতি হিসেবে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারকে প্রধান্য দেয়া হয়েছে। সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১তে বলা হয়েছে, “প্রজাতন্ত্র হইবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকিবে, মানবসত্ত্বার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হইবে এবং প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হইবে।”

বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগে মানবাধিকারের গ্যারান্টি স্বরুপ নাগরিকদের মৌলিক অধিকারসমূহ সুরক্ষিত ও নিশ্চিত করা হয়েছে। নাগরিক সাধারণ উক্ত মৌলিক মানবাধিকার সমূহ উপভোগের ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষের দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হলে ঐ সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি রীট আবেদনের মাধ্যমে হাইকোর্ট বিভাগের আশ্রয় নিতে পারেন। সংবিধান দ্বারা সুরক্ষিত মৌলিক মানবাধিকার ছাড়াও অন্যান্য বাস্তবায়নযোগ্য আরও অনেক মানবাধিকার প্রসংগ রয়েছে যেগুলি সাংবিধানিক আইন দ্বারা বলবৎযোগ্য নয়। যেমন-অন্ন, বস্ত্র ও আশ্রয়ের অভাবে নাগরিকদের মানবেতর জীবন ইত্যাদি। বাংলাদেশ সংবিধানে মৌলিক অধিকারের সাথে অসামঞ্জস্য আইন প্রচলিত থাকুক বা প্রবর্তিত হোক সেরুপ বিধান বাতিল বলে ঘোষনা করা হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ সংবিধান ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী এই রাষ্ট্রে নাগরিকদের মানবাধিকার সংরক্ষণ ও উপভোগের ক্ষেত্রে আইনি ভিত্তি বেশ মজবুত। আরও স্বস্তির বিষয় এই যে, বাংলাদেশ সংবিধানে মানবাধিকার সংরক্ষণ ও নিশ্চিতকরণের উদ্দেশ্যে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে এবং এই সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানটি কার্যকর রয়েছে।
স্বাধীনতার পর ৪৭ বছরে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির ইতিহাস উদ্বেগজনক। ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে বাঙ্গালি স্মরণকালের সবচেয়ে দুঃখজনক মানবাধিকার লংঘনের শিকার। বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী, তাদের মিত্র ও দেশীয় স্বাধীনতা বিরোধীরা গণহত্যা, গণধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট, নিপীড়ন-নির্যাতন করে ব্যাপকভাবে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটন করে। স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রক্ষমতা দখলে খুনোখুনি, রক্তপাত ও সামরিক শাসন জারি, স্বৈরাচারী শাসন, একদলীয় শাসন, অকার্যকর সংসদ ইত্যাদি নানা কারণে রাষ্ট্রে আইনের শাসন বাস্তবায়নের পথ বার বার বাধাগ্রস্থ হয়েছে।
স্বপরিবারে জাতির পিতা হত্যাকান্ডের বিচার নিঃষ্পন্ন হওয়া ও মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতা বিরোধী অপরাধ সংঘটনকারীদের চলমান বিচার প্রক্রিয়ায় দেশে মানবাধিকার সংরক্ষণের ক্ষেত্রে মানুষের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। পাশাপাশি দারিদ্রতা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, অশিক্ষা-অসচেতনতা, বাল্যবিবাহ কুসংস্কার ইত্যাদি মানবাধিকার অর্জনের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা স্বরূপ। সামাজিক জীবনে নরহত্যা, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, যৌন নিপিড়ন, মানবপাচার, অপহরন, গুম ইত্যাদি অপরাধ এবং ধনিক শ্রেণী ও পেশীশক্তির প্রতি রাষ্ট্রের দুর্বলতা এবং রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি কর্তৃক ক্রসফায়ার/এনকাউন্টার, বিনাবিচারে আটক ইত্যাদি নানা ক্ষেত্রে মানবাধিকার লংঘন বিষয়ক ঘটনাবলিতে দেশের বিদ্যমান মানবাধিকার পরিস্থিতি জন্য মানবাধিকার রক্ষাকর্মী এবং বিভিন্ন দেশিয় ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা উদ্বেগপ্রকাশ করে আসছে।
এ অবস্থায় বাংলাদেশে মানবাধিকার সংরক্ষণ ও উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি নানা সংস্থা কাজ করছে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন ২০০৯ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত কমিশন মানবাধিকার সংরক্ষন, উন্নয়ন ও নিশ্চিতকরনে এখনও প্রত্যাশিত ভুমিকা পালন করতে না পারায় বহুদিন ধরে কোটি কোটি মানুষের মানবাধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতা মনিটরিং ও সুরক্ষার কাজে বেসরকারি মানবাধিকার সংস্থাসমুহ, ব্যক্তি মানবাধিকার রক্ষাকর্মী, সমাজকর্মী, উন্নয়নকর্মীসহ সুশিলসমাজের সমন্বিত কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। উল্লেখিত আইনের ১২(১)(ট)(ন) ধারাগুলিতে মানবাধিকার বিষয়ে কর্মরত বেসরকারি সংস্থা, প্রতিষ্ঠান ও সুশিল সমাজকে পরামর্শ ও উৎসাহ প্রদান এবং তাদের কার্যক্রম সমন্বয় করতে কমিশনকে দায়িত্ব প্রদান করা হলেও এর কোন বাধ্যবাধকতা নেই। মানবাধিকার বাস্তবায়নে বেসরকারি উদ্যোগের প্রতি রাষ্ট্রীয় আইনে স্বীকৃতি ও নির্দেশনা থাকাটাই যথেষ্ট নয়। মানবাধিকার কর্মীদের কাজে আন্তর্জাতিক আইন তথা এইচআরডি ডিক্লারেশনের আলোকে মানবাধিকারকর্মীদের জন্য সুরক্ষা দেয়ার মতো একটি কার্যকর মানবাধিকার রক্ষাকারী আইন প্রণয়ন করে মৌলিক স্বাধীনতা ও মানবাধিকারকে সুরক্ষা দেয়া রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য।

সহায়ক গ্রন্থঃ
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল প্রকাশিত ‘ম্যানুয়াল অন হিউম্যান রাইটস ল’ বাই তুহিন মালিক।
জাতিসংঘের এইচআরডি ডিক্লারেশন ১৯৯৮।

বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডারস ফোরাম (বিএইচআরডিএফ)-এর বার্ষিক সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ হিসেবে উপস্থাপিত।