মালয়েশিয়ায় কাঁদছে বাংলাদেশিরা !


263 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
মালয়েশিয়ায় কাঁদছে বাংলাদেশিরা !
আগস্ট ১৪, ২০১৮ প্রবাস ভাবনা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

*মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীদের বৈধতার আশ্বাস দিয়ে ১.৮ মিলিয়ন হাতিয়ে নিয়েছে এজেন্ট
শেখ সেকেন্দার আলী,মালয়েশিয়া ::
প্রতারণার আরেক নাম মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। হয় বাংলাদেশী নাগরিক না হয় মালয়েশিয়ার নাগরিক দ্বারা একের পর এক প্রতারিত হয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে ফিরছে বাংলাদেশি প্রবাসীরা । প্রতারণা যেন পিছুু ছাড়ছেনা হতভাগ্য বাংলাদেশীদের । এদিকে প্রতারণা অন্য দিকে হুমকির মুখে পালিয়ে বেড়াচ্ছে অভিযোগকারী বাংলাদেশি মোহাম্মদ আলমগীর । গত ১২ আগষ্ট মালয়েশিয়ায় সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ প্রকাশ করেন বাংলাদেশিরা । মোহাম্মদ আলমগীর সংবাদ সম্মেলনে জানান , জন প্রতি মালায় রিংগিত ৭২০০ থেকে ৮০০০ পর্যন্ত অর্থ আদায় করলেও মালয়েশিয়ায় বৈধতা না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে ২৭০ জন শ্রমিক । ২৭০ শ্রমিকদের কাছ থেকে মালায় রিংগিত ১.৮মিলিয়ন রিংগিত অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে মালয়েশিয়ান এজেন্ট । আলমগীর আরো জানান, বর্তমান অভিবাসন বিভাগের বেঁধে দেওয়া সময় ৩০ই আগস্টের মধ্যে অবৈধ শ্রমিকদের মালয়েশিয়া থেকে চলে যাওয়ার যে সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয়েছে তা বারংবার এজেন্টকে বললেও সে কোন কর্ণপাাত না করে আমাদের আরো হুমকি দিয়ে বলে তোরা চলে যা । এমত অবস্থায় জানিনা কি করবো । এ ব্যাপারে আলমগীর বাংলাদেশ সরকারের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ।এদিকে, যেখানে সেখানে গড়ে ওঠা কিছু দালাল অফিস ট্রাভেল পারমিট করে দেয়ার নাম করে শ্রমিকদের হাজার হাজার রিঙ্গিত হাতিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে করে ট্রাভেল পাস পেতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন শ্রমিকরা।বৈধ কাগজপত্র ছাড়া মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত শ্রমিকদের চলতি মাসের ৩১ তারিখের মধ্যেই স্বদেশে ফিরে যেতে হবে। এই সময়ের পর বিধি লঙ্ঘনকারী কেউ গ্রেফতার হলে তার সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার রিঙ্গিত জরিমানাসহ পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। এরপর বৈধ কাগজপত্র ছাড়া অবৈধ অভিবাসীদের চিরুনি অভিযানের মুখে পড়তে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ।( ৩+১ ) মালয়েশিয়ায় এই প্রকল্পটি হলো স্বেচ্ছায় আইনের হাতে সমর্পণের ব্যবস্থা। বৈধ কাগজপত্র ছাড়া মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত শ্রমিকদের ২০১৮ সালের ৩১ আগস্টের মধ্যে দেশে ফিরে যেতে হবে। প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী, স্বদেশে ফিরে যাওয়ার জন্যে যারা নিবন্ধন করবেন, তাদের সঙ্গে পরবর্তী ৭ দিনের মধ্যে ফিরে যাওয়ার বিমান টিকেট থাকতে হবে।