মালয়েশিয়ায় পবিত্র ঈদউল আযহা পালিত


99 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
মালয়েশিয়ায় পবিত্র ঈদউল আযহা পালিত
আগস্ট ১১, ২০১৯ প্রবাস ভাবনা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

শেখ সেকেন্দার আলী, মালয়েশিয়া প্রতিনিধি :

ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভির্যের মধ্য দিয়ে মালয়েশিয়ায় পালিত হলো ঈদ-উল আযহা। স্থানীয় মালায়দের পাশাপাশি বাংলাদেশিরা বিভিন্ন মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করেন। আল্লাহু আকবর আল্লাহু আকবর লা’ ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবর আল্লাহু আকবর ওয়াল্লিাহীল হামদ ধ্বনিতে মূখরিত হয়ে উঠে মসজিদ প্রাঙ্গন। নতুন পোশাকে মসজিদ নেগারার দিকে আসছে মানুষ।সবাই যে মালয়েশিয়ার নাগরিক তাওনা,রয়েছেন ফিলিস্তিন,ইরাক,আফগানিস্থান,সিরিয়া,ভারত,ইন্দোনেশিয়াসহ নানান দেশের নানান জাতের মানুষ আছেন সেই দলে। আছেন অনেক বাংলাদেশিও। বিদেশে থাকলেও তাঁদের মন পড়ে রয়েছে বাংলাদেশে। তাঁদের কাছে ঈদ মানে বিদেশে বসে দেশের স্মৃতিচারণা।
রোববার মালয়েশিয়ার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে আটটায় রাজধানী কুয়ালালামপুরে জাতীয় মসজিদ (নেগারায়) সবচেয়ে বড় জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। মসজিদ নেগারায় নামাজে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী ডা: তুন মাহাথির মোহাম্মদ।
নামাজ শুরুর আগে বয়ান পেশ করেন খতিব তানশ্রী শাইখ ইসমাইল মোহাম্মদ। নামাজের আগে কুরবানীর তাৎপর্য নিয়ে খতিব তার বয়ানে বলেন, কুরবানি হলো আলল্লাহ তা’আলার জন্য ত্যাগ-তিতিক্ষা প্রদর্শনের অন্যতম ইবাদত। যা যুগে যুগে সব নবি-রাসুলের জন্যই বিধিবদ্ধ ছিল। আর বর্তমান কুরবানি আমাদের জন্য হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালাম কর্তৃক পালনীয় ঐতিহাসিক আদর্শ ইবাদত। কুরবানী দেয়ার কিছু মাস-আলা ও মাসায়েল নামায আদায়কারিদের সামনে তুলে ধরেন।
ঈদ উৎসবকে সত্যিকার পরম করুনাময়ের কাছে গৃহীত করতে চাইলে সবধরনের কৃত্রিমতা ও লৌকিকতার মুখোশ ঝেরে ফেলে অনাবিল আনন্দেমেতে ওঠার আহবান জানায় ঈদ। আল্লাহ এবং তার রাসুল (সা:) এর আদর্শের সীমানা ডিঙ্গিয়ে যাতে এর কোন অমর্যাদা না হয় সেদিকে আমাদের সতর্ক থাকা প্রয়োজন ।
নামাজ শেষে মুসলিম উম্মার শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাতের পর মুসল্লিরা পরস্পরের সঙ্গে কোলাকুলি করেন। এ সময় মুসল্লিরা তাদের শিশুদের নিয়ে আসেন ঈদ জামাতে। শিশুরাও পরস্পরের সঙ্গে কোলাকুলি ও ঈদ সেলফিতে মেতে উঠেন।
মালয়েশিয়ার বিভিন্ন শহরে ঈদ-উল আযহা উদযাপন করেছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। হাংতোয়া মসজিদ আল বোখারি, মসজিদ জামেক, তিতিওয়াংসা বায়তুল মোকাররাম, কোতারায়া বাংলা মসজিদ, ছুবাংজায়া বাংলা মসজিদ, ক্লাং, পেনাং, ছুঙ্গাই ভুলু, সেলায়ং পাছার পুচং, মালাক্কা, জহোরভারুতেও ঈদের নামাজ আদায় করেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।
নামাজ শেষে একে অপরকে জড়িয়ে কুলাকলি সহ ঈদের ছুটিতে যার যার পরিচিতদের বাসায় যাওয়ার দাওয়াত দেয়।