মালয়েশিয়ায় মেগা থ্রির অভিযানে বাংলাদেশীসহ গ্রেফতার ২৮ হাজার


324 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
মালয়েশিয়ায় মেগা থ্রির অভিযানে বাংলাদেশীসহ গ্রেফতার ২৮ হাজার
আগস্ট ২৫, ২০১৮ প্রবাস ভাবনা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

 

শেখ সেকেন্দার আলী, মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়া জুড়ে চলমান অবৈধ অভিবাসী বিরোধী অভিযানে ৮ মাসে বাংলাদেশীসহ গ্রেফতার করা হয়েছে ২৮,৬৬৯ জন কে। কতজন বাংলাদেশী আছে তা সঠিক জানা না গেলেও আনুমানিক ৫ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি গ্রেপ্তার করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।এসময় অবৈধ শ্রমিক রাখার অপরাধে গ্রেফতার করা হয়েছে ৮৬৬ জন মালিকদের।২৫ই আগষ্ট নেগরি সেমবিলানের কোরবানির অনুষ্ঠান অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতু সেরি মোস্তফার আলী সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান। তিনি আরও বলেন ৩১ আগস্ট থেকে মালয়েশিয়া জুড়ে একযোগে অবৈধ অভিবাসী বিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হবে।

বৈধ কাগজপত্র ছাড়া মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত শ্রমিকদের চলতি মাসের ৩০ তারিখের মধ্যেই স্বদেশে ফিরে যেতে হবে। এই সময়ের পর বিধি লঙ্ঘনকারী কেউ গ্রেফতার হলে তার সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার রিঙ্গিত জরিমানাসহ পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। এরপর বৈধ কাগজপত্র ছাড়া অবৈধ অভিবাসীদের চিরুনি অভিযানের মুখে পড়তে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ।( ৩+১ ) মালয়েশিয়ায় এই প্রকল্পটি হলো স্বেচ্ছায় আইনের হাতে সমর্পণের ব্যবস্থা।বৈধ কাগজপত্র ছাড়া মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত শ্রমিকদের ২০১৮ সালের ৩০ আগস্টের মধ্যে দেশে ফিরে যেতে হবে। প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী, স্বদেশে ফিরে যাওয়ার জন্যে যারা নিবন্ধন করবেন, তাদের সঙ্গে পরবর্তী ৭ দিনের মধ্যে ফিরে যাওয়ার বিমান টিকেট থাকতে হবে।

নিবন্ধনের সময় আবেদনকারীদের পাসপোর্টে সর্বোচ্চ ৫ বছরের নিষেধাজ্ঞা থাকতে পারে। আবেদনকারীরা এই সময় কোনো রকম হয়রানি ছাড়া নিজ দেশে ফিরে যেতে পারবেন। এ সময় কেউ কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করলে জরিমানা বাবদ ৩০০ রিঙ্গিত এবং ট্রাভেল ফি হিসেবে ১০০ রিঙ্গিত দিতে হবে।

এই অবস্থায় মালয়েশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে অবৈধ শ্রমিকরা ট্রাভেল পাস নিতে হাজির হচ্ছেন বাংলাদেশ হাইকমিশনে। এদের মধ্যে অনেকেই ট্রাভেল সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয়ে পুলিশি গ্রেফতার মাথায় নিয়ে কর্মস্থলে ফিরে যাচ্ছেন। এই প্রকল্পের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তাড়াতাড়ি দেশে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ হাইকমিশনের শ্রম কাউন্সিলর মো. সাইদুল ইসলাম।

এদিকে, যেখানে সেখানে গড়ে ওঠা কিছু দালাল অফিস ট্রাভেল পারমিট করে দেয়ার নাম করে শ্রমিকদের হাজার হাজার রিঙ্গিত হাতিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে করে ট্রাভেল পাস পেতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন শ্রমিকরা।বৈধ কাগজপত্র ছাড়া মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত শ্রমিকদের চলতি মাসের ৩০ তারিখের মধ্যেই স্বদেশে ফিরে যেতে হবে। এই সময়ের পর বিধি লঙ্ঘনকারী কেউ গ্রেফতার হলে তার সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার রিঙ্গিত জরিমানাসহ পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। এরপর বৈধ কাগজপত্র ছাড়া অবৈধ অভিবাসীদের চিরুনি অভিযানের মুখে পড়তে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ।

( ৩+১ ) মালয়েশিয়ায় এই প্রকল্পটি হলো স্বেচ্ছায় আইনের হাতে সমর্পণের ব্যবস্থা। বৈধ কাগজপত্র ছাড়া মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত শ্রমিকদের ২০১৮ সালের ৩০ আগস্টের মধ্যে দেশে ফিরে যেতে হবে। প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী, স্বদেশে ফিরে যাওয়ার জন্যে যারা নিবন্ধন করবেন, তাদের সঙ্গে পরবর্তী ৭ দিনের মধ্যে ফিরে যাওয়ার বিমান টিকেট থাকতে হবে।

নিবন্ধনের সময় আবেদনকারীদের পাসপোর্টে সর্বোচ্চ ৫ বছরের নিষেধাজ্ঞা থাকতে পারে। আবেদনকারীরা এই সময় কোনো রকম হয়রানি ছাড়া নিজ দেশে ফিরে যেতে পারবেন। এ সময় কেউ কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করলে জরিমানা বাবদ ৩০০ রিঙ্গিত এবং ট্রাভেল ফি হিসেবে ১০০ রিঙ্গিত দিতে হবে।

এই অবস্থায় মালয়েশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে অবৈধ শ্রমিকরা ট্রাভেল পাস নিতে হাজির হচ্ছেন বাংলাদেশ হাইকমিশনে। এদের মধ্যে অনেকেই ট্রাভেল সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয়ে পুলিশি গ্রেফতার মাথায় নিয়ে কর্মস্থলে ফিরে যাচ্ছেন। এই প্রকল্পের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তাড়াতাড়ি দেশে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ হাইকমিশনের শ্রম কাউন্সিলর মো. সাইদুল ইসলাম।এদিকে, যেখানে সেখানে গড়ে ওঠা কিছু দালাল অফিস ট্রাভেল পারমিট করে দেয়ার নাম করে শ্রমিকদের হাজার হাজার রিঙ্গিত হাতিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে করে ট্রাভেল পাস পেতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন শ্রমিকরা।