মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী ঢাকায়


304 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী ঢাকায়
নভেম্বর ১৫, ২০১৬ প্রবাস ভাবনা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক :
মালয়েশিয়ার মানব সম্পদমন্ত্রী রিচার্ড রায়ট আনাক জায়েমের নেতৃত্বে ৯ সদস্যবিশিষ্ট একটি প্রতিনিধি দল দুইদিনের সফরে ঢাকায় এসেছেন।

মঙ্গলবার সকালে তারা ঢাকায় আসেন। প্রতিনিধি দলটি দুপুর হোটেল লা মেরিডিয়ানে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী নূরুল ইসলাম বিএসসির সঙ্গে বৈঠক করবে। বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেয়ার প্রক্রিয়া নির্ধারণের লক্ষ্যে এই প্রতিনিধি দলের সফর বলে জানা গেছে।

চলতি বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি সরকারি-বেসরকারি যৌথ ব্যবস্থাপনায় (জিটুজি প্লাস পদ্ধতিতে) কর্মী পাঠানোর বিষয়ে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া সরকার সমঝোতা স্মারকে সই করে। এ ‘সুখবরটি’ বাংলাদেশের গণমাধ্যমে ফলাও করে ছাপা হয়। ১৫ লাখ কর্মী নিতে সমঝোতা স্মারক সইয়ের একদিন পরই (১৯ ফেব্রুয়ারি) দেশটি ঘোষণা দেয়, বাংলাদেশিসহ কোনো বিদেশি কর্মীই তারা আপাতত নেবে না। তারপর কেটে গেছে ১০ মাস। বর্তমানে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ থেকে সীমিত সংখ্যক কর্মী যাচ্ছেন। তবে সমঝোতা স্মারকের আওতায় কোনও কর্মী যাচ্ছেন না। মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুললে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশীর দেশটিতে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, আজকের বৈঠকের পরই এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।

২০০৯ সালে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেওয়া বন্ধ করে দেয় মালয়েশিয়া। সরকারিভাবে কর্মী পাঠাতে ২০১২ সালের ২৬ নভেম্বর দেশটির সঙ্গে জিটুজি চুক্তি করে বাংলাদেশ। জনপ্রতি ৩৩ হাজার ৫০০ টাকা ব্যয়ে বৃক্ষরোপণ খাতে পাঁচ বছরে পাঁচ লাখ কর্মী যাওয়ার কথা ছিল। প্রায় সাড়ে ১৪ লাখ কর্মী নিবন্ধন করেন। কিন্তু তিন বছরে এ পদ্ধতিতে মাত্র ৯ হাজার কর্মী মালয়েশিয়া যান। জিটুজির ব্যর্থতায় গত বছরের জুনে ঘোষণা করা হয় বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় (বিটুবি) কর্মী পাঠানো হবে। দুই মাস পর ঘোষণা আসে, সরকারি নিয়ন্ত্রণে বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্সি কর্মী পাঠাবে।

বাংলাদেশ থেকে দুই দফায় ৯৫৭টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের তালিকা মালয়েশিয়াকে দেয়া হয়েছে। এসব রিক্রুটিং এজেন্সিকে কী পদ্ধতিতে রিক্রুটিংয়ের দায়িত্ব দেবে সেটা আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারণ করা হতে পারে।