মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন


120 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন
ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২০ প্রবাস ভাবনা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

শেখ সেকেন্দার আলী,মালয়েশিয়া ::

মালয়েশিয়ায় বিনম্র শ্রদ্ধা, যথাযথ মর্যাদা ও পূর্ণ ভাবগাম্ভীর্য পরিবেশে অমর একুশে ফেব্রুয়ারির ভাষা শহীদদের স্মরণের মাধ্যমে ‘মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ পালন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও অর্ধনমিতকরণ করেন হাইকমিশনার মহ. শহীদুল ইসলাম। শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৮টায় হাইকমিশন চত্বরে নির্মিত অস্থায়ী শহীদ মিনারে বাংলাদেশ হাইকমিশন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও প্রবাসী সংগঠন পুষ্পাঞ্জলি অর্পণের মধ্য দিয়ে ভাষা শহীদদের স্মরণে নীরবতা পালন এবং দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি ও শান্তি কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদের বাণী পাঠ করেন বাংলাদেশ হাইকমিশনের ডিফেন্স অ্যাডভাইজার কমডোর মুসতাক আহমেদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাণী পাঠ করেন ডেপুটি হাইকমিশনার ও দূতালয় প্রধান ওয়াহিদা আহমেদ। পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন এমপির বাণী পাঠ করেন কাউন্সেলর (শ্রম) মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম এমপির বাণী পাঠ করেন কাউন্সেলর (পাসপোর্ট ও ভিসা) মো. মশিউর রহমান তালুকদার এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এমপির বাণী পাঠ করেন কাউন্সিলর (কমার্সিয়াল) মো. রাজিবুল আহসান।হাইকমিশনার বলেন, মাতৃভাষা প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম ও জীবন দেওয়ার ইতিহাস একমাত্র গর্বিত বাঙালি জাতিরই আছে। এই ভাষা সংগ্রামের অর্জনেই লুকিয়ে ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা যা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাঙালি অর্জন করে।তিনি বলেন, হাজার বছরের পরাধীনতার শৃঙ্খল ছিন্ন করে এসেছে অমৃত স্বাধীনতা। একুশ বাঙালির চেতনার প্রতীক। মহান ভাষা শহীদদের স্মরণে সারা দেশে অগণিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এবং বিদেশে যেখানে বাঙালি আছে সেখানেই গড়ে উঠেছে আমাদের অহঙ্কারের প্রতীক শহীদ মিনার। একুশে তাই আত্মত্যাগের অহঙ্কারে ভাস্বর মহান একটি দিন। জেগে উঠার প্রেরণা। দেশমাতৃকার প্রয়োজনে আত্মোৎসর্গ করার শপথ গ্রহণের দিন আজ।বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের ভাষা সংগ্রামের রক্তাক্ত অধ্যায় একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।তারই নেতৃত্বে ইতিহাস আর ঐতিহ্যকে সমুন্নত রেখে বাংলাদেশের উন্নয়নের অগ্রগতি আজ দৃশ্যমান। তিনি দেশের উন্নয়নে প্রবাসীদের অবদানের কথা কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন। অনুষ্ঠানে হাইকমিশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পরিবার ছাড়াও মালয়েশিয়াস্থ প্রবাসী বাংলাদেশি ও বিভিন্ন সংগঠন অংশগ্রহণ করেন।