মাহমুদুল্লাহদের হেসেখেলেই হারাল ভারত


212 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
মাহমুদুল্লাহদের হেসেখেলেই হারাল ভারত
নভেম্বর ৭, ২০১৯ খেলা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক ::

ঘূর্ণিঝড় ‘মহা’ দিক পরিবর্তন করে ভারতের পশ্চিম দিকে চলে গেছে। গুজরাটে তাই আঘাত হানেনি। তবে রাজকোটের সৌরাষ্ট্র ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আঘাত হেনেছিল এক ‘মহা’। সেই ঝড়ে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ। দিল্লিতে বাংলাদেশের কাছে হারায় ভেতরে ভেতরে জ্বলছিল ভারত। রাজকোটে তা উগরে দিলেন রোহিত শর্মারা। ভারতীয় অধিনায়কের ব্যাটে ভর করা মহায় উড়ে গেছে বাংলাদেশ। ২৬ বল হাতে রেখে তুলে নিয়েছে ৮ উইকেটের বড় জয়।

টস হেরে শুরুতে ব্যাট করতে হয় বাংলাদেশ ব্যাটসম্যানদের। ব্যাটিং সহায়ক অথচ বৃষ্টি ভেজা উইকেটে টসটা মাহমুদুল্লাহদের বিপক্ষে যায়। তবে ব্যাটে নামা লিটন-নাঈম শুরুতে বড় রানের ইঙ্গিত দেয়। ওপেনিং জুটিতে তুলে ফেলে ৬০ রান। কিন্তু হটাৎ পথ হারায় বাংলাদেশ। দলের ১০৩ রানে হারায় ৪ উইকেট। সেখান থেকে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি বাংলাদেশ। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে সৌরাষ্ট্রের ব্যাটিং স্বর্গে থামে ১৫৩ রানে।

জবাব দিতে নেমে শুরুতেই বাংলাদেশ বোলারদের ওপর চড়াও হয় ভারত। ওপেনার রোহিত শর্মা এবং শেখর ধাওয়ান তোলেন ঝড়। তাদের সামনে বাংলাদেশ পেসার কিংবা স্পিনাররা সুবিধাই করতে পারেননি। তারা দু’জনে তুলে ফেলেন ১১৮ রান। ম্যাচ হাত ছাড়া হয়ে যায় বাংলাদেশের। এক প্রান্তে উইকেট ধরে রাখা রোহিত শর্মা ৩১ রান করে আউট হন। মহা ঝড় তোলা রোহিত শর্মা ৪৩ বলে ৮৫ রান করে আউট হন। তাকে সেঞ্চুরি বঞ্চিত করাই যেন ছিল বাংলাদেশ বোলারদের একমাত্র কৃতিত্ব। পরে চারে নামা শ্রেয়াস আয়ার ২৪ রান করে শেষ তুলি টানেন।

এর আগে ব্যাট করে বাংলাদেশ ওপেনার লিটন দাস ২৯ রান করে সাজঘরে যাওয়ার পথ দেখিয়ে যান। তিনি দু’বার জীবন পেয়ে, উইকেটে সেট হয়েও বড় রান করতে পারেনি। নিজের ভুলে রান আউট হয়ে ফিরে যান। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টি-২০ ম্যাচ খেলতে নেমে প্রথম ম্যাচে ভালোর ইঙ্গিত দেওয়া নাঈম হাসান আউট হন ৩৬ রান করে। বাংলাদেশ ৮৩ রানে হারায় দুই উইকেট। এরপর দলের শতক হতেই ফিরে যান মুশফিকুর রহিম এবং সৌম্য সরকার। দিল্লিতে ম্যাচ জয়ী ইনিংস খেলা মুশফিক ফেরেন ৪ রান করে। প্রথম ম্যাচে ভালো খেলা সৌম্য সরকার এ ম্যাচে ২০ বলে ৩০ রান করে আউট হন। পরে ব্যাট করা আফিফ হোসেন, মোসাদ্দেক হোসেন, আমিনুল ইসলামও ব্যাটে রান পাননি। তবে মাহমুদুল্লাহ ২১ বলে খেলেন ৩০ রানের ইনিংস।

স্লগ ওভারে ব্যাটিংয়ে দল ভরসা রেখেছিল মোসাদ্দেক হোসেনে। কিন্তু তিনি ৯ বল খেলে কোন বাউন্ডারি মারতে পারেননি। রান করেন মাত্র ৭। ওখানে বেশ পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাটসম্যানরা ভারতের এই দলের সেরা বোলিং ভরসা যুজবেন্দ্র চাহালে চড়াও হয়ে উইকেট বিলিয়ে ফেরেন। হারের ম্যাচে বোলিংয়ে বাংলাদেশের প্রাপ্তি লেগ স্পিনার আমিনুল ইসলাম। ৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে ২৯ রানে দুই উইকেট নেন তিনি। ভারতের হয়ে দিপক চাহার, খলিল আহমেদ এবং ওয়াশিংটন সুন্দর একটি করে উইকেট নেন। বাংলাদেশের দুই অন্যতম সেরা ভরসা মুশফিক এবং সৌম্য চাহালের ফাঁদে পা দেন। লিটনও তার বলে রান আউট হন। একবার জীবনও পান চাহালের বলে উইকেট ছেড়ে মারতে গিয়ে।