মিথ্যা মামলার ঘানি টানতে আশাশুনির বড়দলের একটি পরিবার ভিটে ছাড়া !


410 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
মিথ্যা মামলার ঘানি টানতে আশাশুনির বড়দলের একটি পরিবার ভিটে ছাড়া !
নভেম্বর ১, ২০১৬ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

আশরাফুল আলম :
প্রতিপক্ষের ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা মামলার ঘানি টানতে টানতে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের একটি পরিবার ভিটেমাটি ছাড়া হয়েছে। এ ব্যাপারে প্রশাসনের কাছে প্রতিকার চেয়ে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বড়দল গ্রামের মৃত আবু বকর সিদ্দিক গাজীর ছেলে ও বড়দল ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আব্দুল আজিজ।
এসময় লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, তার পিতা ও দাদা বড়দল মৌজার এসএ ৫৫, খতিয়ান জেএল-১০০ এবং বুড়িয়া মৌজার এসএ খতিয়ান ৬৮ ও জেএল-৯৯ দাগের রেকর্ডীয় মালিক মৃত নূর জাহানের ওয়ারেশ, তার স্বামী ফজর আলীর কাছ থেকে ১৬/০১/১৯৭১ সালে ১১০নং রেজি. কোবলা মূলে ৩০ শতক, মেয়ে ও ছেলে যথা মনোয়ারা খাতুন ও আব্দুস সবুর মালির কাছ থেকে ৯/২/১৯৭১ সালে ২৮৯ রেজি. কোবলা মূলে ৩০ শতক, মাতা জরিনা খাতুনের কাছ থেকে ১৯/০৫/১৯৭৫ সালে ৫২৬২ রেজি. দলিল মূলে ৩২ শতক, কন্যা মনোয়ারা খাতুনের কাছ থেকে ২৫/০১/১৯৭৩ সালে ২০২৭ রেজি. কোবলা মূলে ৩০ শতক জমি তারাভান ক্রয় করেন এবং পরে তারাভানের কাছ থেকে আমার দাদা এয়ার আলী গাজী ৫/৫/৭৫ সালে ৪৪০৮ রেজি. কোবলা দলিল মূল্যে ৬০ শতক জমি, ছেলে জালাল মালির কাছ থেকে ৬৮নং খতিয়ানে ২৮/০৭/১৯৭০ সালে ৭৮৩২ দলিল মূলে ১৬.৫, কন্যা জেবুন্নেছার কাছ থেকে ২৪/০১/৭৩ সালে ২১৪ নং রেজি. দলিল মূলে ৩০ শতক, কন্যা আমেনা খাতুনের ৪/৫/৭৩ সালে ৩৬৪৭ নং রেজি. দলিল মূলে ৩০ শতক এবং স্বামী ফজর আলীর নিকট থেকে ১৩/৬/১৯৭০ সালে ৬১৭৭ নং রেজি. দলিল মূলে ৬৬ শতক জমি ক্রয় করেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, একই এলাকার আব্দুর রউফ গাজী, আয়ুব সরদার এবং শামসুর রহমান গাজী আমার ও আমার ভাইয়ের কাছে ২ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা না দিলে তারা আমাদের জমি জায়গা দখল করে নিয়ে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানিরও হুমকি দিত। এসব ঘটনার প্রেক্ষিতে আমরা ২০১৫ সালের জুন মাসে আয়ুব ও শামছুরের উপস্থিতিতে রউফের নিকট এক লক্ষ টাকা চাঁদা দেই। চাঁদার বাকী টাকা পরিশোধ করতে না পারায় নুর জাহানের ছেলে আব্দুস সবুর মালি, তার স্ত্রী মর্শিদা খানম, তাদের মামাতো ভাই রাজাকারপুত্র আমিরুল গাজী এবং তাদের আত্মীয় মোমেনা খাতুনকে দিয়ে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। এ পর্যন্ত তারা আমাদের নামে নয়টি মামলা দায়ের করেছে। সর্বশেষ গত ২১/১০/১৬ তারিখে দায়েরকৃত মামলায় আমার ভাই সরকারি চাকরিজীবী ইয়াছিন আলীকেও আসামি করা হয়েছে। তিনি মামলায় উল্লিখিত ঘটনার দিনে সরকারি কাজে সাতক্ষীরায় উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, প্রত্যেকটি মামলা মিথ্যা ও হয়রানিমূলক। মামলার ঘানি টানতে টানতে আমরা নিঃস্ব হয়ে পড়েছি। এরই মধ্যে তারা আমাদের ভিটাবাড়িও দখল করে নিয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রতিকার চেয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপি, ডিজি র‌্যাব, ডিআইজি, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।