মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি না পেয়ে মারা গেলেন আশাশুনির মকবুল হোসেন


393 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি না পেয়ে মারা গেলেন আশাশুনির মকবুল হোসেন
ফেব্রুয়ারি ২, ২০১৭ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ রিপোর্টার ::
‘আমার বাবা আশাশুনির দক্ষিন একসরা গ্রামের মকবুল হোসেন যাদের সাথে একাত্ম হয়ে মুক্তিযুদ্ধ করেছিলেন তারা সবাই মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে স্বীকৃতি পেয়েছেন। অথচ আমার বাবা স্বীকৃতি না পেয়ে মৃত্যুবরন করেন।

বাবার মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহন বিষয়ক তৎকালিন বাংলাদেশের সর্বাধিনায়ক জেনারেল আতাউল গনি ওসমানি, দেশ রক্ষা বিভাগের আঞ্চলিক অধিনায়ক মো. মঞ্জুর ও সেক্টর সাব কমান্ডার মো. শফিক উল্লাহ স্বাক্ষরিত  মূল সনদপত্র রয়েছে।  এসব রেকর্ড বিবেচনায় এনে তার  বাবাকে মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে স্বীকার করে নেওয়ার আহবান জানিয়েছেন তার ছেলে মো. রোকনুজ্জামান।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা পেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন তার বাবা মকবুল হোসেন ৮ নম্বর সেক্টরের আওতায় হাতিয়ায় প্রশিক্ষন গ্রহন করেন। এরপর ৮ নম্বর ও ৯ নম্বর সেক্টরে বিভক্ত হয়ে তারা খুলনার ফুলতলায় অস্ত্র জমা দেন। অথচ প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেনের নাম মুক্তিবার্তায় অন্তর্ভূক্ত হয়নি। মহান মুক্তিযুদ্ধের পর ৪৫ বছর পার হয়েছে, অথচ আমার বাবা মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় আসতে পারেন নি। সেই শোকে তিনি মারা গেছেন ২০১১ সালে। বাবার সহকর্মী সৈনিক আমিরুল সানা, মাহবুবুর রহমান, মো. কুদ্দুস ও ডা. আনিসুর রহমানসহ সবাই মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পেয়েছেন। আমার বাবাকে এই সম্মানজনক স্বীকৃতি দেওয়া হলো না কেনো তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। আনুলিয়া ইউপি আওয়ামী লীগ সহ সভাপতি ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম আমার বাবা মকবুল হোসেনকে মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে সম্মানিত করেছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

রোকনুজ্জামান বলেন এবারের যাচাই বাছাইয়ে তার বাবা যেন বাদ না পড়েন এবং তিনি যাতে যথাযথভাবে মুক্তিযোদ্ধা তালিকাভূক্ত হতে পারেন তার ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।