মৃত্যুবার্ষিকীতে হুমায়ূন আহমদকে স্মরণ


455 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
মৃত্যুবার্ষিকীতে হুমায়ূন আহমদকে স্মরণ
জুলাই ২০, ২০১৫ জাতীয় ফটো গ্যালারি বিনোদন
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক :
দিনভর বৃষ্টির মাঝেও নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী পালন করেছে তার পরিবার ও ভক্তরা।

এছাড়া বিভিন্ন সংগঠনও নানা কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি পালন করে।

রোবাবার দুপুরে গাজীপুরের নুহাশ পল্লীতে জনপ্রিয় এ লেখকের সমাধিতে তার স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন এবং তাদের দুই ছেলে সন্তান নিষাদ ও নিনিদ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায়। এ সময় শাওনের সঙ্গে তার বোন সেঁজুতি ও নাট্যকার চয়নিকা চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

পরিবারের পক্ষ থেকে স্থানীয় কয়েকটি এতিমখানার ছাত্রদের নিয়ে নুহাশ পল্লীতে লেখকের কবর জিয়ারতের পাশাপাশি কুরআন তেলাওয়াত ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

বর্ষণমুখর এ দিনেও হুমায়ূন আহমদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে তার অসংখ্য ভক্ত ও অনুরাগীরাও নুহাশ পল্লীতে উপস্থিত হয়েছিলেন।

দুপুরের পর হুমায়ূন আহমেদের ভাই অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল, আহসান হাবীব এবং তিন বোন সুফিয়া হায়দার, মমতাজ শহীদ ও রোকসানা আহমেদ নিজেদের সন্তানদের নিয়ে ভাইয়ের কবর জিয়ারত করেন।

সমকালীন বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় এ কথাসাহিত্যিক নাটক ও চলচ্চিত্রেও সমান দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে তিনি ২০১২ সালের ১৯ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চির বিদায় নেন। পরে তার প্রতিষ্ঠিত নুহাশ পল্লীতেই তাকে সমাহিত করা হয়।

হুমায়ূন আহমেদের সৃষ্ট চরিত্র ‘হিমু’প্রেমীরা সকালে রাজধানীর শাহবাগ থেকে হলুদ পাঞ্জাবি ও নীল শাড়ি পড়ে নুহাশ পল্লীতে আসেন। এ তরুণ-তরুণীরা লেখকের কবর জিয়ারতের পাশাপাশি ক্যান্সার সচেতনতামূলক প্রচারপত্র বিলি করেন।

এদিন সারাদেশে হিমুপ্রেমীরা বৃক্ষরোপণ ও পাঠাগার সেল স্থাপন কর্মসূচি পালন করে বলেও জানান ‘হিমু পরিবহন’-এর সদস্য আসলাম হোসেন।

নিজ জেলা নেত্রকোনায় নন্দিত এ কথাসাহিত্যিকের মৃত্যুবার্ষিকীতে শোক র‌্যালি ও কালোব্যাজ ধারণসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। কেন্দুয়া উপজেলায় লেখকের হাতে গড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ কর্তৃপক্ষ এসব কর্মসূচি পালন করে।

প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান জানান, তার নেতৃত্বে দিবসটি পালন উপলক্ষে বিকেল ৩টায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের নিয়ে এক শোক র‌্যালি বের হয় এবং তার প্রতিকৃতিতে ফুলের মালা দেয়া হয়। এরপর নীরবতা পালন, কালো পতাকা উত্তোলন ও কালো ব্যাজ ধারণ করা হয়।

প্রধান শিক্ষক জানান, শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণেই এ লেখকের জন্য কোরআন খতম করে।

তিনি আরও জানান, বিকেলে তার সভাপতিত্বে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয় এবং হুমায়ূন আহমদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিদ্যালয়ে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল হয়। সূত্র: বাসস