সাতক্ষীরায় মেয়ে হত্যার বিচার চেয়ে পিতার সংবাদ সম্মেলন


3264 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরায় মেয়ে হত্যার বিচার চেয়ে পিতার সংবাদ সম্মেলন
এপ্রিল ১৬, ২০১৭ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ রিপোর্টার ::
আমার মেয়েকে পিটিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে। তার শরীরে অসংখ্য স্থানে আঘাতের চিহ্ন স্বরূপ রক্ত জমা কালো দাগ দেখেছি। বুকে পিঠি মাথায় এবং স্পর্শকাতর গোপন স্থানে আঘাতে আঘাতে জর্জরিত করে নির্মমভাবে হত্যা করেছে ওরা। সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে আমার মৃত মেয়েকে রেখে ওরা পালিয়ে যায়। সদর হাসপাতালের ডাক্তারার আমার কন্যার মৃত্যুর বিষয়ে লিখিতভাবে জানানোর পর পুলিশ সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। সুরতহাল রিপোর্ট ও আলামত অনুযায়ী ঘাতকদের বিরুদ্ধে মামলা হলেও সব আসামী এখনো গ্রপ্তার হয়নি। সদর থানা থেকে আমি এখনো সুরতহাল রিপোর্টের কোনো কপি পায়নি। হাসপাতালের প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্টও আমাকে দেয়া হচ্ছে না। মূল আসামী গ্রেপ্তার হলেও তাকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে না। আমি আমার মেয়ে হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।

রবিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক জনার্কীন সংবাদ সম্মেলন করে সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোল ফকিরপাড়া এলাকার কওছার আলী সরদারের ছেলে ভ্যান চালক মামুনুর রশিদ এ দাবি জানান। তিনি আরো বলেন, আনুমানিক ২ বছর আগে তার মেয়ে মুনিয়া ইয়াসমিন টুম্পার সাথে বিয়ে হয় পুরাতন সাতক্ষীরা আনসার ক্যাম্পের পাশের বাসিন্দা মৃত মোশারফ হোসেনের ছেলে শেখ ফারুক হোসেনের। বিয়ের পর কারণে অকারণে আমার মেয়ে টুম্পাকে শারিরীক ও মানসিক নির্যাতন করতো ফারুক ও তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা। আমার অসহায়ত্বের কথা চিন্তা করে টুম্পা সব নির্যাতন নিরবে সহ্য করতো। গত ৭এপ্রিল রাত ১ টার দিকে আমার মেয়েকে হত্যা করে ফারুক। এর আগে রাত ১০ টার দিকে টুম্পার সাথে আমার কথা হয়। তখন কোনো সমস্যার কথা সে জানায়নি। টুম্পাকে হত্যার পর গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে অপপ্রচার চালায় ফারুক। এরপর হাসপাতালে লাশ ফেলে পালিয়ে যায় সে। পরে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
সংবাদ সম্মলনে তিনি পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।