মোহাম্মদ নাসিমের শারীরিক অবস্থার অবনতি


435 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
মোহাম্মদ নাসিমের শারীরিক অবস্থার অবনতি
জুন ৫, ২০২০ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক ::

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিমের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার পর এখন তার অপারেশন চলছে। এমন পরিস্থিতিতে রাজধানীর শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাবেক এই স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করা হয়েছে।

মোহাম্মদ নাসিমের ব্যক্তিগত সহকারী মীর মোশাররফ হোসেন জানিয়েছেন, মোহাম্মদ নাসিম শুক্রবার ভোরে হাসপাতালের আইসিইউতে ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। পরে তাকে দ্রুত ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সিএমএইচের অ্যাম্বুলেন্স এলেও নাসিমের শারীরিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় তাকে নেওয়া যায়নি। এই অবস্থায় শুক্রবার সকাল থেকে বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে অপারেশন শুরু হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. রাজিউল হকের নেতৃত্বে অপারেশন চলছে।

এর আগে সোমবার দুপুরে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে মোহাম্মদ নাসিমকে বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভর্তির পরই তার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। রাতে পরীক্ষার রিপোর্টে তার দেহে করোনার উপস্থিতি শনাক্ত হলে আইসিইউতে নেওয়া হয়। গভীর রাতে প্লাজমা থেরাপিও দেওয়া হয় তাকে। মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মহিউদ্দিন আহমেদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিচ্ছেন তিনি।

প্রবীণ এই আওয়ামী লীগ নেতার ছেলে ও সাবেক এমপি তানভীর শাকিল জয় পরিবারের পক্ষ থেকে তার বাবার জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।

করোনা সংকট শুরুর পর থেকেই কর্মহীন মানুষের মধ্যে ত্রাণ কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন মোহাম্মদ নাসিম। ১৪ দলের পক্ষ থেকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কর্মহীন মানুষকে সহায়তা দিয়েছেন তিনি। সিরাজগঞ্জের নিজ নির্বাচনী এলাকায়ও ত্রাণ কার্যক্রম চালিয়েছেন আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত প্রবীণ এই সংসদ সদস্য। চিকিৎসক-নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রীও বিতরণ করেন তিনি। দিন পাঁচেক আগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) প্রথম দফা করোনা পরীক্ষা করা হয়েছিল। সে সময় তার পরীক্ষার রিপোর্টে করোনা নেগেটিভ আসে।