মোড়েলগঞ্জে প্রধান শিক্ষিকা খাজিন্তা আক্তারের বিরুদ্ধে উপবৃর্ত্তির টাকা আস্বৎসাতের অভিযোগ


236 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
মোড়েলগঞ্জে প্রধান শিক্ষিকা খাজিন্তা আক্তারের বিরুদ্ধে  উপবৃর্ত্তির টাকা আস্বৎসাতের অভিযোগ
আগস্ট ২৫, ২০১৬ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এম.পলাশ শরীফ,মোরেলগঞ্জ প্রতিনিধি :
শিক্ষার হার বাড়াতে সরকার ভর্তূকী প্রথা চালু করলেও সরকারের সুনাম সর্বত্র রক্ষা হচ্ছেনা কিছু অসৎ লোকের কারনে। প্রাথমিক শিক্ষা খাতের এই ভর্তূকীর টাকা শিক্ষার্থীদের হাতে পৌছে দেওয়ার বিনিময়ে কোন কোন শিক্ষক বকশিসের নামে আদায় করছেন বাড়তি টাকা।

হোটেল বা রেষ্টুরেন্টে বকশিস প্রথা থাকলেও বাধ্যতামূলক নয়। ভোক্তা হোটেল বয় এর আচার ব্যবহারে তুষ্ট হয়ে স্বেচ্ছায় দিয়ে থাকেন ২০, ৫০ বা ভিন্ন অঙ্কের বকশিস। কিন্তু বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে মিলেছে ভিন্ন দৃষ্টান্ত।

২০টাকা করে দিতে হবে সকলকে। বাধ্যতামূলক এই বকশিস না দিলে উপবৃত্তির টাকা পাওয়া যাবেনা, নয়তো নাম কাটা যাবে তালিকা থেকে। এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে ২৮৬নং পশ্চিম জিউধরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা খাজিন্তা আক্তারের বিরুদ্ধে।

বিদ্যালয়ের অভিভাবক মাহাতাব খান ও দেলোয়ার হোসেন তালুকদার লিখিতভাবে এই বিষয়ে অভিযোগ করেছেন উপজেলা শিক্ষা অফিসারসহ বিভিন্ন দপ্তরে। অভিযোগে বলা হয়েছে, অধীক টাকার লোভে ভূয়া শিক্ষার্থীদের নামে উপবৃত্তির টাকা তোলেন খাজিন্তা আক্তার। কার্ড করতে জনপ্রতি ১শ’ থেকে ২শ’ করে টাকা দিতে হয় তাকে। উপবৃত্তির টাকা গ্রহনের সময় সকল অভিভাককে ২০টাকা করে দিতে হয় খরচ বাবদ। অভিভাবকদেরকে বলা হয়, এটা খুশি মনে বকশিষ হিসেবে দিবেন।

এ সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট ক্লাষ্টারের সহকারী শিক্ষা অফিসার সুবির কুমার ঘোষ বৃহস্পতিবার বলেন, অভিযোগের তদন্ত চলছে। সত্যতা পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রধান শিক্ষিকা খাজিন্তা আক্তার বলেন, স্থানীয় গ্রুপিং ও বিভিন্ন ধরনের বিরোধের কারনে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তোলা হয়েছে।

তবে এই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা শাহানাজ বেগম এসব অভিযোগের সত্যতা স্বিকার করে বলেন, টাকা বিতরণের সময় বাধ্যতামূলক বকশিষ ও কার্ড করার সময় প্রধান শিক্ষিকা প্রকাশ্যেই টাকা নিয়ে থাকেন। ##