রাজন হত্যায় পলাতক কামরুল জেদ্দায় আটক


360 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
রাজন হত্যায় পলাতক কামরুল জেদ্দায় আটক
জুলাই ১৩, ২০১৫ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

ভয়েস অব সাতক্ষীরা ডটকম ডেস্ক :
সিলেটের শিশু রাজন হত্যা মামলার মূল আসামি কামরুল ইসলামকে সৌদি আরবের জেদ্দায় আটক করা হয়েছে। স্থানীয় বাংলাদেশিদের তাকে আটক করা হয়েছে।

রাজনকে নির্যাতন করে হত্যার কথা স্বীকার স্বীকার  করেছেন কামরুল। বাংলাদেশ কনসুলেটের কর্মকর্তা মোকাম্মেল হোসেন জানিয়েছেন, কামরুলকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য আলোচনা চলছে।

আজ সোমবার স্থানীয় সময় সকালে জেদ্দায় হাইআররোওবি এলাকার এক বাংলাদেশির কাছে খবর পেয়ে এনটিভির জেদ্দা প্রতিনিধি কামরুলকে শনাক্ত করার  জন্য ঘটনাস্থলে যান। একপর্যায়ে তাঁরা নিশ্চিত হন, গত কয়েকদিনে গণমাধ্যমে  কামরুলের যে ছবি প্রচারিত হয়েছে, এ ব্যক্তি সে-ই।

কনসুলেট বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য প্রথম সচিব আজিজুর রহমানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল ঘটনাস্থলে পাঠান। কামরুল যে বাড়িতে থাকতেন, সেই বাড়ির সৌদি মালিকের সাথে কথা বলেন তাঁরা। পুরো ঘটনা শুনে তিনি সহযোগিতা করতে রাজি হন। পরে বাংলাদেশিদের সহযোগিতায় কামরুলকে অনুসরণ করে আটক করেন কনসুলেট কর্মকর্তারা। কামরুলের হাত বেঁধে নিয়ে আসা হয় কনসুলেট  কার্যালয়ে। সেখান থেকে কামরুলকে সোপর্দ করা হয় হাই আল জামা থানায়।

সিলেট শহরতলির কুমারগাঁওয়ে চোর সন্দেহে শিশু শেখ সামিউল আলম রাজনকে (১৩) পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় করা মামলার অন্যতম আসামি কামরুল ঘটনার একদিন পরই দেশ ছেড়ে সৌদি আরব চলে যান।

সিলেট সদর উপজেলার শেখপাড়া গ্রামের বাসিন্দা কামরুল হাসান দীর্ঘদিন ধরে সৌদি প্রবাসী। কিছুদিনের জন্য দেশে এসেছিলেন তিনি।

ইমিগ্রেশন পুলিশের পরিদর্শক খায়রুল ফজল জানান, গত ১০ জুলাই দুপুর ২টায় কামরুল সিলেট ওসমানী বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে সৌদি আরবের উদ্দেশে দেশ ত্যাগ করেন।

গত ৮ জুলাই সকালে কুমারগাঁওয়ে চোর সন্দেহে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয় শিশু রাজনকে। হত্যাকাণ্ডের ভিডিওচিত্রও ধারণ করা হয়। পরে লাশ গুম করার সময় স্থানীয় লোকজন হাতেনাতে আটক করে কামরুলের ভাই মুহিত আলমকে। পরে মুহিতকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। এ ঘটনায় মুহিত, কামরুল, আলী হায়দার ও স্থানীয় চৌকিদার ময়না মিয়া লালকে আসামি করে হত্যা মামলা করা হয়।