রাবিতে শিক্ষক হত্যার ষষ্ঠ দিন : তদন্তে অগ্রগতি নেই :বিক্ষুব্ধ শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা


340 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
রাবিতে শিক্ষক হত্যার ষষ্ঠ দিন : তদন্তে অগ্রগতি নেই :বিক্ষুব্ধ শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা
এপ্রিল ২৮, ২০১৬ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

রাবি প্রতিনিধি:
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. এ.এফ.এম রেজাউল করিম সিদ্দিকীকে হত্যার ষষ্ঠ দিনেও তদন্তে কোন অগ্রগতি না থাকায় বিক্ষুব্ধ হয়ে পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা । শিক্ষক হত্যার ষষ্ঠ দিনেও ক্যাম্পাসে প্রতিবাদ সমাবেশ, বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন ও অবস্থান ধর্মঘট পালন করেছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষক হত্যার প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতে সকাল ১০টা থেকে ইংরেজি বিভাগের শোক র‌্যালির সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগ, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, নাট্যকলা বিভাগ, আর্ন্তজাতিক সর্ম্পক বিভাগ, বাংলা বিভাগ, ইতিহাস বিভাগ, ফার্মেসী বিভাগ, হিসাববিজ্ঞান পরিবার ও চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থীরা সংহতি প্রকাশ করে সিনেট ভবনের সামনে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেেেশ অংশ নেয়। এরপর সেখান থেকে শহীদুল্লাহ কলা ভবনের সামনে মুকুল প্রতিবাদ ও সংহতি মঞ্চে শিক্ষার্থীরা জড়ো হয়। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সংহতি প্রকাশ করে।

ru pic-1, 28.04.16
শিক্ষক হত্যার তিনদিন পর রাবি শিক্ষক সমিতি ৭ দিনের আল্টিমেটাম কর্মসূচি দিয়ে কর্মসূচি স্তগিত করলেও তা তুলে নিয়ে নতুন কর্মসূচি দিয়েছে তারা। এর ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সিনেট ভবনের সামনে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে শিক্ষক সমিতি। নতুন কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে প্রতিদিন ১১টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ, আগামী ২ মে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন আহুত রাবি সহ সকল বিশ^বিদ্যালয়ে কর্মবিরতি পালন এবং ৩ মে বিশ^বিদ্যালয়ের সিনেট ভবনের সামনে বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী সহ আপামর জনতাদের নিয়ে মহা সমাবেশ যেখানে বিশ^বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ সকল বিশ^বিদ্যালয়ের প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন। এছাড়া একই দিন সন্ধ্যায় মোমবাতি প্রজ্জলন কর্মসূচিও হাতে নিয়েছে বিশ^বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নেতাকর্মীরা।

মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক ড. মো. শহীদুল্লাহ বলেন, ‘আমরা একটি আল্টিমেটাম দিয়ে আন্দোলন স্থগিত করেছিলাম। কিন্তু রেজাউল করিম হত্যায় যখন ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীসহ পুরো দেশ উত্তাল। সেখানে আমরা ঘুমিয়ে থাকতে পারিনা। তাই জরুরি সভা ডেকে আন্দোলনে নেমেছি এবং প্রতিদিনই বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত অবস্থান ধর্মঘট ও মানববন্ধন করবো, যতদিন না খুনিদের শাস্তি হয়।
গত ২৩ এপ্রিল রাবি ইংরেজি বিভাগের শিক্ষকড.এ এফ এম রেজাউল করিম সিদ্দিকীকে বাড়ি থেকে ৫০গজ দূরে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। তারপর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বিচারের দাবিতে আন্দোলন করে আসছে।