রোহিঙ্গা নিয়ে কমিশন গঠন করবে মিয়ানমার


228 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
রোহিঙ্গা নিয়ে কমিশন গঠন করবে মিয়ানমার
আগস্ট ২৪, ২০১৬ প্রবাস ভাবনা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক :
মিয়ানমারে রোহিঙ্গা সম্প্রদায় সম্পর্কিত একটি কমিশন গঠন করবে দেশটির সরকার, যার প্রধান হবেন জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান। এই কমিশন মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের প্রতি সহিংসতা ও তাদের ঘিরে দেশটিতে যে সংকট রয়েছে তার সমাধান খোঁজার জন্য কাজ করবে। খবর বিবিসির।

তবে, নতুন এই কমিশন রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশ মিয়ানমারের মধ্যে চলমান সংকট নিয়েও কাজ করবে কিনা সেটি এখনো পরিষ্কার নয়।জাতিসংঘের ভাষায় রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের মানুষজন বিশ্বের সবচাইতে নির্যাতিত জনগোষ্ঠীর একটি। মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের বাস, যারা পৃথিবীর কোন দেশের নাগরিক নয়।

150520023823
মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সাং সুচি বহুদিন যাবৎ রোহিঙ্গা ইস্যুতে কোন মন্তব্য করেননি। নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী এই নেত্রী রোহিঙ্গাদের সমস্যা সমাধানে কথা বলবেন সেটা অনেকেরই প্রত্যাশা ছিল। এখন এই কমিশন গঠন তার ভূমিকা পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়।এতদিন পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের প্রতি অং সাং সুচির নীতি ছিল সমস্যার মোকাবেলা নয়, বরং তা রাখাইন প্রদেশেই সীমাবদ্ধ রাখা। একটি কমিশন গঠনের এই সিদ্ধান্ত অনেককেই অবাক করেছে বলে তিনি জানান।

কফি আনানকে এর প্রধান করার ইঙ্গিত হলো অং সাং সুচি সম্ভবত রোহিঙ্গা ইস্যু সমাধানে নতুন চিন্তা ধারার কথা অন্তত শুনতে রাজি হয়েছেন।রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে বৌদ্ধদের হাতে নির্যাতনের শিকার বলে অভিযোগ রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে সহিংসতার মুখে পালিয়ে সীমান্ত পার হয়ে তাদের অনেকেই বাংলাদেশেও প্রবেশ করেছে।

বাংলাদেশে কক্সবাজার এলাকাতেই তাদের একটা বড় অংশ বাস করেন। এছাড়া চট্টগ্রাম, বান্দরবান, খাগড়াছড়িতেও কিছু রোহিঙ্গা বসবাস করছেন। সরকারের রেজিস্টার্ড ক্যাম্পগুলোতে ৩৩ হাজারের মতো রোহিঙ্গা বাস করে। তবে বলা হয় বাংলাদেশে তাদের মোট সংখ্যা পাঁচ লাখের মতো।বাংলাদেশে তাদের শরণার্থী হিসেবে স্বীকৃতি নেই এবং পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়ার প্রসঙ্গটি বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে বহুদিন যাবৎ একটি ইস্যু হয়ে রয়েছে।