শিবপুর ইউনিয়নের ৩টি কেন্দ্রে পূর্ন:নির্বাচন দাবিতে সংবাদ সম্মেলন


358 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
শিবপুর ইউনিয়নের ৩টি কেন্দ্রে পূর্ন:নির্বাচন দাবিতে সংবাদ সম্মেলন
মার্চ ২৭, ২০১৬ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ রিপোর্টার :
শিবপুর ইউনিয়নের ৩টি কেন্দ্রের পূর্ন: নির্বাচন ও সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুর রহমান মানিসহ দলীয় নেতাকর্মীদের বহিস্কারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলনে করেছেন সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি শওকত আলী। রোববার দুপুরে এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করে বলেন, গত ২২ মার্চ নির্বাচনে আমি জননেত্রী শেখ হাসিনা মনোনীত নৌকা প্রতীক নিয়ে শিবপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করি। আমার প্রতিপক্ষ হিসাবে অংশ গ্রহণ করে সাবেক শিবপুর ইউনিয়নের  আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম হত্যা মামলাসহ আটটি ফৌজদারী মামলার আসামী ও থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মুজিদ। এদিকে ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুর রহমান মানি, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক  আবুল কালাম আজাদদলীয় মনোনয়ন না পেয়ে ক্ষুদ্ধ হন। এরপর থেকে তারা বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। এমনকি আমাকে (নৌকা প্রতীক) কে পরাজিত করতে মরিয়া হয়ে ওঠেন তারা। এ কারণে তারা আমার কিছু দলীয় কর্মি সমর্থকদের নিয়ে আমার প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী আব্দুল মুজিদের পক্ষে অবস্থান নেয়। এছাড়া তারা প্রকাশ্যে ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করে। তিনি আরো বলেন, ওই ব্যক্তিরা মুখে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কথা বলছেন অথচ নির্বাচনী মাঠে বঙ্গবন্ধুর প্রতীকের বিরোধীতা করছেন। তারা ভোটারদের বিভিন্ন ভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেছে। এছাড়া নির্বাচনের দিন কালাম এবং ঢালী মটর সাইকেল নিয়ে পায়রাডাঙ্গা কেন্দ্রে মনিরুল, আদম, মোস্তাফিজুরসহ কয়েকজন নেতাকর্মীকে বলেছেন এ কেন্দ্রে নৌকায় যেন একটিও ভোট  না পড়ে। এছাড়া ইউনিয়নের ৯টি কেন্দ্রে গিয়ে তারা নৌকা বিরুদ্ধে প্রচারনা করেছেন। এছাড়া নির্বাচনের দিন বিভিন্ন কেন্দ্রে আমার এজেন্টদের সাথে দুর্ব্যবহার করতে থাকে পুলিশ। তারা ভয় দেখিয়ে নির্বাচন চলাকালিন সময়ে রেজাল্টশীটে স্বাক্ষর করিয়ে নিয়ে কেন্দ্র হতে  বের করে দেয়। ভোট গ্রহণের পূর্বে উক্ত কেন্দ্রে নৌকার এজেন্টদের বের করে দিয়ে দরজা, জানালা বন্ধু করে ভোট কারচুপি করে। এছাড়া ইউনিয়নের গদাঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পরানদহা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, খানপুর সিদ্দিকিয়া কামিলা মাদ্রাসা কেন্দ্র্র ৩টিতে সহকারী-প্রিজাইডিং অফিসার হিসাবে দায়িত্বে ছিলেন, বিএনপির প্রার্থীর ভাগ্নে মোজাফফর হোসেন, তার জামাই মাদ্রাসার সুপার জামাল ও জামাইয়ের ভাই আব্দুস সবুর। তারা সুযোগ বুঝে ধানের শীষ প্রতীক ও তাঁদের মনোনিত মেম্বার এর প্রতিকে সীল মেরে নেয়। ওই ৩টি কেন্দ্রে পরবর্তীতে ভোটার ভোট দিতে গেলে তাদের শুধু মাত্র মেম্বর প্রার্থীদের ব্যালট পেপার দিয়ে কি হবে। এসময় তিনি যারা নৌকার বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া নেতাকর্মীদের বহিস্কার ও ওই ৩টি কেন্দ্রে পূর্ণ: নির্বাচনের জন্য নির্বাচন দাবি জানান।