শীতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবেন কীভাবে


159 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
শীতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবেন কীভাবে
জানুয়ারি ১০, ২০২৩ ফটো গ্যালারি স্বাস্থ্য
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক ::

শীতকাল মানেই গলা ব্যথা, জ্বর, সর্দি, কাশি লেগেই থাকে। ছোটো থেকে বড় সবাই এই সময় ঘন ঘন ঠান্ডা লাগায় ভোগেন। কারণ বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় শীতকালে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা একটু দুর্বল হয়ে পড়ে। এজন্য নানারকম শারীরিক অসুস্থতা দেখা দেয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুস্থ থাকতে হলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী রাখা খুবই জরুরি। শীতকালে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে নানা ধরনের ভেষজ উপকারী। যেমন-

তুলসি : তুলসির স্বাস্থ্য উপকারিতার কথা কমবেশি সবারই জানা। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউনিটি শক্তিশালী করতে তুলসির জুড়ি নেই। সর্দি, কাশি নিরাময়ের পাশাপাশি তুলসি শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা দূর করে, শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা বজায় রাখে। এছাড়া তুলসি পাতা হজম প্রক্রিয়ায় উন্নতি ঘটায়, মন ও শরীরকে শান্ত করতে সাহায্য করে। তুলসি পাতায় থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ভাইরাস, সংক্রমণ এবং অ্যালার্জির বিরুদ্ধে লড়াই করে।

আমলকি : স্বাস্থ্যের নানা সমস্যা দূর করতে বেশ কার্যকর আমলকি। লিভার,হৃৎপিণ্ড, মস্তিষ্ক এবং ফুসফুসসহ বিভিন্ন অঙ্গ সুস্থ রাখতে ভূমিকা রাখে আমলকি। এতে ভিটামিন সি, অ্যামিনো অ্যাসিড এবং পেকটিনের মতো পুষ্টি উপাদান রয়েছে। এ ছাড়াও, এতে প্রদাহরোধী, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল, হেপাটোপ্রোটেক্টিভ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য থাকায় শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করতে সহায়তা করে।

পুদিনা : পুদিনায় প্রচুর পরিমাণে আয়রন ও ভিটামিন সি রয়েছে। পুদিনার অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিফাঙ্গাল গুণ হজম সমস্যা প্রশমিত করে, হাঁপানি এবং মৌসুমি অ্যালার্জি কমায়।

লেমনগ্রাস : লেমনগ্রাস অ্যারোমাথেরাপিতে ব্যথা এবং খিঁচুনি উপশমে ব্যবহৃত হয়। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টিমাইক্রেবিয়াল বৈশিষ্ট্য সমৃদ্ধ লেমনগ্রাস ব্যাকটেরিয়া ও ইস্টের বৃদ্ধি রোধ করে। এছাড়াও কাশি, গলা ব্যথা, জ্বর কমায় । সেই সঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

অশ্বগন্ধা : নানা শারীরিক সমস্যা সমাধানে যুগ যুগ ধরে ব্যবহার হয়ে আসছে অশ্বগন্ধা। এটি শারীরিক ব্যথা এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। তাছাড়া, এই ভেষজে থাকা উপাদান মানসিক চাপ কমায় এবং অনিদ্রা দূর করে। সূত্র: বোল্ড স্কাই