শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে থাকবে বিএনপি


248 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে থাকবে বিএনপি
ডিসেম্বর ২৯, ২০১৫ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

ভয়েস অব সাতক্ষীরা ডটকম ডেস্ক :
আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করতে সরকার সব আয়োজন সম্পন্ন করেছে বলে অভিযোগ করে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, এরপরও শেষ পর্যন্ত বিএনপি নির্বাচনে থাকবে।

সোমবার বিকেলে গুলশানে নিজের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

পৌর নির্বাচনে অংশ নিতে বাধা পাওয়ার অভিযোগ তুলে খালেদা বলেন, “নানা ধরনের চাপ ও ভয়ভীতি দেখিয়ে অনেক জায়গায় বিএনপি প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দিতে দেওয়া হয়নি, প্রত্যাহারেও বাধ্য করা হয়েছে।”

তিনি বলেন, ”সেনা মোতায়েনের দাবি করেছি। নির্বাচনে কমিশন বলেছে, সে ধরনের পরিস্থিতি না কি সৃষ্টি হয়নি। আমরা জানি না, আর কত ভয়াবহ পরিস্থিতি হলে সেনা মোতায়েনের পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে। তবে আমরাও নির্বাচনী যুদ্ধে শেষ পর্যন্ত অবিচল থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি,

খালেদা জিয়া বলেন, “গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে আমরা পৌরসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ণ হয়েছি। আমরা দেশবাসীকে অনুরোধ জানাই, আসন্ন পৌর মেয়র নির্বাচনে আমাদের মনোনীত প্রার্থীদের ধানের শীষে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন। আপনাদের অধিকার ও গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার সংগ্রামে ভূমিকা রাখবেন।”

তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেই জঙ্গিবাদের উত্থান হয়েছে। তারা জঙ্গি দমন না করে বিরোধীদল দমনে শক্তি প্রয়োগ করছে।

সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে স্বাধীনতাযুদ্ধের শহীদদের স্মরণ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অভিবাদন জানিয়ে খালেদা জিয়া বলেন, আমি বিদেশে গেলে বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়, আমি আদৌ দেশে ফিরবো না। আমি বরাবরই বলেছি যে, দেশের বাইরে আমার কোনো ঠিকানা নেই। বাংলাদেশই আমার একমাত্র ঠিকানা।

তিনি বলেন, দেশে উদ্বেগজনক কিছু ঘটনা ঘটে চলেছে। বিদেশিরা আক্রান্ত হচ্ছে। ভিন্নমতের মানুষের ওপর সশস্ত্র চোরাগোপ্তা হামলা চলছে। ধর্মীয় সমাবেশ, মসজিদ ও অন্যান্য উপাসনালয় আক্রান্ত হচ্ছে। নিরাপত্তা বেষ্টনীর ভেতরেও ঘটছে বোমা হামলার মতো সন্ত্রাসী ঘটনা। এসবের পেছনে কারা জড়িত তা নিয়ে সরকারের বিভিন্ন পর্যায় থেকে পরস্পরবিরোধী নানামুখী বক্তব্য আসছে। দেশবাসীর সঙ্গে আমরাও এসব ঘটনায় উদ্বিগ্ন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ড. আবদুল মঈন খান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আ স ম হান্নান শাহ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, জামায়াতের নির্বাহী পরিষদ সদস্য মাওলানা আবদুল হালিম, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির মহাসচিব এম এম আমিনুর রহমান, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি’র (এনডিপি) চেয়ারম্যান খন্দকার গোলাম মর্তুজা, ন্যাপ-ভাসানীর চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আজহারুল ইসলাম, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির মজিবুর রহমান পেশোয়ারী, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক কমরেড সাঈদ আহমেদ, জমিয়তে উলামা ইসলামের নেতা মাওলানা মো. মহিউদ্দিন প্রমুখ।