শ্যামনগরের মৎস্য কর্মকর্তার নামে জেলেদের নিকট থেকে চাঁদা তোলার অভিযোগ


455 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
শ্যামনগরের মৎস্য কর্মকর্তার নামে জেলেদের নিকট থেকে চাঁদা তোলার অভিযোগ
জুলাই ২৬, ২০১৬ ফটো গ্যালারি শ্যামনগর সুন্দরবন
Print Friendly, PDF & Email

এস কে সিরাজ,শ্যামনগর :
সুন্দরবন সংলগ্ন নদীতে নেট জাল দিয়ে শতশত জেলেরা মাছ ধরছে। সুন্দরবনের নদীগুলোতে নেটজাল দিয়ে মাছ ধরা সম্পুর্ন নিষিদ্ধ থাকলেও কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় জেলেরা তা অব্যহত রেখেছে। অবৈধ ভাবে মাছ ধরার কারনে  কর্তৃপক্ষের অনেকেই এ সুযোগে জেলেদের নিকট থেকে মাসহারা নিচ্ছেন বলে,একাধিক জেলে জানিয়েছেন।

এদিকে দীর্ঘদিন ধরে জেলেদের কাছ থেকে শ্যামনগর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার নাম করে জেলেদের  কাছ থেকে মাসহারা নেয়া হচ্ছিল। বিষয়টি জানা  জানি হলেও হঠাৎ করে কয়েকদিন আগে জেলে পল্লীতে অভিযান চালানো হয়। গত ২৩/৭/১৬ তারিখে উপজেলা সহকারী কমিশনার ( ভুমি) আহসান উল্লাহ শরিফী ও উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ ফারুক হোসেন নেট জাল দিয়ে অবাধে মাছ ধরার অভিযোগে জেলে পল্লীতে অভিযান চালিয়ে নেট জাল আটক করেন। আটককৃত নেট জাল গুলো পরে পুড়িয়ে ফেলা হয়।

এঘটনায় জেলেরা বলেন,আমরা নিয়মিত মাসহারা দিয়ে থাকি কিন্ত এভাবে নেট জাল আটক করে পুড়িয়ে দিয়ে ক্ষতি করার কোন মানে হয়না। এদিকে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফারুক হোসেন বলেন,আমার  নাম করে কেউ যদি টাকা নেয়, তাহলে আমার কি করার আছে, তবে এটি জানার পর সুন্দরবনে অভিযান চালানো হয়েছে, নেট জাল আটকও করা হয়েছে, এসময় জেলেদের কাছ থেকে উৎকোচ নেয়া হচ্ছে বিষয়টি সঠিক, তবে জেলেরা নৌ- পুলিশের কথা বলেছেন,জেলেদের কাছ থেকে মাসহারা নেয়ার ঘটনার সাথে আমার কোন সম্পৃক্তা নেই, কেউ প্রমান ও দিতে পারবেনা। সাতক্ষীরা রেন্জের সহকারী বন সংরক্ষক মোঃ সোয়েব খান এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন,আমার কাছে এধরনের কোন তথ্য নেই।   শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সায়েদ মোঃ মনজুর আলম বলেন,বিষয়টি নানা ভাবে নানা রকম করে শোনা গেছে, তবে এর কোন ভিত্তী নেই, তারপরও বিষয়টি দেখছি, আপনাদের কাছে কোন সঠিক তথ্য থাকলে দিতে পারেন।

এছাড়া জেলেদেরকে সচেতন হতে হবে, তাদের কাছে কেউ টাকা চাইলে আমার নিকট বা প্রেসক্লাব কে জানালে ব্যবস্থা নেয়া হবে, এঘটনায় গোয়েন্দা বিভাগ ও কাজ করছে।