শ্যামনগরের ১ লাখ ২০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেয়ার কাজ শুরু


155 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
শ্যামনগরের ১ লাখ ২০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেয়ার কাজ শুরু
মে ১৯, ২০২০ দুুর্যোগ ফটো গ্যালারি শ্যামনগর
Print Friendly, PDF & Email

সামিউল মনির ::

সুপার সাইক্লোন ‘আম্পান’ মোকাবেলায় উপকুলবর্তী শ্যামনগর উপজেলায় ব্যাপক প্রস্ততি গ্রহন করা হয়েছে। সামাজিক দুরত্ব মেনে অবস্থানের জন্য প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার মানুষকে আশ্রয় দিতে ১০৩টি সাইক্লোন শেল্টারসহ ৪৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে প্রস্তুত করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে গাবুরাসহ অপরাপর ঝুঁকিপুর্ন এলাকার মানুষকে সরিয়ে নিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশটি বাস পাঠানো হয়েছে গাবুরাসহ ঝুঁকিপুর্ন এলাকায়।
এছাড়া দুর্যোগকালীন পরিস্থিতিতে যোগাযোগ ব্যবস্থার অবনতির শংকায় সোমবার থেকে গাবুরাসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে অগ্রীম খাদ্য সহায়তা পাঠানোর কাজ শুরু হয়। এর আগে সোমবার রাত এগারটা পর্যন্ত নীলডুমুরস্থ বিজিবি ক্যাম্পের হলরুমে জনপ্রতিনিধি, স্বেচ্ছাসেবক, এনজিও সমন্বয় পরিষদসহ সরকারি কর্মকর্তাদের নিয়ে জরুরী সভা করেন জেলা প্রশাসক।
এদিকে মারাত্বক ভাঙন কবলিত ও ঝুঁকিপুর্ন গাবুরাসহ পদ্মপুকুরের পরিস্থিতি সার্বক্ষনিক তদারকির জন্য উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল হাই সিদ্দিকী ও কৃষি কর্মকর্তা আবুল হোসেন রোববার থেকে দ্বীপ ইউনিয়ন দুটিতে পাঠানো হয়েছে।
উপকুলবর্তী এ উপজেলার প্রায় সাতটি ইউনিয়নকে ঘিরে থাকা প্রায় ১২০ কিলো মিটার উপকুল রক্ষা বাঁধের পঁচিশটি পয়েন্ট ঝুঁকিপুর্ন অবস্থায় রয়েছে বলে জানিয়েছে কতৃপক্ষ। তবে হরিশখালী, দুর্গাবটি ও পশ্চিম কৈখালীসহ বেশ কয়েকটি ভাঙন কবলিত অংশে পাউবোর পক্ষ থেকে কাজ চলছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সেকশন অফিসার মাসুদ রানা।
শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আ ন ম আবুজর গিফারী জানান, দ্বীপ ইউনিয়ন গাবুরাসহ উপকুলীয় অপরাপর ঝুঁকিপুর্ন এলাকার মানুষকে সোমবার বিকাল থেকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে চিড়া, গুড়, চাল আলু তেল আর ডালসহ প্রয়োজনীয় বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। করোনা পরিস্থিতির কথা বিবেচনায় নিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে সাবান ও মাস্ক ব্যবহারের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আশ্রিয় কেন্দ্রগুলোতে তাৎক্ষনিক চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য মেডিকেল টিম প্রস্তুত করার দায়িত্ব উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে দেয়অ হয়েছে বলে জানান তিনি।
##