শ্যামনগরে কর্মকর্তা সংকটে অফিস পাড়া : উন্নয়ন ব্যাহত


534 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
শ্যামনগরে কর্মকর্তা সংকটে অফিস পাড়া : উন্নয়ন ব্যাহত
এপ্রিল ২৩, ২০১৭ ফটো গ্যালারি শ্যামনগর
Print Friendly, PDF & Email

এস কে সিরাজ ::
আয়তনের দিক থেকে দেশের সর্ব বৃহত্তর উপজেলাটি হলো  সাতক্ষীরার শ্যামনগর। এটি সুন্দরবনের উপকণ্ঠেে অবস্থিত।এখানে প্রায় চার লক্ষ মানুষের বসবাস। শান্তি প্রিয় এ উপজেলাটি দেশের অন্যান্য উপজেলার চেয়ে অনেক গঠনমূলক ও দৃশ্যমান। প্রায়  সরকারী সকল দপ্তরগুলো এক বিল্ডিংয়ের মধ্যেই অবস্থিত । সম্প্রতি প্রসাশনের সহযোগিতায় সুন্দরবনের পাদদেশে গড়ে ওঠা ইকোট্যুরিজম পার্ক আকাশলীনা এ উপজেলা কে আরো পরিচিত করতে সক্ষম হচ্ছে।এটিকে ঘিরে দেশ বিদেশের বিভিন্ন পর্যটকরা স্থল পথে সুন্দরবন ভ্রমনে আসেন। বেশ কিছুদিন যাবত উপজেলার অফিস পাড়াটি কর্মকর্তা সংকটে ভুকছে। প্রায় ছয় মাস ধরে উপজেলা প্রানী সম্পদ অফিসে কোন কর্মকর্তা নেই, উপজেলা সাবঃরেজিষ্ট্রী অফিসে কর্মকর্তা না থাকায় পার্শ্ববর্তী কালিগন্জ উপজেলাার সাবঃরেজিষ্ট্রার সপ্তাহে দু”দিন রেজিষ্ট্রি কার্য্যক্রম করে থাকেন,দীর্ঘ দিন যাবত উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা ও অানছার ভিডিপি কর্মকর্তা নেই এ উপজেলাতে ।মাঝে মধ্যে ভারপ্রাপ্ত হিসাবে জেলা সদর থেকে কর্মকর্তারা এসে অফিস করে থাকেন, গত দুই মাস আগে বদলি হয়েছেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কিন্ত তার স্থলে এখনও কোন অফিসার আসেননি।এদিকে ১২টি ইউনিয়নের প্রায় চার লক্ষ মানুষের একমাত্র ভরসা শ্যামনগর ৫০শয্যা হাসপাতালটি। এখানে সরকারী পোষ্ট হিসাবে মোট ৩৩জন ডাক্তার থাকার কথা কিন্ত আছেন মাত্র ৪জন ।এবিষয় হাসপাতালের স্থাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ খান হাবিবুর রহমানের সাথে, কথা হলে তিনি বলেন দীর্ঘ দিন ধরে হাসপাতালটি ডাক্তার সংকটের মধ্যে চলছে, বৃহত্তর জনগুষ্টি অধ্যুষিত এ উপজেলার জন্য চার জন ডাক্তার খুবই অস্বাভাবিক ব্যাপার,তিনি বলেন আমাকে ধরে এখানে পাচজন ডাক্তার আছে, রাতদিন পরিশ্রম করেও সকল রোগীদের পরিপুর্ন চিকিৎসাা দেয়া সম্ভব হয়না, এছাড়া এ্যাম্বুলেন্স নেই,ইলেকট্রশিয়ন নেই,এ্যানেস্থিসিয়ার ডাক্তার নেই, ভবনগুলোর অবস্থা খুবই নাজুক,ড্রেন নেই ,হাসপাতালেের প্রাচীরটি দীর্ঘ দিন ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে,বর্তমানে হাসপাতালটি অরক্ষিত, তিনি বলেন সকল বিষয় উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে লিখিত ভাবে জানিয়েছি। এ বিষয়ে শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সায়েদ মোঃ মনজুর আলম বলেন,বেশ কিছু দিন যাবত একাধিক দপ্তর কর্মকর্তা শুন্য হয়ে পড়েছে, যার কারনে উপজেলার উন্নয়ন মুলক কর্মকান্ড সহ স্বাভাবিক কাজ কাম  অনেকটা ঝিমিয়ে পড়েছে, ব্যাপকত্বর উন্নয়ন ধরে রাখতে হলে এ মুহুর্তে সকল সরকারী দপ্তরগুলোতে কর্মকর্তা থাকা খুবই আব্যশক। সাতক্ষীরা- ৪ আসনের এম পি এস এম জগলুল হায়দারের সাথে হলে তিনি বলেন,দ্রুত এ সমস্যার সমাধান হবে,ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা হয়েছে বলে তিনি জানান।