শ্যামনগরে নদী ভাঙনের কবলে আকাশলীনা


245 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
শ্যামনগরে নদী ভাঙনের কবলে আকাশলীনা
নভেম্বর ২৯, ২০১৯ ফটো গ্যালারি শ্যামনগর
Print Friendly, PDF & Email

ডেস্ক রিপোর্ট ::

বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে সুন্দরবন সংলগ্ন চুনা নদীর পাশে অবস্থিত শ্যামনগর আকাশলীনা ইকো ট্যুরিজম সেন্টারের দক্ষিণ পূর্ব অংশসহ একই এলাকার কলবাড়ী বাজার জেলে পল্লী ও কলবাড়ী ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় ভাঙন আতঙ্ক বিরাজ করছে।

গতকাল আনুমানিক ৭.৩৫ মিনিটের দিকে আকাশলীনা ইকো ট্যুরিজম সেন্টারের প্রায় ১২০ ফুট ট্রেইল, একটি বসার সেট, একটি ফিসিং পয়েন্ট ও একটি ব্রিজ আকষ্মিক নদী গর্ভে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে এবং প্রায় ৫০ ফুট চরসহ ট্রেইলে ভাঙন দেখা দেয়। এ ঘটনায় দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর নির্মিত আকাশলীনা ওয়াচ টাওয়ারের সাথে মুল আকাশলীনার সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে, তাছাড়া ভাঙন ওয়াচ টাওয়ারের সন্নিকটে হওয়ায় তা বর্তমানে অনেক ঝুঁকিতে রয়েছে। এ ঘটনা ঘটার পর তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. কামরুজজামান, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস, এম নাহিদ হাসান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শাহিন ইসলাম, পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসও সাজ্জাদ হোসেনসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তাবৃন্দ।

এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. কামরুজজামান বলেন, ‘সকাল ৭.৪০ মিনিটের দিকে আকষ্মিকভাবে নদী ভাঙনের কথা শুনে আমি এখানে চলে এসেছি। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মহোদয়’কে অবগত করানো হয়েছে। সাথে সাথে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে কথা হয়েছে। তারা ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছে।’

বিষয়টি নিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসও সাজ্জাদ হোসেনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ‘আকাশলীনার অপর পাশে বালির চর উঠতে শুরু করেছে যার কারণে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হচ্ছে। এ কারণে ¯্রােত আকাশলীনার পাশ এবং কলবাড়ি ব্রিজ ও জেলে পল্লীর পাশ গা ঘেষে যাচ্ছে। যার কারণে ঘোল তৈরি হয়ে ভাঙন দেখা দিয়েছে বলে মনে করছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আকাশলীনার ভাঙন স্থানটি ৪০ থেকে ৫০ ফিট গভীর হয়েছে। এ বিষয়ে আমাদের উর্দ্ধতনের সাথে কথা হয়েছে, তারা আসছেন। আশা করছি ভাঙন কবলিত স্থানে ১০-২০ হাজার বালি ভর্তি বস্তা ফেলে ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।