শ্যামনগরে পিছিয়ে পড়া স্কুলের মধ্যে কাঠালবাড়ীয়া এ,জি মাধ্যমিক বিদ্যালয়


380 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
শ্যামনগরে পিছিয়ে পড়া স্কুলের মধ্যে কাঠালবাড়ীয়া এ,জি মাধ্যমিক বিদ্যালয়
মে ১৬, ২০১৬ ফটো গ্যালারি শ্যামনগর
Print Friendly, PDF & Email

এস কে সিরাজ,শ্যামনগর:

কোচিং বানিজ্য, গাইড, নোট বই আর নিজেদের তৈরী সিলিবাসের মধ্যে আবদ্ধ থেকে শ্যামনগরের অধিকাংশ স্কুল গুলো কোন রকমে ক্লাস রুমে সময় পার করছেন। যার কারনে সরকার নিষিদ্ধ কোচিং বানিজ্যের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে শিক্ষার্থীরা। এ সুযোগে শিক্ষকরা কৌশলে লুপে নিচ্ছে প্রতিমাসে হাজার হাজর টাকা। এ দিকে এ কারনে শিক্ষার্থীর অভিভাবকগন কোচিং বানিজ্যের মাসিক বেতন দিতে দিতে অসহায় হয়ে পড়েছে। কোচিং বানিজ্যে জড়িত শিক্ষক আর নোট বই পড়ানোর সুযোগ করে দেয়া প্রতিষ্টানের  প্রধান সহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সরকারী কঠোর আইনের নির্দেশনা রয়েছে। তবু তোয়াক্কা না করে চলছে বানিজ্যের কোচিং। এ দিকে এবার এস এস সি পরিক্ষায় শ্যামনগরে বিশেষ কয়েকটি স্কুল দৌড় গতিতে শীর্ষে স্থান করে নিলে ও এ প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়েছে অনেকেই। এ সবের অন্যতম হলো উপজেলার কাঠালবাড়ীয়া এ জি মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি।

এ অনেক নীচে থাকায় আলোচনার শীর্ষে চলে এসেছে এ জি মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি। এ স্কুলে পরিক্ষার হার হলো, মাত্র ৬৪%। এ স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ আজারুল ইসলাম বলেন, আমার স্কুলের রেজাল্ট ভাল কিন্ত পরিক্ষার হার ভাল না। তবে শিক্ষকরা পরিক্ষার ফলাফল ভাল করার জন্য অনেক চেষ্টা করেছেন। কিন্ত অভিভাবকগন সচেতন না হওয়ায় বাচ্ছারা পরিক্ষায় একটু খারাপ করেছে। তবে আগামীতে ভাল করার জন্য চেষ্টা করা হবে। এদিকে শ্যামনগর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ রবিউল ইসলাম বলেছেন,  এবার এস এস সি পরিক্ষায় যারা খারাপ করেছে তাদের বিষয়ে রেজাল্ট খারাপ হওয়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। তবে আগামীতে এ শ্যামনগর উপজেলাটির পরিক্ষার হার অনেকগুন বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে।  এ দিকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের মাননীয় সাংসদ সদস্য এম পি এস এম জগলুল হায়দার পরিক্ষার ফলাফল আরো ভাল করার পরামর্শ দিয়েছেন।