শ্যামনগরে পুর্ব শুক্রতার জের ধরে এক হাজার বেগুন গাছ নিধন


652 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
শ্যামনগরে পুর্ব শুক্রতার জের ধরে এক হাজার বেগুন গাছ নিধন
নভেম্বর ২, ২০১৬ ফটো গ্যালারি শ্যামনগর
Print Friendly, PDF & Email
এস কে সিরাজ,শ্যামনগর।।
শ্যামনগরের কৃষি খামার নামে পরিচিত কাশিমাড়ী ইউনিয়নের দেওল গ্রামটি। এখানের তাজা শাক সবজি স্থানীয় কাশিমাড়ী বাজার, শ্যামনগরের নকিপুর বাজার, নওয়াবেকী বাজার, কালিগন্জের কৃষ্ননগর বাজার সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যেয়ে থাকে এ গ্রাম থেকে কৃষকের লাগানো শাক সবজি।
রাসাইনিক সার নীটনাশক বিষ ছাড়াই উৎপাদিত এসকল শাক সবজি সাধারন মানুষ কদর করে কিনে থাকে। এ গ্রামে
অধিকাংশ মানুষ কৃষির উপর নির্ভরশীল। তারা স্ব- পরিবারে কৃষি খেতে শ্রম দিয়ে বিভিন্ন ধরনের শাক সবজি উৎপাদন করে থাকে।
এখানে শীত মৌসুমের সকল সবজি গুলো এলাকার ও এলাকার বাহিরে খুবই চাহিদা। দেওল গ্রামের কালিপদ মন্ডলের ছেলে পাচু রাম মন্ডল একজন অন্যতম কৃষক। সে এবার শীত মৌসুমকে  ঘিরে বিভিন্ন প্রজাতির শাক সবজির পাশাপাশি ১৫ শতক জমিতে বেগুন চাষ করেন।কয়েক প্রকার বেগুন চাষ করে তিনি ব্যাপক ফলন সৃষ্টি করেন।
প্রত্যেকটি গাছে ৪/ ৫ টি করে বেগুন ধরছিল। ঠিক এসময় পুর্ব শুক্রতার জের ধরে ২দিন আগে কতিপয় নরপশু ঘাস মারা বিষ ছিটিয়ে পাচু রামের প্রায় ১০০০টি বেগুন গাছ মেরে দিয়েছে। ফলন গাছের দৃশ্য যাদের চোখে পড়তো, রাত পেরিয়ে সকাল হতে না হতেই ফলন গাছ গুলো মরতে শুরু করলে ওই এলাকার কৃষক কৃষানী সহ সকল পেশার মানুষ কষ্টের নিশ্বাস ছেড়ে এর দৃষ্টান্তমুলক বিচার দাবী করেন। সবুজ বেষ্টুনিতে ঘেরা কাশিমাড়ী দেওলের কৃষকরা এখন আতংকের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
এদিকে স্থানীয় ইউপি মেম্বর মোঃ হামিদুল কবীর বাবু বলেছেন, একাধিক চুরির অভিযোগে অভিযুক্ত ওই এলাকার বিজয় মন্ডলের ছেলে সনাতন মন্ডল  এই ঘৃর্নিত কাজটি করেছেন। এলাকার একাধিক সুত্রে তিনি জানতে পেরেছেন,বলে তিনি জানান।
উপজেলার কাশিমাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম আব্দুর রউফ  বিষয়টি জানতে পেরে তিনি ছুটে আসেন নিস্তব্দ বেগুন বাগানে। এ অমানুষিক দৃস্য দেখে তিনি কেদে ফেলেন। চমৎকার এক পরিবেশ নষ্ট করায় তিনি ঘৃনা করার ভাষা হারিয়ে ফেলেন।তবুও তিনি তাৎক্ষণিক ভাবে কৃষক ধংস্ব কারীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমুলক ব্যবস্থা নেয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যাক্ত করেন।
রাতের ঘুম হারাম হয়ে পড়েছে কৃষক পাচু রাম মন্ডলের।বার বার তার স্বপ্ন  স্বপ্নের ঘোরে ভেঙ্গে যাচ্ছে। নিঃশব্দে চোখের পানি অঝরে পড়লেও তার চিৎকার করে কান্নার শক্তি নেই। শ্যামনগরের সকল পেশার মানুষ এ ধরনের ঘৃর্নিত কাজ করার জন্য আইনগত ব্যবস্থার দাবী জানান।
##