শ্যামনগরে ৯কোটি টাকা বরাদ্ধের ২৭ ব্রীজের টেন্ডার কার্য্যক্রম সম্পন্ন


537 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
শ্যামনগরে ৯কোটি টাকা বরাদ্ধের ২৭ ব্রীজের টেন্ডার কার্য্যক্রম সম্পন্ন
জানুয়ারি ১২, ২০১৭ ফটো গ্যালারি শ্যামনগর
Print Friendly, PDF & Email

এস কে সিরাজ ।।

শ্যামনগর উপজেলার২০১৬-১৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচীর আওতায় গ্রামীন রাস্তায় কম বেশি ১৫ কি.মি দৈর্ঘ্যের সেতু কালভার্ট নির্মান টেন্ডার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। প্রায় ৯কোটি টাকা বরাদ্ধের মাধ্যমে সুন্দরবন সংলগ্ন শ্যামনগর জনপদে ২৭টি ব্রীজ নির্মান হবে।

যার প্রাথমিক কার্য্রকম শুরু হলো টেন্ডার কার্য সম্পন্নের মাধ্যমে।জনপ্রতিনিধিদের ও স্থানীয় জনগনের মাধ্যমে তালিকাভুক্ত গুরুপ্তপুর্ন স্থানে নির্মিত হবে এ ব্রীজ গুলো। এ কারনে এজনপদে জলাবদ্ধতা নিরসন কল্পে এব্রীজ গুলো ব্যাপকতর ভুমিকা রাখবে বলে সচেতন মহল মনে করেন।

গত ২ দিন আগে সরকারী সকল নিয়মনীতির মাধ্যমে টেন্ডার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। এসময় টেন্ডার কমিটি ও অধিকাংশ ঠিকারদার ছিলেন। তবে কাজ না পাওয়া কতিপয় ঠিকাদার শুধু মাত্র উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কে জড়িয়ে অনিয়মের অভিযোগ তুলে পুনঃটেন্ডারের দাবী করেছেন।

কাজ না পাওয়া ঠিকাদাররা কাজ ভাগ বাটা, অনিয়ম সহ নানা ধরনের বিভ্রান্তকর অপপ্রচার করে – এজনপদের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করার পায়তারা করছে বলে সচেতন মহল মনে করেন।

এ বিষয় শ্যামনগর ঠিকাদার কল্যান সমিতির সভাপতি মোঃ আবুল বাসার বলেছেন, সকল প্রকার নিয়মনীতির মধ্যে থেকে টেন্ডার কার্য্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। এখানে কোন অনিয়ম হয়েছে বলে আমি মনে করিনা।

শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু সায়েদ মোঃ মনজুর আলম বলেছেন,টেন্ডারের সময় আমি নিজেই উপস্থিত ছিলাম,নিয়মনীতির মাধ্যমে অধিকাংশ ঠিকাদারের উপস্থিতিতে এ টেন্ডার কার্য্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।

এখানে কোন অনিয়মের সুযোগ ছিল না বলে আমি মনে করি।

শ্যামনগর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ জাফর রানা বলেন, সকল প্রকার সরকারী নিয়ম কানন মেনে ব্রীজের টেন্ডার কাজ শেষ হয়েছে। এ টেন্ডারে কাজ না পেয়ে কতিপয় ঠিকাদার মনো ক্ষুন্ন হয়েছেন,তিনি বলেন মাত্র ২৭টি ব্রীজ, এখানোতো সকল ঠিকাদার কাজ পাবেননা।

কাজ না পেয়ে অনিয়মের অভিযোগ তুললে সেটি হবে নিছক বিভ্রান্তীকর। টেন্ডারকৃত প্রকল্পগুলো হলো শ্যামনগর উপজেলার আটুলিয়া বিড়ালক্ষী মহিলা মাদ্রাসার সামনে ঝুরঝুরিয়া খালের উপর। ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের শ্রীফলকাটি নজরুল গাইনের বাড়ির

সামনে আইবুড়ি খালের উপর, খ্যাগড়াঘাট মোড়লবাড়ি জামে মসজিদের সামনে কদমতলী খালের উপর, ধুমঘাট হাসারচক নি¤œ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সামনে খালের উপর, ঈশ্বরীপুর নজরুল ঢালীর বাড়ির নিকট খালের উপর। মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের কুলতলী হোসেন খার বাড়ির সামনে খালের উপর, কচুখালী ফটিক গাজীর বাড়ির সামনে খালের উপর চুনকুড়ি ছাত্তারের বাড়ীর

সামনে খালের উপর ছোট ভেটখালীর ইউনুস গাজীর বাড়ি সামনে খালের উপর বড় ভেটখালী ইরশের মাষ্টারের বাড়ীর সামনে খালের উপর। শ্যামনগর সদরের বাদঘাটা আলম চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে খালের উপর, চিংড়িখালী রহমতউল্ল্যার যমুনা খালের উপর।

আঠুলিয়া ইউনিয়নের উত্তর আঠুলিয়া মুক্তিযোদ্ধা আবু বক্কারের বাড়ির সামনে খালের উপর, বাদুলিয়া আকবর গাজীর বাড়ির সামনে খালের উপর, উত্তর আঠুলিয়া ডা. আব্দুর রাজ্জাক গাজীর বাড়ীর সনামনে খালের উপর, সাপের দুনে রফিকুল সরদারের বাড়ীর সামনে সাপেরদুওন খালের উপর।

কাশিমাড়ী ইউনিয়নের পূর্ব কাশিমাড়ী খালেক সানার বাড়ির সামনে জয়নগর আব্দুস সত্তার সরদারের বাড়ির নিকট খালের উপর। ভুরুলিয়া ইউনিয়নের চকনিত্তনন্দপুর মসলেহ উদ্দিনের জমির নিকট যমুনা খালের উপর, বহ্মশাসন গ্রামের আকবরের বাড়ির নিকট খালের উপর, গাবুরা ইউনিয়নের লক্ষিখালী দাখিল মাদরাসার সামনে ১০নং সোরা খালের উপর।

বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের জাবাখালী খাসকাটা ভোরের খালের উপর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে পদ্মপুকুর ইউনিয়নের বাইনতলা আয়ুব সরদারের বাড়ির দক্ষিন পাশে জাপা খালের উপর পূর্বপাতাকালী জাফর মাষ্টারের বাড়ি সংলগ্ন।

রমজাননগর ইউনিয়নের চাঁদখালি গোলখালী ক্লাবের সামনে কাটা খালের উপর। কৈখালী ইউনিয়নের পশ্চিম কৈখালী মোকাতলা খালের উপর ইন্তাজ মাষ্টারের বাড়ির নিকট মেন্দিনগর ডি,এস কাদের সাহেবের বাড়ির পাশে কালী বাবুর খালের উপর।

মোট ২৭টি প্রকল্পের সর্বনি¤œ ২৬ ফুট থেকে ৬০ ফুট দৈর্ঘের কালভার্ট নির্মান কাজের প্রতিটি সিডিউলে দেড় হাজার টাকা মোট ৪০৫০০/- শতাধিক ঠিকাদার ৩হাজারের বেশি সিডিউল ক্রয় করেন বলে জানা যায়।

অফিস সূত্রে জানা যায় প্রতিটা কাজের এগেনেষ্টে ১শ ২৭ জন সিডিউল ক্রয় করে সব মিলিয়ে ৩ হাজারেরও বেশি সিডিউল বিক্রি হয়। যার মধ্যে কাজ পেয়েছে ২৭ জন।অফিস থেকে গত ৫ ই জানুয়ারী ২০১৭ লটারীর নোটিশ

৫১,০১,৮৭৮৬,০০০,১৬,০১৬,১৭-১০ স্বারকে নোটিশ বোর্ডে টানিয়ে দেওয়া হয়।

##